
বিয়ের আগে জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই)। দেশটির স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় (এমওএইচএপি) বলেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে হবু দম্পতির জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
সম্প্রতি আরব আমিরাতের জিনোম কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
২০২২ সাল থেকে ৮০০ জনেরও বেশি দম্পতি এই প্রকল্পের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ দম্পতি জিনগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন। তবে ১৪ শতাংশের ক্ষেত্রে কিছু ব্যত্যয় দেখা গেছে।
এই প্রকল্পের আওতায়, ২০২৫ সালে নতুন পরীক্ষায় ৫৭০টি আলাদা জিন এবং ৮৪০ টিরও বেশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে দম্পতিরা পরিবার পরিকল্পনার সময় তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া এর সাহায্যে আমিরাতের জাতীয় জিনোম স্ট্র্যাটেজি একটি সমন্বিত জেনেটিক ডেটা সিস্টেম গড়ে তুলবে।
বুর্জিল মেডিকেল সিটির জেনেটিকস ক্লিনিক্যাল কনসালট্যান্ট ড. আইমান এল–হাত্তাব জেরুজালেম পোস্টকে বলেছেন, জিন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি জন্মসূত্রে আসা রোগ যেমন–থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে আবুধাবিতে এই প্রকল্প চালু হয়। সফলতা বিবেচনায় ২০২৫ সাল থেকে পুরো আরব আমিরাতে প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ আমিরাতি নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বংশগত রোগের ঝুঁকি কমাবে।

বিয়ের আগে জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই)। দেশটির স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় (এমওএইচএপি) বলেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে হবু দম্পতির জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
সম্প্রতি আরব আমিরাতের জিনোম কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
২০২২ সাল থেকে ৮০০ জনেরও বেশি দম্পতি এই প্রকল্পের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ দম্পতি জিনগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন। তবে ১৪ শতাংশের ক্ষেত্রে কিছু ব্যত্যয় দেখা গেছে।
এই প্রকল্পের আওতায়, ২০২৫ সালে নতুন পরীক্ষায় ৫৭০টি আলাদা জিন এবং ৮৪০ টিরও বেশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে দম্পতিরা পরিবার পরিকল্পনার সময় তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া এর সাহায্যে আমিরাতের জাতীয় জিনোম স্ট্র্যাটেজি একটি সমন্বিত জেনেটিক ডেটা সিস্টেম গড়ে তুলবে।
বুর্জিল মেডিকেল সিটির জেনেটিকস ক্লিনিক্যাল কনসালট্যান্ট ড. আইমান এল–হাত্তাব জেরুজালেম পোস্টকে বলেছেন, জিন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি জন্মসূত্রে আসা রোগ যেমন–থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে আবুধাবিতে এই প্রকল্প চালু হয়। সফলতা বিবেচনায় ২০২৫ সাল থেকে পুরো আরব আমিরাতে প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ আমিরাতি নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বংশগত রোগের ঝুঁকি কমাবে।

বিয়ের আগে জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই)। দেশটির স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় (এমওএইচএপি) বলেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে হবু দম্পতির জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
সম্প্রতি আরব আমিরাতের জিনোম কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
২০২২ সাল থেকে ৮০০ জনেরও বেশি দম্পতি এই প্রকল্পের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ দম্পতি জিনগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন। তবে ১৪ শতাংশের ক্ষেত্রে কিছু ব্যত্যয় দেখা গেছে।
এই প্রকল্পের আওতায়, ২০২৫ সালে নতুন পরীক্ষায় ৫৭০টি আলাদা জিন এবং ৮৪০ টিরও বেশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে দম্পতিরা পরিবার পরিকল্পনার সময় তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া এর সাহায্যে আমিরাতের জাতীয় জিনোম স্ট্র্যাটেজি একটি সমন্বিত জেনেটিক ডেটা সিস্টেম গড়ে তুলবে।
বুর্জিল মেডিকেল সিটির জেনেটিকস ক্লিনিক্যাল কনসালট্যান্ট ড. আইমান এল–হাত্তাব জেরুজালেম পোস্টকে বলেছেন, জিন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি জন্মসূত্রে আসা রোগ যেমন–থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে আবুধাবিতে এই প্রকল্প চালু হয়। সফলতা বিবেচনায় ২০২৫ সাল থেকে পুরো আরব আমিরাতে প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ আমিরাতি নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বংশগত রোগের ঝুঁকি কমাবে।

বিয়ের আগে জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই)। দেশটির স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় (এমওএইচএপি) বলেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে হবু দম্পতির জিন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে।
সম্প্রতি আরব আমিরাতের জিনোম কাউন্সিলের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারের বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
২০২২ সাল থেকে ৮০০ জনেরও বেশি দম্পতি এই প্রকল্পের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ৮৬ শতাংশ দম্পতি জিনগতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলেন। তবে ১৪ শতাংশের ক্ষেত্রে কিছু ব্যত্যয় দেখা গেছে।
এই প্রকল্পের আওতায়, ২০২৫ সালে নতুন পরীক্ষায় ৫৭০টি আলাদা জিন এবং ৮৪০ টিরও বেশি স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে দম্পতিরা পরিবার পরিকল্পনার সময় তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আমিরাতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া এর সাহায্যে আমিরাতের জাতীয় জিনোম স্ট্র্যাটেজি একটি সমন্বিত জেনেটিক ডেটা সিস্টেম গড়ে তুলবে।
বুর্জিল মেডিকেল সিটির জেনেটিকস ক্লিনিক্যাল কনসালট্যান্ট ড. আইমান এল–হাত্তাব জেরুজালেম পোস্টকে বলেছেন, জিন পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি জন্মসূত্রে আসা রোগ যেমন–থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করতে সহায়তা করে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে আবুধাবিতে এই প্রকল্প চালু হয়। সফলতা বিবেচনায় ২০২৫ সাল থেকে পুরো আরব আমিরাতে প্রকল্পটি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ আমিরাতি নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বংশগত রোগের ঝুঁকি কমাবে।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যয় হ্রাসে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আজীবন লালিত স্বপ্ন নতুনভাবে পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা আগের ১৫৯টি থেকে বাড়িয়ে এখন ২৯৫টিতে উন্নীত করা হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও ১৩৬টি ওষুধ এই তালিকায় যুক্ত হলো। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের বিষয়টি হলো—এই ২৯৫টি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) এখন থেকে সরাসরি সরকার নির্ধারণ করে দেবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সাল থেকে মাত্র ১১৭টি ওষুধের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর সুযোগ নিয়ে গত কয়েক দশকে অন্য ১ হাজার ৩০০-এর বেশি ওষুধের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গিয়েছিল। সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ ওষুধের বাজারের সেই একাধিপত্য ও বিশৃঙ্খলা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তালিকার ২৯৫টি ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব। এর ফলে সাধারণ রোগীদের পকেটের ওপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি মানসম্মত ওষুধের প্রাপ্যতাও নিশ্চিত হবে। ওষুধকে বিলাসী পণ্য নয়, বরং মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা আরও শক্তিশালী হলো।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ঔষধ নীতি
১৯৮২ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাত ধরে যে ঐতিহাসিক জাতীয় ঔষধ নীতি তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তকে তারই আধুনিক পুনর্জাগরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বল্পমূল্যে মানসম্মত ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়ন হয়, যার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এই নীতির কারণে বাংলাদেশে ওষুধের দাম শুধু সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই আসেনি, বরং বিশ্বের ১৪৭টির মতো দেশে এখন ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।
জাতীয় ওষুধ নীতি, ১৯৮২ সালের ১২ জুন অধ্যাদেশ আকারে জারি হয়। এর আগে পর্যন্ত ১৯৪০ সালের ওষুধ আইন এবং ১৯৪৬ সালের বেঙ্গল ওষুধ রুল এবং ১৯৭০ সালের বেঙ্গল ওষুধ রুল (সংশোধিত) চালু ছিল। এর আগে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে চাহিদার ৭০ শতাংশের বেশি ওষুধ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হতো। এ কারণে সাধারণ রোগের ওষুধ থেকে থেকে শুরু করে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
ওষুধ নীতির কারণে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে ওষুধ উৎপাদন শুরু হয়, যার ফলে আমদানি নির্ভরতা কমে আসে, বাংলাদেশ ক্রমেই ওষুধের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করে।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যয় হ্রাসে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আজীবন লালিত স্বপ্ন নতুনভাবে পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা আগের ১৫৯টি থেকে বাড়িয়ে এখন ২৯৫টিতে উন্নীত করা হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও ১৩৬টি ওষুধ এই তালিকায় যুক্ত হলো। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের বিষয়টি হলো—এই ২৯৫টি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) এখন থেকে সরাসরি সরকার নির্ধারণ করে দেবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৪ সাল থেকে মাত্র ১১৭টি ওষুধের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর সুযোগ নিয়ে গত কয়েক দশকে অন্য ১ হাজার ৩০০-এর বেশি ওষুধের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গিয়েছিল। সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ ওষুধের বাজারের সেই একাধিপত্য ও বিশৃঙ্খলা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তালিকার ২৯৫টি ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সম্ভব। এর ফলে সাধারণ রোগীদের পকেটের ওপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি মানসম্মত ওষুধের প্রাপ্যতাও নিশ্চিত হবে। ওষুধকে বিলাসী পণ্য নয়, বরং মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে দেখার যে দৃষ্টিভঙ্গি, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তা আরও শক্তিশালী হলো।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ঔষধ নীতি
১৯৮২ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাত ধরে যে ঐতিহাসিক জাতীয় ঔষধ নীতি তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তকে তারই আধুনিক পুনর্জাগরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বল্পমূল্যে মানসম্মত ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়ন হয়, যার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এই নীতির কারণে বাংলাদেশে ওষুধের দাম শুধু সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই আসেনি, বরং বিশ্বের ১৪৭টির মতো দেশে এখন ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।
জাতীয় ওষুধ নীতি, ১৯৮২ সালের ১২ জুন অধ্যাদেশ আকারে জারি হয়। এর আগে পর্যন্ত ১৯৪০ সালের ওষুধ আইন এবং ১৯৪৬ সালের বেঙ্গল ওষুধ রুল এবং ১৯৭০ সালের বেঙ্গল ওষুধ রুল (সংশোধিত) চালু ছিল। এর আগে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে চাহিদার ৭০ শতাংশের বেশি ওষুধ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করতে হতো। এ কারণে সাধারণ রোগের ওষুধ থেকে থেকে শুরু করে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম ছিল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
ওষুধ নীতির কারণে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে ওষুধ উৎপাদন শুরু হয়, যার ফলে আমদানি নির্ভরতা কমে আসে, বাংলাদেশ ক্রমেই ওষুধের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করে।

এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে।
০৩ জানুয়ারি ২০২৫
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগেমোহাম্মদ ইকবাল হোসেন

কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো—
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য যে খাবারগুলো উপকারী
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সঠিক খাবার ব্যবস্থাপনা প্রধান ভূমিকা পালন করে। আঁশসমৃদ্ধ যেকোনো খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও প্রতিকারে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে যেসব খাবার পরিত্যাগ করা ভালো
সঠিক খাদ্যাভ্যাসই যেহেতু কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান চিকিৎসা। তাই কিছু খাবার বাদ দিতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে। সেগুলোর মধ্যে আছে—
