
সামরিক অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পর মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে সব পক্ষ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি, দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি, চীনের ভূমিকা এবং যুদ্ধের মানবিক মূল্য নিয়ে বিস্তারিত।

মিয়ানমারে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে যেতে পারছে না ৬৩ লাখের বেশি শিশু। এই হিসাব অনুসারে, দেশটির মোট স্কুলগামী বয়সী শিশুর প্রায় অর্ধেক এখন শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে। এই পরিস্থিতির জন্য দারিদ্র্য, চলমান সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং প্রশাসনিক জটিলতাকে দায়ী করা হয়েছে।

বেইজিং সফরে গিয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের নেতা সি চিন পিং। বৈঠকে মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। একই সঙ্গে টেলিকম জালিয়াতি, অনলাইন জুয়া ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে যৌথ পদক্ষেপের কথাও বলেন।

মিয়ানমারের জঙ্গলে পাহাড়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা একটি বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন চার তরুণ। তাঁরা কেউই দেশের চলমান গৃহযুদ্ধের অংশ হতে চাননি। সেনাবাহিনীর সদস্য হওয়ারও কোনো ইচ্ছা ছিল না তাঁদের। কিন্তু নানা কৌশলে আটক করে শেষ পর্যন্ত তাঁদের বাধ্য করা হয়েছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে।