
প্রশ্ন: অনেকেই জীবিত থাকা অবস্থায় মৃত্যু-পরবর্তী দাফনের জন্য স্থান বেছে নিতে চান। কেউ পারিবারিক কবরস্থানে বা নিজের মালিকানাধীন জমিতে নিজের কবরের জায়গা নির্দিষ্ট করে রাখেন, আবার কেউ সাধারণ কবরস্থানে আগে থেকেই জায়গা কিনে রাখতে চান কিংবা টাকা দিয়ে কিনে রাখার অসিয়ত করেন। ইসলামের দৃষ্টিতে জীবদ্দশায় এভাবে

আল্লাহ তাআলা সর্বময় ক্ষমতার একক মালিক। মানুষের জীবনের আলো-ছায়া, সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ—সবই তাঁর সৃষ্টি ও হুকুমের অধীন। অরণ্যের একটি বৃক্ষপত্রও তাঁর অগোচরে এবং হুকুম ছাড়া ঝরে পড়ে না—এ সত্য প্রতিটি মুমিনের সুদৃঢ় বিশ্বাস। তবু প্রাত্যহিক জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতে দেখা যায়, মানুষ অজান্তেই ইমানের সরল-সোজা পথ

মানুষের মনে কৌতূহল থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই কৌতূহল যখন সীমালঙ্ঘন করে অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরে আঘাত হানে, তখন তা পরিণত হয় অনধিকার চর্চায়। আধুনিক যুগে প্রতিবেশীর জানালায় কুদৃষ্টি দেওয়া, আঙিনায় উঁকি দেওয়া কিংবা গোপন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যের ব্যক্তিগত মুহূর্ত চাক্ষুষ করার প্রবণতা সামাজিক শান্তি

দুনিয়ার জীবনে অভাব-দারিদ্র্য এক চরম পরীক্ষার নাম। তীব্র অভাব মানুষের আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্ন করে, মানসিক শান্তি বিনষ্ট করে এবং শরিয়তের বিধান ও আল্লাহর ইবাদতে মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটায়। ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘমেয়াদি দারিদ্র্য মানুষকে পাপ ও নৈরাশ্যের দিকে ঠেলে দেয়।