আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে কোনো দেশ ব্যবসা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সব ধরনের বাণিজ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই আদেশ তাৎক্ষণিক কার্যকর এবং চূড়ান্ত।’ তবে কীভাবে, কোন আইনের আওতায় বা কোন দেশগুলোর ওপর এই শুল্ক কার্যকর হবে—সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশীদার চীন। ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এক বছরে চীন ইরান থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ইরাক, যার আমদানির পরিমাণ প্রায় ১০.৫ বিলিয়ন ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কও ইরানের বড় ক্রেতা। বিশেষ করে তুরস্কে ইরানের রপ্তানি ২০২৪ সালের ৪.৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ৭.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
ইরানের শীর্ষ ১০ রপ্তানি পণ্যের প্রায় সবই জ্বালানি সংশ্লিষ্ট। বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদক দেশ হলেও খাদ্যপণ্য আমদানি করতে হয় ইরানকে। বলা যায়, ইরানের আমদানি করা পণ্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই খাদ্যপণ্য। আমদানি করা এসব খাদ্যপণ্যের মধ্যে ভুট্টা, চাল, সয়াবিন, সূর্যমুখী তেল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে দেশটির সবচেয়ে বড় আমদানি পণ্য হলো সোনা—গত এক বছরে যার পরিমাণ ছিল ৬.৭ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তেল রপ্তানিতে ইরান সাধারণত ‘শ্যাডো শিপিং’ ও চীনের মুদ্রা ইউয়ানে লেনদেনের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চলে। ফলে এই ধরনের বাণিজ্যে নজরদারি করা খুব কঠিন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্ককে আবারও উত্তপ্ত করতে পারে। চীনা পণ্যের ওপর ইতিমধ্যে গড়ে ৩০ শতাংশের বেশি শুল্ক রয়েছে। নতুন করে আরও ২৫ শতাংশ যোগ হলে তা হবে অত্যন্ত উসকানিমূলক পদক্ষেপ। বেইজিং ইতিমধ্যে জানিয়েছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তারা সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে বিপর্যস্ত। দেশটির প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষের বড় অংশই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। গত অক্টোবরে দেশটির মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪৮ শতাংশ। নতুন শুল্ক আরোপ ও বাণিজ্য সংকোচন হলে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে কোনো দেশ ব্যবসা করলে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সব ধরনের বাণিজ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই আদেশ তাৎক্ষণিক কার্যকর এবং চূড়ান্ত।’ তবে কীভাবে, কোন আইনের আওতায় বা কোন দেশগুলোর ওপর এই শুল্ক কার্যকর হবে—সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের শতাধিক দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশীদার চীন। ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এক বছরে চীন ইরান থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি পণ্য আমদানি করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ইরাক, যার আমদানির পরিমাণ প্রায় ১০.৫ বিলিয়ন ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও তুরস্কও ইরানের বড় ক্রেতা। বিশেষ করে তুরস্কে ইরানের রপ্তানি ২০২৪ সালের ৪.৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ৭.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
ইরানের শীর্ষ ১০ রপ্তানি পণ্যের প্রায় সবই জ্বালানি সংশ্লিষ্ট। বিশ্বের অন্যতম বড় তেল উৎপাদক দেশ হলেও খাদ্যপণ্য আমদানি করতে হয় ইরানকে। বলা যায়, ইরানের আমদানি করা পণ্যের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই খাদ্যপণ্য। আমদানি করা এসব খাদ্যপণ্যের মধ্যে ভুট্টা, চাল, সয়াবিন, সূর্যমুখী তেল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তবে দেশটির সবচেয়ে বড় আমদানি পণ্য হলো সোনা—গত এক বছরে যার পরিমাণ ছিল ৬.৭ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তেল রপ্তানিতে ইরান সাধারণত ‘শ্যাডো শিপিং’ ও চীনের মুদ্রা ইউয়ানে লেনদেনের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে চলে। ফলে এই ধরনের বাণিজ্যে নজরদারি করা খুব কঠিন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র–চীন সম্পর্ককে আবারও উত্তপ্ত করতে পারে। চীনা পণ্যের ওপর ইতিমধ্যে গড়ে ৩০ শতাংশের বেশি শুল্ক রয়েছে। নতুন করে আরও ২৫ শতাংশ যোগ হলে তা হবে অত্যন্ত উসকানিমূলক পদক্ষেপ। বেইজিং ইতিমধ্যে জানিয়েছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় তারা সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
এদিকে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে বিপর্যস্ত। দেশটির প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ মানুষের বড় অংশই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। গত অক্টোবরে দেশটির মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪৮ শতাংশ। নতুন শুল্ক আরোপ ও বাণিজ্য সংকোচন হলে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৪ ঘণ্টা আগে