
মিয়ানমারের জঙ্গলে পাহাড়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা একটি বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন চার তরুণ। তাঁরা কেউই দেশের চলমান গৃহযুদ্ধের অংশ হতে চাননি। সেনাবাহিনীর সদস্য হওয়ারও কোনো ইচ্ছা ছিল না তাঁদের। কিন্তু নানা কৌশলে আটক করে শেষ পর্যন্ত তাঁদের বাধ্য করা হয়েছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে।

উগান্ডার কিবালে ন্যাশনাল পার্কে বসবাসকারী বিশ্বের বৃহত্তম পরিচিত বন্য শিম্পাঞ্জি দল নিয়ে চাঞ্চল্যকর এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে থাকা এই শিম্পাঞ্জি সম্প্রদায়টি গত আট বছর ধরে কার্যত এক ‘গৃহযুদ্ধ’-এ জড়িয়ে পড়েছে।

ইরান-ইরাক সীমান্তঘেঁষা তুষারঢাকা পাহাড়ে, গোপন এক গুহার ভেতরে বসে তৈরি হচ্ছে এমন এক যুদ্ধের প্রস্তুতি—যা শুধু দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকেই নাড়া দিতে পারে। কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী পেশমার্গা এবং তাদের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলো এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে সুযোগ আর

ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত রুশ বিমানশক্তি, গোয়েন্দা ও যুদ্ধকৌশল এখন মিয়ানমারের সামরিক সরকারের কাজে লাগছে। এর ফলে ৬ বছরে পড়া গৃহযুদ্ধে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দিতে পারছে। মিয়ানমারের জেনারেলদের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব চীনের। চীন–মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে থাকা শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপরও...