
সিসেমি স্ট্রিটের লাল রঙের পুতুল এলমোর ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলা নিয়ে যখন ইন্টারনেটে বিতর্কের ঝড় বইছে, ঠিক তখনই হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে এক সাক্ষাৎকারে মুসলিম ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ ‘ইনশা আল্লাহ’ ব্যবহার করে সবাইকে চমকে দিলেন!
সম্প্রতি ‘পিপল’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের চল্লিশোর্ধ্ব জীবন নিয়ে কথা বলছিলেন এই অস্কারজয়ী তারকা। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কামনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি একটি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কাটাতে চাই ইনশা আল্লাহ। আমি সেটাই আশা করি।’
হ্যাথাওয়ের মুখে হঠাৎ এই শব্দের উচ্চারণ শুনে রীতিমতো হকচকিয়ে গেছেন নেটিজেনরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। অনেক ভক্ত ও অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, হ্যাথাওয়ে যেভাবে সঠিক স্থানে এবং সঠিক উচ্চারণে শব্দটি ব্যবহার করেছেন, তাতে স্পষ্ট বোঝা যায় তিনি এর গভীর অর্থ সম্পর্কে ভালোই অবগত।
তবে সাক্ষাৎকারে শুধু এই একটি শব্দই নয়, বরং জীবন নিয়ে নিজের অর্জিত প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন হ্যাথাওয়ে। চার দশকের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ৪০ বছর বয়সে পৌঁছে পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায় যে অতীতের সিদ্ধান্তগুলো কীভাবে বর্তমানকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে ভবিষ্যতে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত কি না, তা মূল্যায়ন করা সহজ হয়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন নিয়ে এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমি এখন জীবনকে আরও সহজভাবে নিতে শিখেছি। আপনি চাইলে বার্ধক্যকে ভয় পেতে পারেন, আবার চাইলে অকালে মৃত্যুকেও ভয় পেতে পারেন। আমি বার্ধক্যকে কৌতূহলের সঙ্গে গ্রহণ করতেই পছন্দ করি।’
হ্যাথাওয়ের মতে, বয়স ১১ হোক বা ৪৩—জীবন সব সময়ই অনিশ্চিত। ‘পরের মোড়ে আপনার জন্য কী অপেক্ষা করছে তা আপনি কখনোই জানবেন না,’—এমন জীবনদর্শনই এখন তাঁকে অনুপ্রাণিত করছে।
ইন্টারনেটে হ্যাথাওয়ের এই বিনয় এবং ‘ইনশা আল্লাহ’ শব্দের ব্যবহার এখন আলোচনার কেন্দ্রে। বিশেষ করে মুসলিম ভক্তরা তাঁর এই অন্তর্ভুক্তি ও উদার মানসিকতাকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন।

ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
১৩ ঘণ্টা আগে
কথাসাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্প ‘ঠান্ডা গোশত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’। পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন শাহ নেওয়াজ খান সিজু ও সুমাইয়া আরজু মুহু। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে শেষ হয়েছে চলচ্চিত্রটির শুটিং।
১৬ ঘণ্টা আগে
চার বছর আগে মুক্তির আগে গান দিয়ে ঝড় তুলেছিল হাওয়া। হাশিম মাহমুদের লেখা সাদা সাদা কালা কালা গানটি ছড়িয়ে পরেছিল দেশজুড়ে। সেই উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল মুক্তির পর। সিনেপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেলস্ক্রিন সব জায়গায় ছিল দর্শকের লম্বা ভিড়। বিদেশেও রেকর্ড ব্যবসা করে সিনেমাটি।
১৮ ঘণ্টা আগে
খুন, জখম, রক্তের বন্যা, হিংসা, গদির লোভ ও ক্ষমতার লড়াইয়ের এই গল্প এবার দেখা যাবে নতুন আঙ্গিকে। গতকাল প্রকাশ পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-এর টিজার প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হলো মুক্তির তারিখ। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মির্জাপুর দ্য মুভি।
২০ ঘণ্টা আগে