
এই ৩৯ বছর বয়সেও যে তিনি ভেলকি দেখিয়ে চলেছেন, সেটা তো আর এমনি এমনি নয়। আমাদের ব্যাপক উদ্বেলিত করতে মেসির মতো লিজেন্ডদের কতটা ঘাম ঝরাতে হয়, সেই হিসাব সবার কাছে নেই। যাঁরা খানিক খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা জানেন, মেসির জীবন রুটিন মেপে চলে। খাওয়া থেকে ঘুম, ট্রেনিং থেকে বিশ্রাম—সবই তাঁর ঘড়ির কাঁটায় ঘুরতে থাকে। অন্তত যখন থেকে তিনি প্রফেশনাল ফুটবলের জগতে পা রেখেছেন, তখন থেকে এই রুটিন তাঁর জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।
কিন্তু ‘মেসি’ বলে কি তিনি মানুষ নন! মানুষ বলেই তিনি কখনো কখনো টাইব্রেকার কিংবা ফ্রি-কিক মিস করেন। সেই একই কারণে তিনি মাঝে মাঝে ডায়েট আর কঠিন রুটিন ভেঙে চিট মিলের আশ্রয় নেন। যাঁরা খানিক হলেও জিম করেছেন, তাঁরা জানেন, জিমের কঠিন নিয়মের মধ্যে মানুষ ঠিক কতটা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় থাকেন চিট মিলের জন্য। হ্যাঁ, মেসিও এই চিট মিলের আশ্রয় নেন।

তাঁর চিট মিলের হদিস নেওয়ার আগে আসুন বরং তাঁর ডায়েট বিষয়ে জেনে নিই। এটা অবশ্য নতুন কোনো তথ্য নয়। গুগল করলে মেসির ডায়েট চার্টসহ বিস্তর তথ্য পাওয়া যায়। তারপরেও বিষয়টি বলে রাখি। লিওনেল মেসির ডায়েটের মূলমন্ত্র মেডিটেরিয়ান ডায়েট। সেই ডায়েটে প্রক্রিয়াজাত খাবার শতভাগ নিষিদ্ধ। ডায়েট পরিকল্পনায় মোটাদাগে আছে পর্যাপ্ত পানি, এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, হোল গ্রেইন বা গোটা শস্য, তাজা ফলমূল এবং তাজা শাকসবজি। এর মধ্যে ছোটখাটো আরও অনেক কিছু আছে, যেগুলো আমাদের না জানলেও ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না।
সপ্তাহে সাত দিন এই ডায়েটের সঙ্গে থাকে সময় ধরে জিম ও মাঠের অনুশীলন। ফলে মাঝে মাঝে এই কঠিন গণ্ডি পেরোতে মন চাইতেই পারে মেসির। প্রশ্ন হলো, চিট মিলে তিনি কী খান? অনেকগুলো সূত্র থেকে জানা যায়, কঠোর ডায়েটের মাঝে মেসি মাঝে মাঝে তাঁর প্রিয় আর্জেন্টাইন খাবার মিলানেসা খেতে পছন্দ করেন। এটি মূলত ব্রেড ক্রাম্বসে মোড়ানো ভাজা মাংসের খাবার। এ ছাড়া অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করা চিকেন রোস্ট এবং আলু-গাজরের তরকারিও তাঁর বেশ পছন্দের খাবার। কী, রেসিপি চাই? আরে, আপনার তো আর মেসির মতো ডায়েট করার দরকার নেই। ফলে এক দিন বাড়িতে রান্না করে চেখে দেখতেই পারেন মেসির চিট মিল।
মিলানেসা নামের সেই খাবার রান্না করতে প্রয়োজন হবে গরুর মাংসের রাউন্ড স্টেক দেড় পাউন্ড, ডিম ৬টি, রসুনকুচি ৩ কোয়া, ধনেপাতা ১ মুঠো, ব্রেড ক্রাম্বস প্রয়োজনমতো, ভেজিটেবল অয়েল ভাজার জন্য, টমেটো সস ১ কাপ, পাতলা করে কাটা মোজারেলা চিজ প্রয়োজনমতো, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া এবং শুকনো অরিগানো প্রয়োজনমতো।
স্টেকটি আধা ইঞ্চির মতো চওড়া করে টুকরো টুকরো কেটে নিন। এবার মিট টেন্ডারাইজার বা কোনো ভারী জিনিস ব্যবহার করে মাংসের টুকরাগুলো পিটিয়ে চ্যাপ্টা করে নিন। একটি বড় বাটিতে ৬টি ডিম, লবণ, রসুন এবং ধনেপাতা একসঙ্গে মেশান। এই মিশ্রণ দিয়ে পেটানো মাংসের টুকরোগুলো ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। এবার মাংসের টুকরাগুলোর দুই পাশে সমানভাবে ব্রেড ক্রাম্বস মাখিয়ে নিন। ব্রেড ক্রাম্বস মাখানো মাংসের টুকরোগুলো গরম তেলে সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে রাখুন। এবার ভেজে রাখা মাংসের টুকরাগুলো বেকিং প্যানে রাখুন। প্রতিটি টুকরার ওপরে এক টেবিল চামচ টমেটো সস, এক স্লাইস মোজারেলা চিজ এবং এক চিমটি অরিগানো দিন। ওভেনে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ৫ মিনিট বেক করলে তৈরি হয়ে যাবে মেসির প্রিয় মিলানেসা।

