নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৫৯টি মামলায় দীর্ঘ আট বছর পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির সচিব মো. মাহবুব হোসেন আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।
মাহবুব হোসেন বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সবকটি মামলার চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এতে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুসহ ১৪৭ জনকে এজাহারভুক্ত করা হয়। আজ (সোমবার) বিকেলের মধ্যেই আদালতে দাখিল করা হবে।
সচিব জানান, ৫৯টি মামলায় ২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব মামলায় ব্যাংকের ১০১ জন গ্রাহক ও ৪৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
তিনি জানান, এসব মামলা দুদকের পাঁচজন তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে তারা কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন এসব মামলার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন জ্ঞাপন করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা হচ্ছেন, দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মো. মোনায়েম হোসেন, মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান এবং মোহাম্মদ সিরাজুল হক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে শেখ আবদুল হাই বাচ্চু চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে ২০১৩ সালের মার্চ পর্যন্ত বেসিক ব্যাংক ৬ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা ঋণ দেয়। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকাই নিয়ম ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানে। ফলে ২০১৪ সালে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে অপসারণ করা হয়। সে বছরের ২৯ মে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিছুদিন পর ৪ জুলাই শেখ আবদুল হাই বাচ্চু পদত্যাগপত্র জমা দেন।
ঋণ কেলেঙ্কারিতে ডুবতে বসা বেসিক ব্যাংকের ২০২১ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর দায়িত্বকালটা ‘অস্বস্তির’ ছিল। অনিয়মের অভিযোগে ২০১৩ সাল থেকে অনুসন্ধানে নামে দুদক। পরে ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর তিন দিনে টানা ৫৬টি মামলা দায়ের করে সংস্থাটি। পরে ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আরও ৩টি মামলা যোগ হয়। এসব মামলায় মোট আসামি করা হয় ১৫৬ জনকে।

ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুকে আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ৫৯টি মামলায় দীর্ঘ আট বছর পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির সচিব মো. মাহবুব হোসেন আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান।
মাহবুব হোসেন বলেন, বেসিক ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সবকটি মামলার চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। এতে ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চুসহ ১৪৭ জনকে এজাহারভুক্ত করা হয়। আজ (সোমবার) বিকেলের মধ্যেই আদালতে দাখিল করা হবে।
সচিব জানান, ৫৯টি মামলায় ২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব মামলায় ব্যাংকের ১০১ জন গ্রাহক ও ৪৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
তিনি জানান, এসব মামলা দুদকের পাঁচজন তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে তারা কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন এসব মামলার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন জ্ঞাপন করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা হচ্ছেন, দুদকের পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মো. মোনায়েম হোসেন, মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান এবং মোহাম্মদ সিরাজুল হক।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে শেখ আবদুল হাই বাচ্চু চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে ২০১৩ সালের মার্চ পর্যন্ত বেসিক ব্যাংক ৬ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা ঋণ দেয়। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকাই নিয়ম ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানে। ফলে ২০১৪ সালে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে অপসারণ করা হয়। সে বছরের ২৯ মে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিছুদিন পর ৪ জুলাই শেখ আবদুল হাই বাচ্চু পদত্যাগপত্র জমা দেন।
ঋণ কেলেঙ্কারিতে ডুবতে বসা বেসিক ব্যাংকের ২০২১ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ আবদুল হাই বাচ্চুর দায়িত্বকালটা ‘অস্বস্তির’ ছিল। অনিয়মের অভিযোগে ২০১৩ সাল থেকে অনুসন্ধানে নামে দুদক। পরে ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর তিন দিনে টানা ৫৬টি মামলা দায়ের করে সংস্থাটি। পরে ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত আরও ৩টি মামলা যোগ হয়। এসব মামলায় মোট আসামি করা হয় ১৫৬ জনকে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৪ দিন আগে