
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমপি জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের একটি দল তাকে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ‘নব্য জেএমবি’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এটিই প্রথম কোনো আটক।
সিটিটিসি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি রাজধানীর জিয়া উদ্যান এলাকা থেকে আহসান জহির খান (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার সূত্র ধরেই হবিগঞ্জ থেকে কিশোরটিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জিয়া উদ্যান থেকে গ্রেপ্তার আহসান জহির খান ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে ওই কিশোরের যোগাযোগ রয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, সে অনলাইনে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল এবং দাওলাতুল ইসলামের (আইএস) পক্ষে উগ্রবাদী পোস্ট শেয়ার করে সদস্য সংগ্রহে যুক্ত ছিল। এ ছাড়া বোমা তৈরির পিডিএফ ফাইল ছড়ানো এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা এবং উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আহসান জহির খান, দানিয়েল ইসলাম হাসান ও রাসেল ওরফে পলাশ ওরফে আবু বাছের আল ফারুকীর সঙ্গে ওই কিশোরের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। বিধি অনুযায়ী তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, কিশোরটির বয়স আনুমানিক ১৬ বছর।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সালাফি মতাদর্শভিত্তিক আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অনুসারীদের ‘নব্য জেএমবি’ নামে চিহ্নিত করেছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই গোষ্ঠীকে র্যাব ‘তামিম-সারওয়ার গ্রুপ’ হিসেবেও উল্লেখ করত। সরকার পরিবর্তনের পর আবারও নব্য জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটকের ঘটনা সামনে এল।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬
খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ বাহিনীর সদস্য সন্দেহে রাসেল (২৯) নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। নগরীর লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া রেললাইনের নির্জন একটি স্থানে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত যুবক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
২৬ মে ২০২৬
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে তা পাচার করার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬ চীনা নাগরিকসহ আটজনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন।
১৪ মে ২০২৬