
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমিতে রাশিয়ার কামিকাজ ড্রোন হামলায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা স্থানীয় সময় আজ সোমবার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের উপ-প্রধান পরিচালক কিরিলো তিমোশেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আবাসিক ভবনে রাশিয়ার কামিকাজ ড্রোন হামলা চালানোর ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলমান।’
অপরদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমিতেও রাশিয়ার হামলায় অন্তত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। সুমির গভর্নর হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গভর্নর দিমিত্রো ঝিভৎস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আজ (সোমবার) সকাল ৫টা ২০ মিনিটে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি রকেট আমাদের বেসামরিক অবকাঠামোয় আঘাত করে। এই হামলায় অন্তত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।’ তিনি জানান, এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই রয়ে গেছেন।
এদিকে, স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকালে কিয়েভে অন্তত ২৮টি কামিকাজ ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন কিয়েভের গভর্নর ভিতালি ক্লিৎস্কো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে নিজস্ব চ্যানেলে ক্লিৎস্কো লিখেছেন, ‘আজ সকালে কিয়েভের দিকে ২৮টি ড্রোন উড়ে আসে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষাবাহিনীকে ধন্যবাদ। তাঁরা অধিকাংশই উড়ন্ত শত্রুদের ধ্বংস করেছে।’
উল্লেখ্য, আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৩৫ থেকে ৬টা ৫৮ মিনিটের মধ্যে কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি উপশহরে তিনটি ড্রোন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া বিস্ফোরণের ঠিক আগ মুহূর্তে এয়ার সাইরেন দিয়ে হামলার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর ইরানের তৈরি ‘কামিকাজ ড্রোন’ দিয়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমিতে রাশিয়ার কামিকাজ ড্রোন হামলায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা স্থানীয় সময় আজ সোমবার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের উপ-প্রধান পরিচালক কিরিলো তিমোশেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আবাসিক ভবনে রাশিয়ার কামিকাজ ড্রোন হামলা চালানোর ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলমান।’
অপরদিকে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমিতেও রাশিয়ার হামলায় অন্তত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। সুমির গভর্নর হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গভর্নর দিমিত্রো ঝিভৎস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আজ (সোমবার) সকাল ৫টা ২০ মিনিটে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি রকেট আমাদের বেসামরিক অবকাঠামোয় আঘাত করে। এই হামলায় অন্তত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।’ তিনি জানান, এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই রয়ে গেছেন।
এদিকে, স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকালে কিয়েভে অন্তত ২৮টি কামিকাজ ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন কিয়েভের গভর্নর ভিতালি ক্লিৎস্কো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে নিজস্ব চ্যানেলে ক্লিৎস্কো লিখেছেন, ‘আজ সকালে কিয়েভের দিকে ২৮টি ড্রোন উড়ে আসে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবং আকাশ প্রতিরক্ষাবাহিনীকে ধন্যবাদ। তাঁরা অধিকাংশই উড়ন্ত শত্রুদের ধ্বংস করেছে।’
উল্লেখ্য, আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৩৫ থেকে ৬টা ৫৮ মিনিটের মধ্যে কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি উপশহরে তিনটি ড্রোন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া বিস্ফোরণের ঠিক আগ মুহূর্তে এয়ার সাইরেন দিয়ে হামলার আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর ইরানের তৈরি ‘কামিকাজ ড্রোন’ দিয়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে