কলকাতা প্রতিনিধি

কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্যস্ত ভারত জোড়ো যাত্রায়। ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫০ দিনব্যাপী ভারতজুড়ে জনসংযোগ চালিয়ে দলকে সংগঠিত করা লক্ষ্যে চালানো পদযাত্রায় ব্যস্ত থাকছেন কংগ্রেসের ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এই নেতা। বিভেদের বিরুদ্ধে দেশের একতাই তাঁর এই পদযাত্রার মূলমন্ত্র। রাহুল দলকে জনমানুষের সঙ্গে জুড়তে উদ্যোগ নিলেও ভাঙন চলছেই তাঁর দলে।
গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিনই ভাঙছে কংগ্রেস। গত মঙ্গলবার রাজ্যের ১০ বারের নির্বাচিত বিধায়ক মোহনসিং রাথওবা ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। গতকাল বুধবার যোগ দিলেন আরেক কংগ্রেস বিধায়ক ভবেশ কাটরা। ভগবানভাই ডি বারাডও জানালেন তিনিও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।
এক মাসও নেই গুজরাট নির্বাচনের। আগামী ১ ও ৫ ডিসেম্বর গুজরাট বিধানসভার ভোট গ্রহণ। বিজেপি টানা ৬ বার রাজ্যটিতে ভোটে জিতে সরকার গঠন করেছে। এবার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের ভাঙন বিজেপি নেতাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।
কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের আশা প্রকাশ করলেও তাঁর দলের অঘোষিত নেতা রাহুল গান্ধীর দেখা নেই গুজরাটে। তিনি ব্যস্ত পদযাত্রায়। সর্বশেষ মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রা। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিজেপি মানুষকে ভয় দেখিয়ে ধর্মীয় ও জাতিগত বিভেদ তৈরি করছে।’ তবে রাহুলের বিরুদ্ধে পাল্টা বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা শুধাংশু ত্রিপাঠি। একই সঙ্গে রাহুল গান্ধীর ভোটমুখী গুজরাট বা হিমাচলে না যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ, রাম (বিজেপি), বাম (সিপিএম) এবং শ্যাম (কংগ্রেস) এক জোট হয়ে তৃণমূলকে হারাতে চাইছে। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিন পক্ষকেই মানুষ উচিত শিক্ষা দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ—তৃণমূল আর বিজেপির মধ্যে কোনো ফারাক নেই। কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীও মমতার তৃণমূলকে বিজেপির বি-টিম বলে কটাক্ষ করেন।

কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্যস্ত ভারত জোড়ো যাত্রায়। ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫০ দিনব্যাপী ভারতজুড়ে জনসংযোগ চালিয়ে দলকে সংগঠিত করা লক্ষ্যে চালানো পদযাত্রায় ব্যস্ত থাকছেন কংগ্রেসের ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এই নেতা। বিভেদের বিরুদ্ধে দেশের একতাই তাঁর এই পদযাত্রার মূলমন্ত্র। রাহুল দলকে জনমানুষের সঙ্গে জুড়তে উদ্যোগ নিলেও ভাঙন চলছেই তাঁর দলে।
গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদিনই ভাঙছে কংগ্রেস। গত মঙ্গলবার রাজ্যের ১০ বারের নির্বাচিত বিধায়ক মোহনসিং রাথওবা ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। গতকাল বুধবার যোগ দিলেন আরেক কংগ্রেস বিধায়ক ভবেশ কাটরা। ভগবানভাই ডি বারাডও জানালেন তিনিও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।
এক মাসও নেই গুজরাট নির্বাচনের। আগামী ১ ও ৫ ডিসেম্বর গুজরাট বিধানসভার ভোট গ্রহণ। বিজেপি টানা ৬ বার রাজ্যটিতে ভোটে জিতে সরকার গঠন করেছে। এবার নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের ভাঙন বিজেপি নেতাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।
কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের আশা প্রকাশ করলেও তাঁর দলের অঘোষিত নেতা রাহুল গান্ধীর দেখা নেই গুজরাটে। তিনি ব্যস্ত পদযাত্রায়। সর্বশেষ মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রা। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিজেপি মানুষকে ভয় দেখিয়ে ধর্মীয় ও জাতিগত বিভেদ তৈরি করছে।’ তবে রাহুলের বিরুদ্ধে পাল্টা বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা শুধাংশু ত্রিপাঠি। একই সঙ্গে রাহুল গান্ধীর ভোটমুখী গুজরাট বা হিমাচলে না যাওয়া নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।
এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির অভিযোগ, রাম (বিজেপি), বাম (সিপিএম) এবং শ্যাম (কংগ্রেস) এক জোট হয়ে তৃণমূলকে হারাতে চাইছে। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিন পক্ষকেই মানুষ উচিত শিক্ষা দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর অভিযোগ—তৃণমূল আর বিজেপির মধ্যে কোনো ফারাক নেই। কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীও মমতার তৃণমূলকে বিজেপির বি-টিম বলে কটাক্ষ করেন।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে