ফিচার ডেস্ক

ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
সবার জন্য ৮টা ঘুমানো সম্ভব না-ও হতে পারে, তবে মাঝরাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো নয়। যাঁরা নাইট আউল অর্থাৎ রাতে জাগতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দ্রুত ঘুমানো একটু কঠিন হতে পারে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে রাতে সহজে ঘুমিয়ে পড়া সম্ভব।
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে ঘুমালে ঘুমের মান খারাপ হয়। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের স্বাভাবিক ঘুম চক্রে ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, শরীরের স্বাভাবিক সার্কেডিয়ান রিদমের সঙ্গে মিল রেখে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
কীভাবে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন
৮টি সহজ অভ্যাস মেনে চললে রাতে দ্রুত ঘুমানো সহজ হবে— নির্দিষ্ট সময় মেনে ঘুমানো: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। ছুটির দিনে দেরি করে ওঠার লোভ থাকলেও নিয়ম ভাঙা ঠিক নয়।
সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকসে থাকা ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে। তাই শোয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান না করাই ভালো।
স্ক্রিন টাইম কমানো: মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরি হতে বাধা দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে এসব ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করুন।
ঘুমের আগে রুটিন তৈরি করা: ঘুমানোর আগে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা গরম পানিতে গোসল শরীর শান্ত করে। ধ্যান কিংবা মেডিটেশন মানসিক চাপ কমিয়ে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
ভারী খাবার এড়িয়ে চলা: রাতে বেশি ঝাল বা ভারী খাবার খেলে বদহজম হয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুমানোর অনেক আগে হালকা খাবার, যেমন কলা বা দই খাওয়া ভালো।
রাতে ভারী ব্যায়াম নয়: ব্যায়াম শরীরের জন্য ভালো হলেও রাতে বেশি কসরত করলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। তাই ঘুমানোর ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করুন।
দিনে রোদে বের হওয়া: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে রোদে থাকা ভালো।
বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করা: বিছানায় বসে মোবাইল দেখা, কাজ করা অথবা খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্ক বিছানাকে ঘুমের জায়গা হিসেবে মনে করে না। তাই বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন।
সূত্র: হেলথশট

ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
সবার জন্য ৮টা ঘুমানো সম্ভব না-ও হতে পারে, তবে মাঝরাত পর্যন্ত জেগে থাকা ভালো নয়। যাঁরা নাইট আউল অর্থাৎ রাতে জাগতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দ্রুত ঘুমানো একটু কঠিন হতে পারে। তবে কিছু অভ্যাস গড়ে তুললে রাতে সহজে ঘুমিয়ে পড়া সম্ভব।
রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা
গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে ঘুমালে ঘুমের মান খারাপ হয়। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, রাতে দেরিতে ঘুমানো শরীরের স্বাভাবিক ঘুম চক্রে ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, শরীরের স্বাভাবিক সার্কেডিয়ান রিদমের সঙ্গে মিল রেখে রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া সবচেয়ে ভালো।
কীভাবে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন
৮টি সহজ অভ্যাস মেনে চললে রাতে দ্রুত ঘুমানো সহজ হবে— নির্দিষ্ট সময় মেনে ঘুমানো: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ওঠার চেষ্টা করুন। এতে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। ছুটির দিনে দেরি করে ওঠার লোভ থাকলেও নিয়ম ভাঙা ঠিক নয়।
সন্ধ্যার পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা: চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংকসে থাকা ক্যাফেইন ঘুম নষ্ট করে। তাই শোয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান না করাই ভালো।
স্ক্রিন টাইম কমানো: মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে নির্গত নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন তৈরি হতে বাধা দেয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে এসব ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করুন।
ঘুমের আগে রুটিন তৈরি করা: ঘুমানোর আগে বই পড়া, হালকা গান শোনা বা গরম পানিতে গোসল শরীর শান্ত করে। ধ্যান কিংবা মেডিটেশন মানসিক চাপ কমিয়ে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।
ভারী খাবার এড়িয়ে চলা: রাতে বেশি ঝাল বা ভারী খাবার খেলে বদহজম হয়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়। ঘুমানোর অনেক আগে হালকা খাবার, যেমন কলা বা দই খাওয়া ভালো।
রাতে ভারী ব্যায়াম নয়: ব্যায়াম শরীরের জন্য ভালো হলেও রাতে বেশি কসরত করলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। এতে ঘুম আসতে সমস্যা হয়। তাই ঘুমানোর ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে ব্যায়াম শেষ করুন।
দিনে রোদে বের হওয়া: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে রোদে থাকা ভালো।
বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করা: বিছানায় বসে মোবাইল দেখা, কাজ করা অথবা খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্ক বিছানাকে ঘুমের জায়গা হিসেবে মনে করে না। তাই বিছানা শুধু ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন।
সূত্র: হেলথশট

কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বছর শেষে অনেকে হিসাব মেলান, বছর কেমন গেল। সব হিসাব শেষ করে বছরের শুরু থেকে শুরু করুন নতুন কিছু। সেই পরিবর্তনগুলো মানসিক শান্তি আনুক আপনার জীবনে। স্বাস্থ্যের পাশাপাশি নিজের মনের যত্ন নেওয়া জরুরি। বছর শুরুর আগে আপনার মানসিক সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মেনে চলতে পারেন কিছু কার্যকর কৌশল।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের অন্যতম উৎস হলো ডিম। তবে এর উপকার পেতে হলে রান্নার পদ্ধতির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া জরুরি। ভুল পদ্ধতিতে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি বাড়ায়।
১৭ ঘণ্টা আগে