
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গত ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে আমরা দেখেছি কীভাবে একটার পর একটা মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউলগানের আসরে বাধা দেওয়া হয়েছে। যারা বাউলগান করে, তাদের হেনস্তা করা হয়েছে বা জেলে পাঠানো হয়েছে। আমি এসব দেখেছি এবং প্রতিবাদ করেছি।’

বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা ছিঁড়ে ফেলেছেন রুমিন ফারহানার পুষ্পস্তবক।

রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন রুমিন ফারহানা। তখন ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী। ১২টা ১ মিনিট বাজার সঙ্গে সঙ্গে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান রুমিন ফারহানা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।