
গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্যাতন করে বৃদ্ধার কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই বৃদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর মেজ ছেলে দাবি করেছেন, জমি লিখে নেওয়ার জন্য ছোট ভাইয়ের নির্যাতনে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। রাহিলা খাতুন (৯৬) উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানায়, গতকাল বিকেলে রাহিলা খাতুনের মৃত্যুর পর স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁদের বাড়ি আসে। রাতে তাঁর মেজ ছেলে আব্দুল হাই লাশ দাফনে বাধা দেন। মায়ের মৃত্যুর জন্য ছোট ভাইকে দায়ী করে তিনি বলেন, নির্যাতনের কারণেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত লাশ দাফন করতে দেবেন না তিনি। বাড়ি থেকে একটু দূরে থাকেন রাহিলার বড় ছেলে। এ বিষয়ে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই।
রাহিলার মেজ ছেলে আব্দুল হাই অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ইলিয়াস হোসেন অসুস্থ মায়ের কাছ থেকে কয়েক বছরে ১৩-১৪ বিঘা জমি লিখে নেয়। আজ বৃহস্পতিবার আমরা কোর্টে চলে যাই। এই সুযোগে মাকে জোর করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে আরও চার বিঘা জমি লিখে নেয়। জমি লিখে দিতে রাজি না হলে মাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়। মায়ের মৃত্যু অস্বাভাবিক মনে হয়েছে বিধায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত এর সঠিক ফয়সালা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মায়ের লাশ দাফন করতে দেব না। মায়ের শরীরের অনেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গোসল করানোর সময় এটা দেখা গেছে।’
আব্দুল হাইয়ের ছেলে নূরু উদ্দিন বলেন, ‘অসুস্থ দাদিকে আমার চাচা গতকাল রাতে গাড়ির লাইট বন্ধ করে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান। আজ দলিল সম্পাদন করে অসুস্থ অবস্থায় দাদিকে বিকেলে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কয়েক ঘণ্টা পর দাদি মারা যান। বাড়িতে আসার পরপরই দাদির জন্য মলম ও ওষুধ খোঁজাখুঁজি করেন চাচা। এ জন্য আমরা কবর খনন ও লাশ দাফনে বাধা দিচ্ছি। আমাদের ধারণা, দাদিকে পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তবে রাহিলার ছোট ছেলে ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘গতকাল মাকে গাড়িতে করে আমার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছি। এরপর আমি মাকে নিয়ে দলিল সম্পাদন করেছি। কিন্তু জোর করে জমি লিখে নিইনি। মা আমাকে ইচ্ছে করে জমি লিখে দিয়েছেন। আমি মাকে কেন মারব। আমি সব সময় মায়ের সেবা করেছি। আজ যে আমার মা মারা যাবে, তা কি আমি জানতাম?’
স্থানীয় বাসিন্দা ওহেদ আলী বলেন, ‘আমরা শুনেছি তিনি মারা গেছেন। তবে কীভাবে মারা গেছেন, এ বিষয়ে বলতে পারব না। জমি নিয়ে সমস্যা আছে, এটা জানি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্যাতন করে বৃদ্ধার কাছ থেকে জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই বৃদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর মেজ ছেলে দাবি করেছেন, জমি লিখে নেওয়ার জন্য ছোট ভাইয়ের নির্যাতনে তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। রাহিলা খাতুন (৯৬) উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের স্ত্রী।
এলাকাবাসী জানায়, গতকাল বিকেলে রাহিলা খাতুনের মৃত্যুর পর স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁদের বাড়ি আসে। রাতে তাঁর মেজ ছেলে আব্দুল হাই লাশ দাফনে বাধা দেন। মায়ের মৃত্যুর জন্য ছোট ভাইকে দায়ী করে তিনি বলেন, নির্যাতনের কারণেই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত লাশ দাফন করতে দেবেন না তিনি। বাড়ি থেকে একটু দূরে থাকেন রাহিলার বড় ছেলে। এ বিষয়ে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই।
রাহিলার মেজ ছেলে আব্দুল হাই অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ইলিয়াস হোসেন অসুস্থ মায়ের কাছ থেকে কয়েক বছরে ১৩-১৪ বিঘা জমি লিখে নেয়। আজ বৃহস্পতিবার আমরা কোর্টে চলে যাই। এই সুযোগে মাকে জোর করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে আরও চার বিঘা জমি লিখে নেয়। জমি লিখে দিতে রাজি না হলে মাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়। মায়ের মৃত্যু অস্বাভাবিক মনে হয়েছে বিধায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত এর সঠিক ফয়সালা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মায়ের লাশ দাফন করতে দেব না। মায়ের শরীরের অনেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গোসল করানোর সময় এটা দেখা গেছে।’
আব্দুল হাইয়ের ছেলে নূরু উদ্দিন বলেন, ‘অসুস্থ দাদিকে আমার চাচা গতকাল রাতে গাড়ির লাইট বন্ধ করে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান। আজ দলিল সম্পাদন করে অসুস্থ অবস্থায় দাদিকে বিকেলে বাড়িতে নিয়ে আসেন। কয়েক ঘণ্টা পর দাদি মারা যান। বাড়িতে আসার পরপরই দাদির জন্য মলম ও ওষুধ খোঁজাখুঁজি করেন চাচা। এ জন্য আমরা কবর খনন ও লাশ দাফনে বাধা দিচ্ছি। আমাদের ধারণা, দাদিকে পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তবে রাহিলার ছোট ছেলে ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘গতকাল মাকে গাড়িতে করে আমার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছি। এরপর আমি মাকে নিয়ে দলিল সম্পাদন করেছি। কিন্তু জোর করে জমি লিখে নিইনি। মা আমাকে ইচ্ছে করে জমি লিখে দিয়েছেন। আমি মাকে কেন মারব। আমি সব সময় মায়ের সেবা করেছি। আজ যে আমার মা মারা যাবে, তা কি আমি জানতাম?’
স্থানীয় বাসিন্দা ওহেদ আলী বলেন, ‘আমরা শুনেছি তিনি মারা গেছেন। তবে কীভাবে মারা গেছেন, এ বিষয়ে বলতে পারব না। জমি নিয়ে সমস্যা আছে, এটা জানি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাখাওয়াত হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে