
যে বাঙালি এত দিন ‘বিদ্রোহী’ হওয়ার কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালোবাসত, আজ তারাই তৃণমূলের দলত্যাগী নেতাদের বিশ্বাসঘাতক বা পাল্টু বলে গালমন্দ করছে। কিন্তু আবেগের চশমা সরিয়ে একটু ভাবুন তো...

ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ব্যারাকপুরের সাবেক এমএলএ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে গত এপ্রিলে বাংলাদেশের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটির সরকার। তিনি হাইকমিশনার পদে প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হলেন।

ভারতের রাজনীতিতে আঞ্চলিকতাবাদ বহু পুরোনো বিষয়। সেই আঞ্চলিকতাবাদের ধারাবাহিকতায় এত দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ঠেকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় মমতার সেই দুর্গে ধস নামিয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপারসনের পদ থেকে অপসারণ ও দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িক বহিষ্কার (সাসপেন্ড) করেছে বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’। একই সঙ্গে এই ‘আসল তৃণমূল’ দলের একটি নতুন কমিটিও ঘোষণা করেছে...