কখন আপনাকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে
সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পরেও যদি কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘস্থায়ী হয়, মলের সঙ্গে রক্ত যায় এবং মলদ্বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আর দেরি না করে অবশ্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ, মলদ্বার দীর্ঘদিন ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
জটিলতা
কোষ্ঠকাঠিন্য এক থেকে তিন মাসের বেশি স্থায়ী এবং ঘন ঘন হলে, পায়খানার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাইলস, অ্যানাল ফিশার, মলদ্বার বের হয়ে আসা, পেট ফাঁপা বা অরুচির মতো কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা, অবসাদ, অনিদ্রা, চোখে ব্যথা, চোখের নিচে কালি পড়া, মাথা ঘোরার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
তবে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য
দূর করা খুব সহজ। এ সময় বাজারে প্রচুর শাক ও সবজি পাওয়া যায়; যেগুলো মূলত আঁশযুক্ত। নিয়মিত সেসব খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং সুস্থ থাকুন।
পরামর্শ দিয়েছন: মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো—
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য যে খাবারগুলো উপকারী
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সঠিক খাবার ব্যবস্থাপনা প্রধান ভূমিকা পালন করে। আঁশসমৃদ্ধ যেকোনো খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও প্রতিকারে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে যেসব খাবার পরিত্যাগ করা ভালো
সঠিক খাদ্যাভ্যাসই যেহেতু কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান চিকিৎসা। তাই কিছু খাবার বাদ দিতে হবে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে। সেগুলোর মধ্যে আছে—
কখন আপনাকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে
সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পরেও যদি কোষ্ঠকাঠিন্য দীর্ঘস্থায়ী হয়, মলের সঙ্গে রক্ত যায় এবং মলদ্বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে আর দেরি না করে অবশ্য একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ, মলদ্বার দীর্ঘদিন ক্ষতিগ্রস্ত থাকলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
জটিলতা
কোষ্ঠকাঠিন্য এক থেকে তিন মাসের বেশি স্থায়ী এবং ঘন ঘন হলে, পায়খানার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাইলস, অ্যানাল ফিশার, মলদ্বার বের হয়ে আসা, পেট ফাঁপা বা অরুচির মতো কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া রক্তস্বল্পতা, অবসাদ, অনিদ্রা, চোখে ব্যথা, চোখের নিচে কালি পড়া, মাথা ঘোরার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
তবে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য
দূর করা খুব সহজ। এ সময় বাজারে প্রচুর শাক ও সবজি পাওয়া যায়; যেগুলো মূলত আঁশযুক্ত। নিয়মিত সেসব খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং সুস্থ থাকুন।
পরামর্শ দিয়েছন: মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ পুষ্টি কর্মকর্তা চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে।
০৩ জানুয়ারি ২০২৫
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগেফিচার ডেস্ক

শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে। এই সময় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠে। সারা বছর কানে সংক্রমণ হলেও শীতকালে এর প্রকোপ বেড়ে যায়। এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় জেনে রাখলে সুবিধা পাওয়া যায়।
নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড-নেক সার্জন ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী বলেন, সাধারণত কানের বাইরের দিকে বা মিডল ইয়ারে সংক্রমণ হয়ে থাকে। ঠান্ডা লাগলে নাকের সর্দি কানের দিকে চলে গিয়ে সংক্রমণ হয়। বয়স্ক থেকে শিশু—সবার এটি হতে পারে।
শরীর ও কান উষ্ণ রাখুন
শীতকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সচল রাখতে গরম কাপড় পরা জরুরি। আমাদের কানের বেশির ভাগ অংশ কার্টিলেজ কিংবা তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত এবং এতে চর্বির স্তর খুব পাতলা থাকে। তাই শরীরের অন্য অংশের তুলনায় কান খুব দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে কান ঢেকে রাখা উচিত। একে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে মাফলার, কানটুপি অথবা ইয়ারমাফ ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে এক্সোস্টোসিস নামক সমস্যা থেকে রক্ষা করবে।
অতিরিক্ত শব্দ থেকে সাবধান
শীতকালে যেকোনো মেশিন বা বড় কোনো যন্ত্র ব্যবহারের সময় কানের সুরক্ষায় ভুল করবেন না। মনে রাখবেন, ৭০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ কানের ক্ষতি করতে শুরু করে। তাই যদি এমন কোনো জায়গায় থাকেন বা কাজ করেন, যেখানে অনেক শব্দ; সেখানে নয়েজ-রিডিউসিং হেডফোন বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ান
শীতকালে সর্দি কিংবা আপার রেসপিরেটরি সংক্রমণ থেকে কানে প্রচণ্ড ব্যথা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ডায়েটে ভিটামিন সি, ডি, জিঙ্ক এবং প্রোবায়োটিকসসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। প্রচুর ফলমূল, শাকসবজি ও পানি পান করার পাশাপাশি শরীরচর্চা করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। মানসিক চাপ কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী চাপ শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শীতকাল এলেই যাঁদের কানের সংক্রমণে ভুগতে হয়, তাঁদের নিয়মিত নাক পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী। তিনি বলেন, এতে সংক্রমণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পথ বা নালি স্বাভাবিক থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বাজারে প্রচলিত সাধারণ স্যালাইন নাকের ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। শীতকালে ঠান্ডা সর্দি লাগার পর অনেক শিশু তাদের কানের ব্যথার কথা বলে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শের কথা বলেন তিনি।
কান শুকনো রাখুন
বৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে কানে আর্দ্রতা জমে গেলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়। ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী বলেন, খুব ঠান্ডা লেগে আপার রেসপিরেটরি ট্রাক্টে সংক্রমণ হলে তা পৌঁছে যেতে পারে কানে। সাধারণত এ ক্ষেত্রে স্ট্রেপটোককাস নিউমোনিয়া বা হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ব্যাকটেরিয়া কানে প্রদাহ তৈরি করে। সেখান থেকে কানের মাঝখানের অংশে তরল পদার্থ জমা হয়। গোসলের পর কিংবা বাইরে থেকে ফেরার পর কানের ছিদ্রের চারপাশ নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। কানে পানি ঢুকলে মাথা কাত করে কানের লতি টেনে পানি বের করে দিন।
হিয়ারিং এইডের বিশেষ যত্ন
যদি আপনি হিয়ারিং এইড ব্যবহার করেন, তাহলে শীতকালে এর বাড়তি যত্নের প্রয়োজন আছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে এই যন্ত্রের ব্যাটারির আয়ু কমে যায় এবং বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর হিয়ারিং এইডের ভেতরে আর্দ্রতা অথবা কনডেনসেশন তৈরি হতে পারে। বাইরে যাওয়ার সময় কানটুপির নিচে হিয়ারিং এইড ঢেকে রাখুন। ঘরে ফেরার পর ব্যাটারি কম্পার্টমেন্ট খুলে রাখতে হবে, যাতে বাতাস ঢুকে জমে থাকা জলীয় বাষ্প শুকিয়ে যেতে
সহায়ক হয়।

শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে। এই সময় বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠে। সারা বছর কানে সংক্রমণ হলেও শীতকালে এর প্রকোপ বেড়ে যায়। এর কারণ ও প্রতিকারের উপায় জেনে রাখলে সুবিধা পাওয়া যায়।
নাক-কান-গলা রোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড-নেক সার্জন ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী বলেন, সাধারণত কানের বাইরের দিকে বা মিডল ইয়ারে সংক্রমণ হয়ে থাকে। ঠান্ডা লাগলে নাকের সর্দি কানের দিকে চলে গিয়ে সংক্রমণ হয়। বয়স্ক থেকে শিশু—সবার এটি হতে পারে।
শরীর ও কান উষ্ণ রাখুন
শীতকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সচল রাখতে গরম কাপড় পরা জরুরি। আমাদের কানের বেশির ভাগ অংশ কার্টিলেজ কিংবা তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত এবং এতে চর্বির স্তর খুব পাতলা থাকে। তাই শরীরের অন্য অংশের তুলনায় কান খুব দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামলে কান ঢেকে রাখা উচিত। একে ঠান্ডা থেকে বাঁচাতে মাফলার, কানটুপি অথবা ইয়ারমাফ ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে এক্সোস্টোসিস নামক সমস্যা থেকে রক্ষা করবে।
অতিরিক্ত শব্দ থেকে সাবধান
শীতকালে যেকোনো মেশিন বা বড় কোনো যন্ত্র ব্যবহারের সময় কানের সুরক্ষায় ভুল করবেন না। মনে রাখবেন, ৭০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ কানের ক্ষতি করতে শুরু করে। তাই যদি এমন কোনো জায়গায় থাকেন বা কাজ করেন, যেখানে অনেক শব্দ; সেখানে নয়েজ-রিডিউসিং হেডফোন বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ান
শীতকালে সর্দি কিংবা আপার রেসপিরেটরি সংক্রমণ থেকে কানে প্রচণ্ড ব্যথা ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ডায়েটে ভিটামিন সি, ডি, জিঙ্ক এবং প্রোবায়োটিকসসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। প্রচুর ফলমূল, শাকসবজি ও পানি পান করার পাশাপাশি শরীরচর্চা করুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। মানসিক চাপ কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন। কারণ, দীর্ঘস্থায়ী চাপ শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। শীতকাল এলেই যাঁদের কানের সংক্রমণে ভুগতে হয়, তাঁদের নিয়মিত নাক পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী। তিনি বলেন, এতে সংক্রমণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পথ বা নালি স্বাভাবিক থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে বাজারে প্রচলিত সাধারণ স্যালাইন নাকের ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। শীতকালে ঠান্ডা সর্দি লাগার পর অনেক শিশু তাদের কানের ব্যথার কথা বলে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শের কথা বলেন তিনি।
কান শুকনো রাখুন
বৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে কানে আর্দ্রতা জমে গেলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়। ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী বলেন, খুব ঠান্ডা লেগে আপার রেসপিরেটরি ট্রাক্টে সংক্রমণ হলে তা পৌঁছে যেতে পারে কানে। সাধারণত এ ক্ষেত্রে স্ট্রেপটোককাস নিউমোনিয়া বা হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ব্যাকটেরিয়া কানে প্রদাহ তৈরি করে। সেখান থেকে কানের মাঝখানের অংশে তরল পদার্থ জমা হয়। গোসলের পর কিংবা বাইরে থেকে ফেরার পর কানের ছিদ্রের চারপাশ নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। কানে পানি ঢুকলে মাথা কাত করে কানের লতি টেনে পানি বের করে দিন।
হিয়ারিং এইডের বিশেষ যত্ন
যদি আপনি হিয়ারিং এইড ব্যবহার করেন, তাহলে শীতকালে এর বাড়তি যত্নের প্রয়োজন আছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে এই যন্ত্রের ব্যাটারির আয়ু কমে যায় এবং বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর হিয়ারিং এইডের ভেতরে আর্দ্রতা অথবা কনডেনসেশন তৈরি হতে পারে। বাইরে যাওয়ার সময় কানটুপির নিচে হিয়ারিং এইড ঢেকে রাখুন। ঘরে ফেরার পর ব্যাটারি কম্পার্টমেন্ট খুলে রাখতে হবে, যাতে বাতাস ঢুকে জমে থাকা জলীয় বাষ্প শুকিয়ে যেতে
সহায়ক হয়।

এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে।
০৩ জানুয়ারি ২০২৫
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগেফিচার ডেস্ক

ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
সবার জন্য ৮টা ঘুমানো সম্ভব না-ও হতে পারে, তবে মাঝরাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো নয়। যাঁরা নাইট আউল অর্থাৎ রাতে জাগতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দ্রুত ঘুমানো একটু কঠিন হতে পারে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে রাতে সহজে ঘুমিয়ে পড়া সম্ভব।
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে ঘুমালে ঘুমের মান খারাপ হয়। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের স্বাভাবিক ঘুম চক্রে ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, শরীরের স্বাভাবিক সার্কেডিয়ান রিদমের সঙ্গে মিল রেখে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
কীভাবে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন
৮টি সহজ অভ্যাস মেনে চললে রাতে দ্রুত ঘুমানো সহজ হবে— নির্দিষ্ট সময় মেনে ঘুমানো: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। ছুটির দিনে দেরি করে ওঠার লোভ থাকলেও নিয়ম ভাঙা ঠিক নয়।
সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকসে থাকা ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে। তাই শোয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান না করাই ভালো।
