গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
আজ রোববার ভোরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীর বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্যারালাইসিস মুরাদ হোসেন তাঁর কেয়ারটেকার আহাদকে নিয়ে ওই খামার বাড়িতে থাকেন। আহাদ অসুস্থ মুরাদ ও তাঁর খামার বাড়ি দেখভাল করতেন। এ বাড়িতে রয়েছে বড় একটি গরুর খামার ও পুকুর। আজ ভোরের দিকে দুর্বৃত্তরা একতলা ভবনের জানালার গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। টের পেয়ে বাধা দিতে গেলে কেয়ারটেকার ও মুরাদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা।
মুরাদের চাচাতো ভাই আজিজুর রহমান বলেন, ‘সকালে প্রতিবেশীরা খামার বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁদের পড়ে থাকতে দেখেন। আমরা এসে মুরাদকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। মুরাদের চোখ, মুখ, মাথাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে কোপের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মুরাদকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ঘটনার তদন্তে ক্রাইমসিনসহ পুলিশের সব কটি ইউনিট কাজ করছে।

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
আজ রোববার ভোরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীর বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্যারালাইসিস মুরাদ হোসেন তাঁর কেয়ারটেকার আহাদকে নিয়ে ওই খামার বাড়িতে থাকেন। আহাদ অসুস্থ মুরাদ ও তাঁর খামার বাড়ি দেখভাল করতেন। এ বাড়িতে রয়েছে বড় একটি গরুর খামার ও পুকুর। আজ ভোরের দিকে দুর্বৃত্তরা একতলা ভবনের জানালার গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। টের পেয়ে বাধা দিতে গেলে কেয়ারটেকার ও মুরাদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা।
মুরাদের চাচাতো ভাই আজিজুর রহমান বলেন, ‘সকালে প্রতিবেশীরা খামার বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁদের পড়ে থাকতে দেখেন। আমরা এসে মুরাদকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। মুরাদের চোখ, মুখ, মাথাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে কোপের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মুরাদকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ঘটনার তদন্তে ক্রাইমসিনসহ পুলিশের সব কটি ইউনিট কাজ করছে।
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
আজ রোববার ভোরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীর বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্যারালাইসিস মুরাদ হোসেন তাঁর কেয়ারটেকার আহাদকে নিয়ে ওই খামার বাড়িতে থাকেন। আহাদ অসুস্থ মুরাদ ও তাঁর খামার বাড়ি দেখভাল করতেন। এ বাড়িতে রয়েছে বড় একটি গরুর খামার ও পুকুর। আজ ভোরের দিকে দুর্বৃত্তরা একতলা ভবনের জানালার গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। টের পেয়ে বাধা দিতে গেলে কেয়ারটেকার ও মুরাদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা।
মুরাদের চাচাতো ভাই আজিজুর রহমান বলেন, ‘সকালে প্রতিবেশীরা খামার বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁদের পড়ে থাকতে দেখেন। আমরা এসে মুরাদকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। মুরাদের চোখ, মুখ, মাথাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে কোপের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মুরাদকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ঘটনার তদন্তে ক্রাইমসিনসহ পুলিশের সব কটি ইউনিট কাজ করছে।

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
আজ রোববার ভোরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীর বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী প্যারালাইসিস মুরাদ হোসেন তাঁর কেয়ারটেকার আহাদকে নিয়ে ওই খামার বাড়িতে থাকেন। আহাদ অসুস্থ মুরাদ ও তাঁর খামার বাড়ি দেখভাল করতেন। এ বাড়িতে রয়েছে বড় একটি গরুর খামার ও পুকুর। আজ ভোরের দিকে দুর্বৃত্তরা একতলা ভবনের জানালার গ্লাস খুলে ভেতরে ঢুকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। টের পেয়ে বাধা দিতে গেলে কেয়ারটেকার ও মুরাদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা।
মুরাদের চাচাতো ভাই আজিজুর রহমান বলেন, ‘সকালে প্রতিবেশীরা খামার বাড়ির দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ঘরে ঢুকে তাঁদের পড়ে থাকতে দেখেন। আমরা এসে মুরাদকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। মুরাদের চোখ, মুখ, মাথাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে কোপের চিহ্ন রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য মুরাদকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ঘটনার তদন্তে ক্রাইমসিনসহ পুলিশের সব কটি ইউনিট কাজ করছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগেআমানুর রহমান রনি, ঢাকা

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের উদ্দেশ্য শেষ পর্যন্ত অজানা থেকে যায়।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, পরিচিত কিছু অপরাধী বা পৃষ্ঠপোষকের ওপর দায় চাপালে জনমনে সহজে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়—এমন একটি হিসাব থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ এই পথ বেছে নেয়। এতে গভীর তদন্ত করে প্রকৃত পরিকল্পনাকারীর পরিচয় এবং হত্যার কারণ জেনে বিচার করার চাপ কমে। এর ফলে আলোচিত কিছু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ শেষ পর্যন্ত অন্ধকারেই থেকে যায়।
খুনের দায় বিদেশে থাকা এমন সব ব্যক্তি ও সন্ত্রাসীদের ওপর চাপানো হয়, যাঁরা সমাজে আগে থেকেই অপরাধী হিসেবে পরিচিত বা বিতর্কিত। সে ক্ষেত্রে তদন্ত এগোয় মূলত ঘটনাস্থলে উপস্থিত বা সরাসরি হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ ধরে। ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন হোতারা।
গত এক বছরে রাজনীতিক, সন্ত্রাসী বা বিতর্কিত কার্যক্রমে যুক্ত ব্যবসায়ী এমন ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত আটজনের হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছিল বিদেশি উৎসকেন্দ্রিক। এসব ঘটনার পর জানানো হয়, খুনের নেপথ্যে রয়েছেন দেশের বাইরে অবস্থানরত একাধিক সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। নামগুলোও ছিল পরিচিত এবং আগে থেকেই নানা অপরাধের কারণে আলোচিত। কিন্তু বিদেশে থাকা কথিত অপরাধীদের সরাসরি সম্পৃক্ততার নিশ্চিত প্রমাণ আর তদন্তে সামনে আসেনি। গ্রেপ্তারও হয় কেবল ঘটনাস্থলে থাকা শুটার, অস্ত্রের জোগানদাতা বা সহায়ক ‘লাইনম্যানরা’। অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এ ধরনের কোনো কোনো মামলা এভাবে একসময় চলে যায় হিমাগারে।
ঢাকায় গত ছয় মাসের একাধিক হত্যা মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তদন্তে দায়ী করা হয়েছে বিদেশে থাকা ব্যক্তি ও সন্ত্রাসীদের ওপর।
অতি সম্প্রতি এ ধরনের দাবি করা হয়েছে কারওয়ান বাজারে ৭ জানুয়ারি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরের হত্যাকাণ্ডের পর। ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, এই হত্যার পরিকল্পনা হয় দেশের বাইরে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মুছাব্বিরকে হত্যা করতে সাড়ে চার মাস আগে পরিকল্পনার পর বিদেশ থেকে ১৫ লাখ টাকা পাঠানো হয়। কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বই এ হত্যার পেছনের কারণ। হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর মিরপুরের পল্লবীতে একটি দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। তদন্তে যুক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বলেছে, মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামি মফিজুর রহমান ওরফে মামুন বিদেশে বসে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ ও দেনা-পাওনার বিরোধ থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে কিবরিয়াকে হত্যা করান।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ সালে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তিনি জামিনে বের হয়ে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, মামুন মালয়েশিয়ায় আর তাঁর ভাই মশি ভারতে পালিয়ে আছেন।
কিবরিয়া হত্যার কয়েক দিন আগে ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন (৫৬)। ঘটনার পর পুলিশ বলেছিল, মামুন দীর্ঘদিন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েক বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। দেশের বাইরে থাকা ইমনের নির্দেশেই মামুনকে হত্যা করা হয়।
গত বছরের ২৫ মে মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাটে বিএনপি নেতা কামরুল আহসান সাধনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় কারণ হিসেবে সামনে আসে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের দ্বন্দ্ব। স্বীকারোক্তির সূত্র দিয়ে ডিবি পুলিশ বলেছে, সাধন হত্যার নেপথ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদী হাসান ওরফে কলিন্স।
এর কিছুদিন আগে ২১ মার্চ গুলশান পুলিশ প্লাজার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমন (৩৩) নামে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে। কেব্ল ও নেট ব্যবসার দখল নিয়ে বিদেশে থাকা বাড্ডা ও গুলশানের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও রবিন এই হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
হত্যার পরিকল্পনাকারী বা নির্দেশদাতা দেশের বাইরে আছেন–পুলিশের প্রায়ই এমন দাবির ‘প্রবণতার’ সমালোচনা করেছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, ‘কোনো কোনো বড় অপরাধী দেশ-বিদেশে থাকে। তবে সব ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা বলা কখনো কখনো উদ্দেশ্যমূলক হতে পারে। এসব পরিচিত নাম সামনে আনলে সাধারণ মানুষ সহজেই তা বিশ্বাস করে নেয়—এমন একটি ধারণা থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ এই কৌশল অনুসরণ করে। ফলে প্রকৃত নেপথ্য শক্তি, স্বার্থচক্র ও হত্যার উদ্দেশ্য অন্ধকারেই থেকে যায়। তদন্ত সীমাবদ্ধ থাকে কেবল অস্ত্রের ট্রিগার টানাদের শনাক্তকরণের মধ্যেই।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ‘হত্যাসহ যেকোনো ফৌজদারি মামলায় ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা অন্যতম আসামি। কিন্তু তাঁদের গ্রেপ্তার বা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় না আসলে মামলার তদন্ত এগোয় না। ঘটনার শিকার ব্যক্তি বা পরিবারও ন্যায়বিচার পায় না।’
তবে পুলিশ বলছে, তাদের এমন দাবির ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেই। হত্যার সঙ্গে যাদের যেটুকু জড়িত থাকা বা দায় তদন্তে পাওয়া যায়, তা-ই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আগেও আন্ডারওয়ার্ল্ডের পলাতক সদস্যদের সম্পৃক্ততা ছিল, এখনো আছে। অপরাধীরা এখন বিভিন্ন দেশে রয়েছে, তারা বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে এই সব হত্যাকাণ্ড ঘটায়।’

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের উদ্দেশ্য শেষ পর্যন্ত অজানা থেকে যায়।
অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, পরিচিত কিছু অপরাধী বা পৃষ্ঠপোষকের ওপর দায় চাপালে জনমনে সহজে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়—এমন একটি হিসাব থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ এই পথ বেছে নেয়। এতে গভীর তদন্ত করে প্রকৃত পরিকল্পনাকারীর পরিচয় এবং হত্যার কারণ জেনে বিচার করার চাপ কমে। এর ফলে আলোচিত কিছু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ শেষ পর্যন্ত অন্ধকারেই থেকে যায়।
খুনের দায় বিদেশে থাকা এমন সব ব্যক্তি ও সন্ত্রাসীদের ওপর চাপানো হয়, যাঁরা সমাজে আগে থেকেই অপরাধী হিসেবে পরিচিত বা বিতর্কিত। সে ক্ষেত্রে তদন্ত এগোয় মূলত ঘটনাস্থলে উপস্থিত বা সরাসরি হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ ধরে। ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন হোতারা।
গত এক বছরে রাজনীতিক, সন্ত্রাসী বা বিতর্কিত কার্যক্রমে যুক্ত ব্যবসায়ী এমন ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত আটজনের হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছিল বিদেশি উৎসকেন্দ্রিক। এসব ঘটনার পর জানানো হয়, খুনের নেপথ্যে রয়েছেন দেশের বাইরে অবস্থানরত একাধিক সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। নামগুলোও ছিল পরিচিত এবং আগে থেকেই নানা অপরাধের কারণে আলোচিত। কিন্তু বিদেশে থাকা কথিত অপরাধীদের সরাসরি সম্পৃক্ততার নিশ্চিত প্রমাণ আর তদন্তে সামনে আসেনি। গ্রেপ্তারও হয় কেবল ঘটনাস্থলে থাকা শুটার, অস্ত্রের জোগানদাতা বা সহায়ক ‘লাইনম্যানরা’। অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এ ধরনের কোনো কোনো মামলা এভাবে একসময় চলে যায় হিমাগারে।
ঢাকায় গত ছয় মাসের একাধিক হত্যা মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তদন্তে দায়ী করা হয়েছে বিদেশে থাকা ব্যক্তি ও সন্ত্রাসীদের ওপর।
অতি সম্প্রতি এ ধরনের দাবি করা হয়েছে কারওয়ান বাজারে ৭ জানুয়ারি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান ওরফে মুছাব্বিরের হত্যাকাণ্ডের পর। ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, এই হত্যার পরিকল্পনা হয় দেশের বাইরে থাকা এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মুছাব্বিরকে হত্যা করতে সাড়ে চার মাস আগে পরিকল্পনার পর বিদেশ থেকে ১৫ লাখ টাকা পাঠানো হয়। কারওয়ান বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বই এ হত্যার পেছনের কারণ। হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর মিরপুরের পল্লবীতে একটি দোকানে ঢুকে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করা হয়। তদন্তে যুক্ত ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ বলেছে, মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও পলাতক আসামি মফিজুর রহমান ওরফে মামুন বিদেশে বসে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ ও দেনা-পাওনার বিরোধ থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে কিবরিয়াকে হত্যা করান।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২১ সালে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তিনি জামিনে বের হয়ে মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান। তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, মামুন মালয়েশিয়ায় আর তাঁর ভাই মশি ভারতে পালিয়ে আছেন।
কিবরিয়া হত্যার কয়েক দিন আগে ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন (৫৬)। ঘটনার পর পুলিশ বলেছিল, মামুন দীর্ঘদিন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েক বছর ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। দেশের বাইরে থাকা ইমনের নির্দেশেই মামুনকে হত্যা করা হয়।
গত বছরের ২৫ মে মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাটে বিএনপি নেতা কামরুল আহসান সাধনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় কারণ হিসেবে সামনে আসে চাঁদাবাজি নিয়ে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের দ্বন্দ্ব। স্বীকারোক্তির সূত্র দিয়ে ডিবি পুলিশ বলেছে, সাধন হত্যার নেপথ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদী হাসান ওরফে কলিন্স।
এর কিছুদিন আগে ২১ মার্চ গুলশান পুলিশ প্লাজার সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমন (৩৩) নামে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীকে। কেব্ল ও নেট ব্যবসার দখল নিয়ে বিদেশে থাকা বাড্ডা ও গুলশানের শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান ও রবিন এই হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
হত্যার পরিকল্পনাকারী বা নির্দেশদাতা দেশের বাইরে আছেন–পুলিশের প্রায়ই এমন দাবির ‘প্রবণতার’ সমালোচনা করেছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, ‘কোনো কোনো বড় অপরাধী দেশ-বিদেশে থাকে। তবে সব ঘটনায় তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা বলা কখনো কখনো উদ্দেশ্যমূলক হতে পারে। এসব পরিচিত নাম সামনে আনলে সাধারণ মানুষ সহজেই তা বিশ্বাস করে নেয়—এমন একটি ধারণা থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ এই কৌশল অনুসরণ করে। ফলে প্রকৃত নেপথ্য শক্তি, স্বার্থচক্র ও হত্যার উদ্দেশ্য অন্ধকারেই থেকে যায়। তদন্ত সীমাবদ্ধ থাকে কেবল অস্ত্রের ট্রিগার টানাদের শনাক্তকরণের মধ্যেই।’
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, ‘হত্যাসহ যেকোনো ফৌজদারি মামলায় ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা অন্যতম আসামি। কিন্তু তাঁদের গ্রেপ্তার বা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় না আসলে মামলার তদন্ত এগোয় না। ঘটনার শিকার ব্যক্তি বা পরিবারও ন্যায়বিচার পায় না।’
তবে পুলিশ বলছে, তাদের এমন দাবির ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলক কিছু নেই। হত্যার সঙ্গে যাদের যেটুকু জড়িত থাকা বা দায় তদন্তে পাওয়া যায়, তা-ই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আগেও আন্ডারওয়ার্ল্ডের পলাতক সদস্যদের সম্পৃক্ততা ছিল, এখনো আছে। অপরাধীরা এখন বিভিন্ন দেশে রয়েছে, তারা বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে এই সব হত্যাকাণ্ড ঘটায়।’

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
০৯ এপ্রিল ২০২৩
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি।
আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
ডিএমপি বলছে, এ বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি।
আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
ডিএমপি বলছে, এ বিষয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবেন।

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
০৯ এপ্রিল ২০২৩
রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগেআইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
রাসেল মাহমুদ, ঢাকা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি এবং সম্ভাব্য কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাড়ে আট মাসে জামিনে মুক্তি পান বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলে থাকা ৪২৬ জন। তাঁদের পাশাপাশি আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েকজনও জামিনে মুক্তি পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুরের ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, মগবাজারের এস এম আরমান ওরফে আরমান, মিরপুরের আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, ধানমন্ডির খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, বাড্ডার খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু ও সোহেল রানা চৌধুরী ওরফে ফ্রিডম সোহেল, তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম এবং হাজারীবাগ এলাকার সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন। তাঁদের অধিকাংশ এক দশক থেকে দেড় দশক কারাগারে ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্বাস আলী ওরফে আব্বাস। মুক্তির পর থেকে তিনি পলাতক এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। ১৩ আগস্ট জামিন পাওয়া খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু, ১৪ আগস্ট জামিন পাওয়া এস এম আরমান ওরফে আরমান এবং ১৫ আগস্ট জামিন পাওয়া ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালও মুক্তির পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১২ সালে জামিনে মুক্ত খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে রাজধানীতে অন্তত পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম এসেছে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়েরবাজারে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়। গত বছরের এপ্রিলে হাতিরঝিলে যুবদল নেতা আরিফ শিকদার এবং মে মাসে বাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুল আহসান হত্যাকাণ্ডের পেছনে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, পুরান ঢাকায় আদালত এলাকায় তারিক সাঈদ মামুন হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইমনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফোর স্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বে সক্রিয় হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তাঁদের মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গত বছরের ২৭ মে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সহিংসতা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। গত নভেম্বরে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। ডিসেম্বরে ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি, যিনি পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁদের সহযোগীদের, যাঁরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভীতি সঞ্চার করতে পারেন বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি রয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করতেই হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গতিবিধি এবং সম্ভাব্য কার্যক্রম নিবিড়ভাবে নজরদারিতে রেখে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাড়ে আট মাসে জামিনে মুক্তি পান বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেলে থাকা ৪২৬ জন। তাঁদের পাশাপাশি আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বেশ কয়েকজনও জামিনে মুক্তি পান। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদপুরের ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, মগবাজারের এস এম আরমান ওরফে আরমান, মিরপুরের আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, ধানমন্ডির খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, বাড্ডার খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু ও সোহেল রানা চৌধুরী ওরফে ফ্রিডম সোহেল, তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম এবং হাজারীবাগ এলাকার সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমন। তাঁদের অধিকাংশ এক দশক থেকে দেড় দশক কারাগারে ছিলেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১২ আগস্ট আদালত থেকে জামিন পান শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্বাস আলী ওরফে আব্বাস। মুক্তির পর থেকে তিনি পলাতক এবং তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। ১৩ আগস্ট জামিন পাওয়া খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু, ১৪ আগস্ট জামিন পাওয়া এস এম আরমান ওরফে আরমান এবং ১৫ আগস্ট জামিন পাওয়া ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলালও মুক্তির পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১২ সালে জামিনে মুক্ত খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটনও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে রাজধানীতে অন্তত পাঁচটি হত্যাকাণ্ডে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম এসেছে। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়েরবাজারে দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়। গত বছরের এপ্রিলে হাতিরঝিলে যুবদল নেতা আরিফ শিকদার এবং মে মাসে বাড্ডায় বিএনপি নেতা কামরুল আহসান হত্যাকাণ্ডের পেছনে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন, পুরান ঢাকায় আদালত এলাকায় তারিক সাঈদ মামুন হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইমনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ফোর স্টার গ্রুপসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বে সক্রিয় হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তাঁদের মধ্যে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গত বছরের ২৭ মে কুষ্টিয়া শহরের কালীশংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে সহিংসতা, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। গত নভেম্বরে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হন। ডিসেম্বরে ঢাকার পুরানা পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদি, যিনি পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জামিনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাঁদের সহযোগীদের, যাঁরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য ভীতি সঞ্চার করতে পারেন বা আতঙ্ক তৈরি করতে পারেন, তাঁদের গ্রেপ্তার করতে বলা হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জামিনে থাকা ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নজরদারি রয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করতেই হবে।’

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
০৯ এপ্রিল ২০২৩
রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাতটি মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, ভবনটি বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, হাসনাবাদ বাজারের ফলপট্টি গলিতে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। মাদ্রাসায় শিশুদের পাঠদান করা হয়। বিস্ফোরণে চার কক্ষের একতলা ভবনটির পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, সিঁড়ির পাশের ছাদের একাংশ উড়ে গেছে এবং সব কটি কক্ষের পিলার ও দেয়ালে ফাটল ধরেছে। ঘটনাস্থলে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিটের কর্মীরা আলামত সংগ্রহ করছেন। তাঁরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছেন। ভবনের পাশের একটি ভবনের দোতলার দেয়ালে বিস্ফোরণে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরণে পাশের একটি অটোরিকশার গ্যারেজের টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। টিনের নিচে চাপা পড়েছিলেন গ্যারেজের ম্যানেজার আবুল কালাম।
আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এত বিকট শব্দ হয়েছে যে আমার কানে তব্দা লেগে যায়। আমি টিনের নিচে চাপা পড়ি। পরে হামাগুড়ি দিয়ে বের হই। এরপর দেখি মাদ্রাসার মধ্যে আগুন জ্বলছে। যারা ভেতরে ছিল, তারা দ্রুত বাচ্চাদের নিয়ে বের হয়ে চলে যায়।’
গ্যারেজের মালিক মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আমিও বাসা থেকে দৌড়ে আসি। আমার গ্যারেজের দুজন অটোচালক দুই শিশুকে ওই ভবন থেকে বের করেন। এক নারী আর এক শিশুকে নিয়ে চলে যায়। এ সময় আল আমিনও দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। আধা ঘণ্টার মধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের লোকজন এসে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।’
মাদ্রাসার পাশের ৫ তলা বাড়ির বাসিন্দা মনোয়ার বলেন, ‘হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। মনে হয়েছিল ভূমিকম্প। কারণ, বিস্ফোরণে সব ভবনে কাঁপুনি লাগে। সবাই চিৎকার করেছিল।’
ওই বাসিন্দা আরও বলেন, ‘মাদ্রাসাটিতে ৩০-৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এ কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।’
ভবনটির পশ্চিম পাশের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অপর পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তাঁর স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাঁদের তিন সন্তান নিয়ে সেখানেই থাকতেন। বিস্ফোরণে দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হয়। এর মধ্যে আছিয়া ও তাঁর দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে। ঘরের ভেতরের আসবাবও ভেঙে পড়েছে।’
ঘটনাস্থলেই পুলিশ হেফাজতে বসে ছিলেন ভবনমালিক পারভীন বেগম। ভবনের জমি তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি। সেখানে লিবিয়ায় থাকা তাঁর দুই ছেলে এই ভবন ২০২২ সালে তৈরি করেন। এরপর হারুন অর রশীদ নামের এক ব্যক্তি এটি মাদ্রাসা করবেন বলে ১০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন। পারভীন বেগম বলেন, ‘তিন বছর ধরে আমার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন অর রশীদ মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। হারুন তাঁর শ্যালক আল আমিন ও শ্যালকের স্ত্রী আছিয়াকে মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তিনি মাঝেমধ্যে মাদ্রাসায় আসতেন। আমি নিয়মিত খোঁজখবর নিতাম। কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী কার্যক্রম চলছিল, তা বুঝতে পারিনি। আজ এসে দেখি, ভবনের চারপাশ উড়ে গেছে।’
পারভীন বেগমের পাশেই ছিলেন তাঁর ছোট মেয়ে সোহানা। তিনি বলেন, ‘ভাড়া নেওয়ার সময় শুধু হারুন অর রশীদ একাই এসেছিলেন। এরপর তাঁরা মাদ্রাসা পরিচালনা শুরু করেন। তবে তাঁরা আশপাশের কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না।’
পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল, ভেস্ট ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কম্পিউটার ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, কোনো বিস্ফোরক তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে গতকাল বিকেলে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শেখ আল আমিন পলাতক রয়েছেন। তবে কেরানীগঞ্জ থেকে তাঁর স্ত্রী আছিয়া বেগম, আছিয়ার ভাই হারুনের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার এবং ঢাকার বাসাবো থেকে আসমানী খাতুন নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আল আমিনের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে ২০১৭ ও ২০২০ সালে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা এবং আশপাশের বিভিন্ন থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসমানী খাতুনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাতটি মামলা রয়েছে। পুলিশ বলছে, ভবনটি বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হতো।
আজ শনিবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, হাসনাবাদ বাজারের ফলপট্টি গলিতে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। মাদ্রাসায় শিশুদের পাঠদান করা হয়। বিস্ফোরণে চার কক্ষের একতলা ভবনটির পশ্চিম পাশের দুটি কক্ষ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, সিঁড়ির পাশের ছাদের একাংশ উড়ে গেছে এবং সব কটি কক্ষের পিলার ও দেয়ালে ফাটল ধরেছে। ঘটনাস্থলে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিটের কর্মীরা আলামত সংগ্রহ করছেন। তাঁরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছেন। ভবনের পাশের একটি ভবনের দোতলার দেয়ালে বিস্ফোরণে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরণে পাশের একটি অটোরিকশার গ্যারেজের টিনের ছাউনি উড়ে গেছে। টিনের নিচে চাপা পড়েছিলেন গ্যারেজের ম্যানেজার আবুল কালাম।
আবুল কালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এত বিকট শব্দ হয়েছে যে আমার কানে তব্দা লেগে যায়। আমি টিনের নিচে চাপা পড়ি। পরে হামাগুড়ি দিয়ে বের হই। এরপর দেখি মাদ্রাসার মধ্যে আগুন জ্বলছে। যারা ভেতরে ছিল, তারা দ্রুত বাচ্চাদের নিয়ে বের হয়ে চলে যায়।’
গ্যারেজের মালিক মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। আমিও বাসা থেকে দৌড়ে আসি। আমার গ্যারেজের দুজন অটোচালক দুই শিশুকে ওই ভবন থেকে বের করেন। এক নারী আর এক শিশুকে নিয়ে চলে যায়। এ সময় আল আমিনও দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। আধা ঘণ্টার মধ্যে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের লোকজন এসে পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।’
মাদ্রাসার পাশের ৫ তলা বাড়ির বাসিন্দা মনোয়ার বলেন, ‘হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। মনে হয়েছিল ভূমিকম্প। কারণ, বিস্ফোরণে সব ভবনে কাঁপুনি লাগে। সবাই চিৎকার করেছিল।’
ওই বাসিন্দা আরও বলেন, ‘মাদ্রাসাটিতে ৩০-৩৫ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করত। তবে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। এ কারণে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।’
ভবনটির পশ্চিম পাশের এক পাশে তিনটি কক্ষে মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অপর পাশের একটি কক্ষে পরিচালক শেখ আল আমিন (৩২), তাঁর স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৮) এবং তাঁদের তিন সন্তান নিয়ে সেখানেই থাকতেন। বিস্ফোরণে দুই ছেলে উমায়েত (১০) ও আবদুল্লাহ (৭) আহত হয়। এর মধ্যে আছিয়া ও তাঁর দুই সন্তানকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
পাশের ভবনের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিস্ফোরণে আমাদের ভবনের কিছু অংশ ফেটে গেছে। ঘরের ভেতরের আসবাবও ভেঙে পড়েছে।’
ঘটনাস্থলেই পুলিশ হেফাজতে বসে ছিলেন ভবনমালিক পারভীন বেগম। ভবনের জমি তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি। সেখানে লিবিয়ায় থাকা তাঁর দুই ছেলে এই ভবন ২০২২ সালে তৈরি করেন। এরপর হারুন অর রশীদ নামের এক ব্যক্তি এটি মাদ্রাসা করবেন বলে ১০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন। পারভীন বেগম বলেন, ‘তিন বছর ধরে আমার বাড়ি ভাড়া নিয়ে মুফতি হারুন অর রশীদ মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। হারুন তাঁর শ্যালক আল আমিন ও শ্যালকের স্ত্রী আছিয়াকে মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব দেন। তিনি মাঝেমধ্যে মাদ্রাসায় আসতেন। আমি নিয়মিত খোঁজখবর নিতাম। কিন্তু মাদ্রাসার আড়ালে কী কার্যক্রম চলছিল, তা বুঝতে পারিনি। আজ এসে দেখি, ভবনের চারপাশ উড়ে গেছে।’
পারভীন বেগমের পাশেই ছিলেন তাঁর ছোট মেয়ে সোহানা। তিনি বলেন, ‘ভাড়া নেওয়ার সময় শুধু হারুন অর রশীদ একাই এসেছিলেন। এরপর তাঁরা মাদ্রাসা পরিচালনা শুরু করেন। তবে তাঁরা আশপাশের কারও সঙ্গে তেমন মিশতেন না।’
পুলিশ ভবনের ভেতর থেকে কেমিক্যাল, ককটেল, ভেস্ট ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস, কম্পিউটার ও মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, কোনো বিস্ফোরক তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে গতকাল বিকেলে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শেখ আল আমিন পলাতক রয়েছেন। তবে কেরানীগঞ্জ থেকে তাঁর স্ত্রী আছিয়া বেগম, আছিয়ার ভাই হারুনের স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার এবং ঢাকার বাসাবো থেকে আসমানী খাতুন নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আল আমিনের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগে ২০১৭ ও ২০২০ সালে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা এবং আশপাশের বিভিন্ন থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তার আসমানী খাতুনের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

গোপালগঞ্জে একটি খামার বাড়ির কেয়ারটেকার আহাদ আলীকে (৪৫) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তের কোপে আহত হন বাড়ির মালিক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী মুরাদ হোসেন (৬৫)।
০৯ এপ্রিল ২০২৩
রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে