বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শিক্ষক নিয়োগের জন্য নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা রয়েছে।
এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন চেয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র বলছে, সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি পদ চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য ৬ হাজার পদ সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে নবম গণবিজ্ঞপ্তিতে ৬৯ হাজার ৫৭৭টি পদে নিয়োগের সুপারিশ করার কথা রয়েছে।
নবম গণবিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশ হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে গত রোববার এনটিআরসিএর সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’
তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) আলিফ রুদাবা।
এনটিআরসিএর সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে শিক্ষকদের শূন্য পদের চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) আহ্বান করা হয়। কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর ১৫ এপ্রিল এ কার্যক্রম শেষ হয়। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদের (ই-রেজিস্ট্রেশন) কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৯টি। এসব প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী রয়েছেন।
এনটিআরসিএ থেকে জানা যায়, এবার শিক্ষক নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে নয়, সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের পর মোট ২০০ নম্বরের এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এরপর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। উভয় পরীক্ষায় পাস করতে হলে প্রার্থীকে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে যেসব প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত হবেন, শুধু তাঁদের এনটিআরসিএ থেকে শিক্ষক পদে নিয়োগের একটি সনদ দেওয়া হবে।
বর্তমানে সারা দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদের বিপরীতে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে প্রার্থীদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিবন্ধন সনদ নিতে হয়। পরীক্ষা নিয়ে এই সনদ দেয় এনটিআরসিএ। এরপর নিয়োগের জন্য এনটিআরসিএ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন নিয়ে শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি সর্বশেষ শিক্ষক নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল এনটিআরসিএ। বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৮৭টি। এরপর প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার) নিয়োগের জন্য অষ্টম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে শূন্য পদের সংখ্যা ১২ হাজার ৯৫১টি।
২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পরিচালনা করছে এনটিআরসিএ। শুরুতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির হাতে থাকলেও ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সরকার এনটিআরসিএকে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্বও দেয়। এর পর থেকে সাতটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৩৮ জন শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

সারা দেশের স্কুল-কলেজগুলো সিসিটিভি মনিটরিংয়ের আওতায় থাকতে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ সোমবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার...
৬ ঘণ্টা আগে
উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার তৃতীয় দিনে আজ সোমবার ৪৮ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছে আর অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ১২৯ জন। আজ বিকেলে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি (লার্নিং ডেফিসিট) কমাতে পাঠ্যক্রম পুনর্বিন্যাস, নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ সোমবার সকালে আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠাগারে ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’, ‘বেগম খালেদা জিয়া: জীবন ও সংগ্রাম’ এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই তিন বই রাখার নির্দেশনা বাতিল করা হয়েছে। আজ সোমবার রাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা পলি স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
৭ ঘণ্টা আগে