স্ক্রিন টাইম কমানো: মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরি হতে বাধা দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে এসব ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করুন।
ঘুমের আগে রুটিন তৈরি করা: ঘুমানোর আগে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা গরম পানিতে গোসল শরীর শান্ত করে। ধ্যান কিংবা মেডিটেশন মানসিক চাপ কমিয়ে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
ভারী খাবার এড়িয়ে চলা: রাতে বেশি ঝাল বা ভারী খাবার খেলে বদহজম হয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুমানোর অনেক আগে হালকা খাবার, যেমন কলা বা দই খাওয়া ভালো।
রাতে ভারী ব্যায়াম নয়: ব্যায়াম শরীরের জন্য ভালো হলেও রাতে বেশি কসরত করলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। তাই ঘুমানোর ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করুন।
দিনে রোদে বের হওয়া: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে রোদে থাকা ভালো।
বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করা: বিছানায় বসে মোবাইল দেখা, কাজ করা অথবা খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্ক বিছানাকে ঘুমের জায়গা হিসেবে মনে করে না। তাই বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন।
সূত্র: হেলথশট

ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
সবার জন্য ৮টা ঘুমানো সম্ভব না-ও হতে পারে, তবে মাঝরাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো নয়। যাঁরা নাইট আউল অর্থাৎ রাতে জাগতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দ্রুত ঘুমানো একটু কঠিন হতে পারে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে রাতে সহজে ঘুমিয়ে পড়া সম্ভব।
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে ঘুমালে ঘুমের মান খারাপ হয়। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের স্বাভাবিক ঘুম চক্রে ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, শরীরের স্বাভাবিক সার্কেডিয়ান রিদমের সঙ্গে মিল রেখে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
কীভাবে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন
৮টি সহজ অভ্যাস মেনে চললে রাতে দ্রুত ঘুমানো সহজ হবে— নির্দিষ্ট সময় মেনে ঘুমানো: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। ছুটির দিনে দেরি করে ওঠার লোভ থাকলেও নিয়ম ভাঙা ঠিক নয়।
সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকসে থাকা ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে। তাই শোয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান না করাই ভালো।
স্ক্রিন টাইম কমানো: মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরি হতে বাধা দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে এসব ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করুন।
ঘুমের আগে রুটিন তৈরি করা: ঘুমানোর আগে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা গরম পানিতে গোসল শরীর শান্ত করে। ধ্যান কিংবা মেডিটেশন মানসিক চাপ কমিয়ে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
ভারী খাবার এড়িয়ে চলা: রাতে বেশি ঝাল বা ভারী খাবার খেলে বদহজম হয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুমানোর অনেক আগে হালকা খাবার, যেমন কলা বা দই খাওয়া ভালো।
রাতে ভারী ব্যায়াম নয়: ব্যায়াম শরীরের জন্য ভালো হলেও রাতে বেশি কসরত করলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। তাই ঘুমানোর ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করুন।
দিনে রোদে বের হওয়া: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে রোদে থাকা ভালো।
বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করা: বিছানায় বসে মোবাইল দেখা, কাজ করা অথবা খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্ক বিছানাকে ঘুমের জায়গা হিসেবে মনে করে না। তাই বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন।
সূত্র: হেলথশট

এই উদ্যোগ আমিরাতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই সুস্থ জীবন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিন পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রোগের ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রাথমিক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হবে।
০৩ জানুয়ারি ২০২৫
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে