কোরবানির ঈদে পশু জবাই এবং মাংস কাটাকাটির ফলে কাপড়ে রক্তের দাগ লেগে যাওয়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে এই দাগ তোলার জন্য কাপড়ভেদে আলাদা উপায় আছে। ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করেই কাপড় থেকে রক্তের দাগ তোলা সম্ভব।
সুতি
সাদা বা হালকা রঙের সুতি কাপড়ে রক্তের দাগ লাগলে এক লিটার পানিতে আধা কাপ বেকিং সোডা এবং দুই টেবিল চামচ ডিশ ওয়াশিং লিকুইড একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণে কাপড় ভিজিয়ে রাখতে হবে আধা ঘণ্টার মতো। তারপর সাধারণ নিয়মে কাপড় ধুয়ে ফেলুন।
ভিসকস
প্রথমে কাপড়ে দাগযুক্ত স্থানটি পানি ও ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। এরপর এক টুকরো লেবু নিয়ে দাগের জায়গায় ঘষে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এবার একটি পাত্রে অর্ধেক লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ লবণ ও আধা কাপ ঠান্ডা পানি মিশিয়ে সল্যুশন তৈরি করুন। সল্যুশনটিতে কাপড়ের দাগযুক্ত অংশ ভিজিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। সবশেষে ডিটারজেন্ট দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে কাপড় ধুয়ে নিন।
সিল্ক
সিল্কের কাপড়ে রক্তের দাগ লাগলে এক কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ লবণ মেশান। এবার একটি স্পঞ্জ দিয়ে দাগযুক্ত জায়গা কয়েকবার লবণপানি দিয়ে ঘষে নিন। এবার পানি দিয়ে কাপড়টি সাধারণ নিয়মে ডিটারজেন্ট দিয়ে আলতো করে কেচে ধুয়ে নিতে হবে।
জর্জেট
ট্যালকম পাউডার ও পানি দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে কাপড়ের দাগের ওপর লাগিয়ে নিন। এবার পেস্টটি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কাপড়ে পাউডারের পেস্ট শুকিয়ে গেলে ব্রাশ দিয়ে আলতো করে ঘষে উঠিয়ে ফেলুন। তারপর তরল ডিটারজেন্ট দিয়ে সাধারণ নিয়মে কাপড় ধুয়ে নিলেই রক্তের দাগ চলে যাবে।
সূত্র: গুড হাউস কিপিং, টিন ভোগ ও অন্যান্য

ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘পুওর মোয়া’র নতুন এক বিশ্লেষণে এমন কিছু গন্তব্য চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলোতে দম্পতিদের ছুটি কাটানো তুলনামূলক ঝামেলামুক্ত ও স্মরণীয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্ক ও যৌনতা বিষয়ক থেরাপিস্ট জর্জিনা ভাসের সহায়তায় ৪০টির বেশি দেশের ১০০টি গন্তব্য বিশ্লেষণ করে সেরা জায়গাগুলো...
৪ ঘণ্টা আগে
কোরবানির ঈদে খাওয়া হয় হরেক রকমের সুস্বাদু মাংসের পদ। তবে এর আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হয় রান্নাবান্না ও খাওয়াদাওয়ার পর। মাংসের চর্বিযুক্ত ঝোল, ভুনা বা কাবাব তৈরির পর কড়াই, পাতিল ও প্লেটে যে চটচটে তেলের আস্তরণ জমে, তা সাধারণ উপায়ে ধুতে গেলে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। অনেকে অলসতা করে লোহার কড়াই বা ননস্টিকের...
৬ ঘণ্টা আগে
ঈদে বিরিয়ানি হবে না, সেটা অনেকেই মেনে নিতে পারবেন না। তাই রেঁধে ফেলুন খাসির বিরিয়ানি। মূলত আগে বিরিয়ানি রান্না করা হতো খাসির মাংস দিয়ে, যদিও এখন তাতে দেওয়া হয় গরুর মাংস। যা হোক, ঈদের পরদিন বাড়িতে খাসির মাংস আছে নিশ্চয়ই। থাকলে রান্না করে ফেলুন খাসির ঝাল বিরিয়ানি। রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী...
৮ ঘণ্টা আগে
গরুর মাংসের কোয়াব হলো চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। এই ঈদে আপনি নিজেই রান্না করে নিতে পারেন চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ও মজাদার এই পদ। আপনাদের জন্য রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী ঝুমু হক...
১ দিন আগে