
বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসন বিএনপি তার জোটসঙ্গীদের ছেড়ে দেওয়ায় এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। ফলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর জোটের প্রার্থী, এমনকি বিএনপিকেও আক্রমণ করছেন তিনি। ভোটের মাঠের পরিস্থিতি নিয়ে আজকের পত্রিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি শফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
প্রশ্ন: নির্বাচনী প্রচারে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
উত্তর: গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও পথসভায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। যেখানেই যাচ্ছি, জনগণ আমাকে প্রতিনিয়ত সাহস ও শক্তি জোগাচ্ছে। কারণ তারা জানে, বিগত ১৭ বছর ছিলাম তাদের সাথে, আগামী দিনেও থাকব।
প্রশ্ন: নারী প্রার্থী হিসেবে বুলিং বা কোনো বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন কি না?
উত্তর: প্রকাশ্যে সভায় আমার পোশাক-আশাক, রুমিন ফারহানা টিস্যু পেপার হয়ে গেছে, টিস্যু পেপার কাজে লাগে না; আরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হচ্ছে।
প্রশ্ন: দল, অর্থাৎ বিএনপি আপনার সঙ্গে নেই নির্বাচনে। বিষয়টি কতটুকু আপনার জন্য নেতিবাচক হয়েছে?
উত্তর: আমি তো বিএনপির প্রার্থী না। তাহলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কেন। আমি তো স্বতন্ত্র প্রার্থী। আমার তো নিজস্ব ভোট।
প্রশ্ন: দলীয় প্রতীকের বাইরে গিয়ে লড়াইটা সম্পর্কে কিছু বলুন।
উত্তর: বড় দল (বিএনপি)। দলকে তো তাদের হিসাবনিকাশ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আমাকে আমার রাজনীতি, আমার নেতা-কর্মী, আমার সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
প্রশ্ন: আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাকে দেখছেন? তাঁর সম্পর্কে মূল্যায়ন করুন।
উত্তর: আমি কাউকে ইন্ডিকেট করে বলতে চাই না। যাঁরা মাঠে আছেন, তাঁরা সবাই প্রতিযোগিতা করছি। মানুষ যাঁর সঙ্গে থাকবে, তিনিই জয়লাভ করবেন।
প্রশ্ন: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁর সমর্থকেরা আপনার বিষয়ে নানা রকম মন্তব্য করছেন। এ বিষয়ে আপনি অভিযোগ করেছেন, প্রতিকার পাননি বলেছেন। বিষয়টাকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
উত্তর: মানুষ হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিচারক। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মাধ্যমে মানুষ এটার বিচার করে দেবে।
প্রশ্ন: নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুলেছেন। একই রকম অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো চিন্তা আছে?
উত্তর: আমি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠে থাকব। আমার লড়াই আমি চালিয়ে যাব। দেখা যাক কী হয়।
প্রশ্ন: ভোটে জেতার পর ক্ষমতাসীন দল থেকে ডাক এলে তখন কী করবেন?
উত্তর: এটা সময় বলে দেবে। আগে নির্বাচন হোক, আমি নির্বাচিত হই। তারপর না হয় সিদ্ধান্ত। এটা তো অনেক দূর। পরেই এটা নিয়ে চিন্তা করব।
প্রশ্ন: কেউ আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করলে সেটা কীভাবে দেখেন?
উত্তর: দেখুন এটা হলো যার যার ব্যক্তিগত বিষয়। যার যার পারিবারিক শিক্ষার বিষয়।
প্রশ্ন: আপনি সবাইকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার কথা বলছেন, কেন?
উত্তর: আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার প্রতীক হাঁস। ধান হলো প্রাণ, আমার হাঁস আমারই চাষ করা ধান খাবে। আমি যা বলি, সেই ওয়াদা রক্ষা করি। তবে আগামী ১১ তারিখ বিকেল থেকে ১২ তারিখ রেজাল্ট না আসা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাই। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শেয়াল চুরি করতে না পারে। পাশাপাশি একটি ডিমও যাতে বেজি না খেতে পারে।

দেশে সাইবার স্পেসে নাগরিকের তথ্য সুরক্ষা নিয়ে দিনে দিনে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রায়ই ডেটা ব্রিচ, ডার্ক ওয়েবে নাগরিকদের তথ্য বিক্রির অভিযোগ উঠছে হ্যাকার গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। অতি সম্প্রতি ডার্ক ওয়েবে ৬০ লাখ বাংলাদেশির জীবনবৃত্তান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছে হ্যাকাররা। এসব বিষয়সহ তথ্য সুর
৪ দিন আগে
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে অর্থনীতির অনেক ক্ষেত্রেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। সেই অবস্থা থেকে অর্থনীতিকে টেনে তোলে প্রথমে অন্তর্বর্তী সরকার এবং এখন বিএনপি সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সরকারের উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা...
২৪ দিন আগে
গ্যাসসহ জ্বালানির সংকট ও বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভুগছে শিল্প খাতও। সংকট সমাধানে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এসব নিয়ে কথা বলেছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার ফয়সাল আতিক।
০৪ আগস্ট ২০২৬
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ এবং উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। এই প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের ব্যাংকিং, গুণগত ঋণের প্রয়োজনীয়তা এবং সোনালী ব্যাংকের সাম্প্রতিক আর্থিক অবস্থান নিয়ে আজকের পত্রিকার মুখোমুখি হয়েছেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা...
২৩ জুলাই ২০২৬