
গত বছর বিশ্বজুড়ে খাদ্যসংকটে পড়া মানুষের দুই-তৃতীয়াংশই মাত্র ১০টি দেশের বাসিন্দা। এই দুই-তৃতীয়াংশের মধ্যে আবার এক-তৃতীয়াংশের বসবাস সুদান, নাইজেরিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে। শুক্রবার প্রকাশিত জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই তালিকায় আছে বাংলাদেশের নামও।

দারিদ্র্য ও মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের স্থবিরতা—এই বহুমুখী চাপে দেশের অর্থনীতি এখন এক জটিল মোড়ে দাঁড়িয়ে। এমন বাস্তবতায় বর্তমান সরকারের সামনে একসঙ্গে ততোধিক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দুর্বল ব্যাংক খাত যেমন...

টানা তিন বছরই কমছে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। অন্যদিকে বেড়ে চলেছে দারিদ্র্য। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিক পতন, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং কর্মসংস্থানে ধীরগতি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা ব্যাহত করছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে ১৪ লাখ মানুষ। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এ সংখ্যা আরও ১২ লাখ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বাংলাদেশে দারিদ্র্য ও দারিদ্র্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় তথ্যভিত্তিক সমাধান এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণে সহায়তা করতে আটটি গবেষক দলকে অনুদান দিয়েছে ‘ডিপ (DEEP) বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ ফান্ড’। নির্বাচিত এই গবেষণা প্রকল্পগুলো থেকে প্রাপ্ত ফলাফল দেশের জাতীয় নীতি, কৌশল এবং উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা