
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ৫০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে) এ রোগে ও উপসর্গে ৩১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে দুই ও উপসর্গ নিয়ে ১৫ শিশু মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১১।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হাম ও উপসর্গে ঢাকার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী বিভাগে—৭৩ জনের। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে তিনজন ও উপসর্গে ৭০ জন মারা গেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ জন (উপসর্গে ২৫), সিলেট বিভাগে ১৭ জন (উপসর্গে ১৪) ও বরিশাল বিভাগে ১৫ জনের (উপসর্গে ১০) মৃত্যু হয়েছে।
খুলনায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু না থাকলেও উপসর্গে ১৩ জন মারা গেছে। ময়মনসিংহ বিভাগে নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তবে উপসর্গে কোনো মৃত্যু নেই। রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত হাম বা উপসর্গে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। অন্যদিকে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১১।
৩ ঘণ্টা আগে
আটলান্টিক মহাসাগরে ‘এমভি হোন্ডিয়াস’ নামে একটি প্রমোদতরিতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলছে, এখন পর্যন্ত একজনের শরীরে হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং আরও পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৪।
১ দিন আগে
ঘর পরিষ্কার করতে ব্যবহৃত হওয়া ডিটারজেন্ট-ব্লিচের মতো ক্লিনিং প্রোডাক্টের সংস্পর্শে এসে ঝুঁকিতে পড়ছে হাজারো শিশু। অনেক বাবা-মাই এসব পণ্য শিশুদের নাগালের বাইরে রাখার প্রয়োজন মনে করেন না, যার ফলে হতে পারে অনেক বড় ক্ষতি।
১ দিন আগে