
জাতিসংঘ বলছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারে আফিম চাষ এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংঘাত, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশটির কৃষকেরা অবৈধ বাণিজ্যের দিকে ধাবিত হওয়ায় গত এক বছরে পপি চাষ ১৭ শতাংশ বেড়েছে।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দমন সংস্থা (ইউএনওডিসি) এক প্রতিবেদনে বলেছে, এ বছর মিয়ানমারে ৫৩ হাজার ১০০ হেক্টর এলাকাজুড়ে পপি চাষ হয়, যা ২০২৪ সালের ৪৫ হাজার ২০০ হেক্টর থেকে বড় ধরনের বৃদ্ধি। আফগানিস্তানে উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে মিয়ানমার এখন বিশ্বের প্রধান অবৈধ আফিম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে।
ইউএনওডিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিনিধি ডেলফিন শানজ এক বিবৃতিতে বলেন, মিয়ানমার এখন এক সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফিম অর্থনীতির যে ব্যাপক বিস্তার দেখা গেছে, তা ভবিষ্যতে আরও বাড়ার সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করে।
২০২১ সালে সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার পর মিয়ানমার ক্রমাগত রাজনৈতিক অস্থিরতায় রয়েছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সশস্ত্র প্রতিরোধের মধ্যে জান্তা সরকার ২৮ ডিসেম্বর বহুল সমালোচিত সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ইউএনওডিসি জানিয়েছে, ২০২০ সাল থেকে মিয়ানমারে আফিম চাষ ক্রমাগত বাড়ছে। একই সময়ে আফিমের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় এ প্রবণতা আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গেছে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শান রাজ্যে। এখানে আফিম উৎপাদন ৩২ শতাংশ বেড়েছে। আর চিন রাজ্যে বৃদ্ধির হার ২৬ শতাংশ।
তবে দক্ষিণাঞ্চলীয় শান রাজ্যে এই হার ৪৪ শতাংশ। সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে এই তিন রাজ্যেই সংঘাত চলছে।
ইউএনওডিসির প্রতিবেদনের বিষয়ে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের মুখপাত্রের মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করেছিল দ্য গার্ডিয়ান, তবে সাড়া মেলেনি।

ভারতের বিমানবাহিনী মাল্টিরোল ফাইটার এয়ারক্র্যাফট কর্মসূচির আওতায় ফ্রান্সের তৈরি ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে। এ লক্ষ্যে শিগগির ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি রুপির একটি চুক্তি অনুমোদন পেতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে আজ মঙ্গলবার সকালে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে...
১ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস আবারও জানিয়েছে, তারা পশ্চিম তীর ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত বা দখলভুক্ত করার বিরোধী। একই সঙ্গে অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা যে সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদন করেছে, সেগুলোর মাধ্যমে তারা পশ্চিম তীরে নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াতে চায়।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা সৃজনশীল কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এবং নিকট ভবিষ্যতে এই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের কোনো আশঙ্কা নেই। সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে হওয়া আলোচনার পর এমন মন্তব্য করেছেন মধ্যস্থতাকারী দেশ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দেশটির ওপর আরোপ করা সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তাহলে তারা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পুনরায় লঘু করতে প্রস্তুত। ওয়াশিংটনের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু হওয়ার পর গতকাল সোমবার এমন কথা বলেন ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান।
৪ ঘণ্টা আগে