শুধু মেইন ডিশ খেলেই চলবে। মেসি কিন্তু দক্ষিণ আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী ভেষজ চা ইয়েরবা মাতে পান করতে ভালোবাসেন। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক পানীয় নাকি ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই তাঁর ক্লান্তি দূর করে। আপনিও এটি তৈরির চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এ জন্য দরকার হবে ইয়েরবা মাতে ১ চা-চামচ এবং পরিমাণমতো গরম পানি।
ইয়েরবা মাতে চা-পাতা একটি মগে রাখুন। পাতাগুলোর ওপর গরম পানি ঢেলে কয়েক মিনিটের জন্য ভিজতে দিন। এবার বম্বিলা নামে একধরনের স্ট্র দিয়ে পান করুন।
আর হ্যাঁ, এর একটি আইসড ভার্সনও রয়েছে। সেটার নাম আইসড ইয়েরবা মাতে। এ জন্য প্রয়োজন হবে পরিমাণমতো ইয়েরবা মাতে, ঠান্ডা পানি পরিমাণমতো, আইস কিউব প্রয়োজনমতো, পছন্দের ফ্লেভার লেবু, পুদিনা, কমলা বা আদার রস।
একটি গ্লাসে এক-তৃতীয়াংশ ইয়েরবা মাতে দিয়ে পূর্ণ করুন। ইয়েরবা মাতে ভিজিয়ে নেওয়ার জন্য ঠান্ডা পানি যোগ করুন। তারপর বোম্বিলা নামের স্ট্র গ্লাসে রাখুন। তারপর বরফ দিয়ে গ্লাস ভর্তি করুন। আবার ঠান্ডা পানি ঢালুন এবং বোম্বিলা দিয়ে চুমুক দিন। স্বাদের জন্য লেবু, পুদিনা, কমলা বা আদার রস যোগ করুন।
সূত্র: গৌল ও অন্যান্য

সমাজে একমাত্র সন্তানদের নিয়ে নানা ধরনের প্রচলিত ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ভাইবোন না থাকায় তারা একাকী, স্বার্থপর, আদুরে, জেদি কিংবা সামাজিকভাবে অদক্ষ হয়ে ওঠে। কিন্তু দীর্ঘদিনের গবেষণা বলছে, এসব ধারণার পক্ষে শক্ত কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
১৪ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে বদলাতে থাকে ফ্যাশন ও স্টাইল। করপোরেট অফিসগুলোতে যে নারীরা কাজ করেন, তাঁদের বরাবরই পোশাকের বিষয়ে সচেতন থাকতে হয়। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার পাশাপাশি নিজেকে পরিপাটি করে উপস্থাপন করাও জরুরি।
১৯ ঘণ্টা আগে
সঠিক সময়ে ‘না’ বলতে পারাটা ব্যক্তিত্বের বড় সক্ষমতা। এটি আমাদের সমাজে এখনো শেখানো হয় না। অন্যদিকে সবকিছুতে মানিয়ে নেওয়া বা ‘হ্যাঁ’-তে সায় দেওয়াকে আমরা ভদ্রতা বলে গণ্য করি। কিন্তু আসলে যা কিছু আপনার রুচিবোধ আরর স্বাচ্ছন্দ্যের বাইরে
২০ ঘণ্টা আগে
বর্ষার দিনগুলো মনে প্রশান্তি আনলেও ঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং মেঝে সুরক্ষিত রাখার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বৃষ্টির দিনে মেঝেতে ভেজা জুতা এবং কাদার দাগ উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সময়ে মেঝে রোজ মপ করা হলেও স্যাঁতসেঁতে ভাব বজায় থাকে। ফলে সঠিক পাপোশ ব্যবহার না করলে ঘরে উৎকট গন্ধ হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতি এড়িয়ে
২০ ঘণ্টা আগে