পবিত্র কোরআনের সর্বশেষ দুটি সুরা—সুরা ফালাক ও সুরা নাস। এই দুটি সুরাই মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। ফালাক ১১৩তম সুরা, আয়াত ৫টি, রুকু ১টি আর সুরা নাস ১১৪তম সুরা। আয়াত ৬টি, রুকু ১টি। সুরা ফালাকে মহান আল্লাহ মানুষকে সব ধরনের মন্দ ও অনিষ্ট থেকে তাঁর আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ সুরায় বিশেষভাবে অন্ধকার রাতের অনিষ্ট, জাদুকরের অনিষ্ট এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সুরা নাসে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। এ সুরার প্রথম তিন আয়াতে আল্লাহ তাআলার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। আর পরের তিন আয়াতে জিন ও মানুষরূপী শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে মহান আল্লাহর কাছ থেকে আশ্রয় গ্রহণের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
যখন রাসুল (সা.)-কে জাদু করা হয়েছিল, এই সুরা দুটো নাজিল হয়েছিল। যুরায়ক গোত্রের লাবিদ ইবনে আসাম নামক এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-কে জাদু করে। তাঁকে জাদু করে রশিতে ১১টি গিঁট দেওয়া হয়েছিল। এই দুটি সুরার ১১টি আয়াত পড়ে সেই ১১টি গিঁট খোলা হয়। এ দুই সুরার মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাসুল (সা.)-কে মুক্তি দিয়েছিলেন।
আক্রমণ, জাদুটোনাসহ সব ধরনের অনিষ্ট থেকে মুক্ত থাকতে এ দুই সুরার নিয়মিত আমল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। রাসুল (সা.) বিপদ-আপদে ও অসুস্থতায় এই দুটো সুরার ওপর আমল করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) প্রতি রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন নিজের উভয় হাত একসঙ্গে মেলাতেন। তারপর উভয় হাতে ফুঁক দিতেন এবং সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়তেন। তারপর দেহের যতটুকু অংশ সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। তিনি এরূপ তিনবার করতেন। (সহিহ বুখারি)

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
হিজরতের আগে ইয়াসরিব তথা মদিনার সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল চরম অবক্ষয়ে নিপতিত। একদিকে গোত্রীয় কোন্দল ও রক্তক্ষয়ী সংঘাত, অন্যদিকে মদিনার অর্থব্যবস্থার ওপর ইহুদিদের একচেটিয়া কর্তৃত্ব—সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত।
১৫ ঘণ্টা আগে
নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং সর্বোত্তম ইবাদত। জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হয়। তবে জামাতে বা ইমামের পেছনে নামাজ পড়ার সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও বিধান মেনে চলতে হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
মানুষ হিসেবে চলার পথে আমরা প্রতিনিয়ত ছোট-বড় অসংখ্য ভুল বা গুনাহ করে ফেলি। আর এই গুনাহের বোঝা থেকে মুক্তি পাওয়ার এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও উত্তম আমল হলো ‘ইস্তিগফার’ বা ক্ষমা প্রার্থনা করা।
১৯ ঘণ্টা আগে