
আজকের ঝলমলে স্কাইস্ক্রেপার, বিলাসবহুল জীবনযাত্রা আর আধুনিকতার প্রতীক দুবাই কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ভারত বা পাকিস্তানের প্রশাসনিক অংশ হিসেবে কল্পনা করা সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। তবে ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, মাত্র আট দশক আগেও দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগোলিক রূপরেখা এমন ছিল না।

দেশের হাজার কোটি টাকা পাচার করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিপুল সম্পদের মালিক বনে যাওয়া ৪৫৯ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে প্রায় তিন বছর আগে অনুসন্ধান শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের সবাই দুবাইয়ের ‘গোল্ডেন ভিসাধারী’।

সরকার দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও কেন জামিন দেওয়া হলো—এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না জেনে মন্তব্য করতে চান না। তবে সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করে বিষয়টি পর্যালোচনা ও জামিন বাতিলের আবেদন করতে ল ফার্মকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘আমি মঞ্চে বসেই বিষয়টি শুনেছি। সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি দুবাইয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কয়েক দিন আগেই আমরা শুধু এই বিষয়টি পরিচালনার জন্য একটি ল ফার্ম নিয়োগ করেছি। তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে।’