আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিনিধি। খবর রয়টার্সের
বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী ওপেক প্লাসের আট সদস্য দেশের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন একসময়ে, যখন অতিরিক্ত সরবরাহের আশঙ্কায় ২০২৫ সালে তেলের দাম ১৮ শতাংশের বেশি কমেছে। ২০২০ সালের পর এটিই তেলের সবচেয়ে বড় বার্ষিক দরপতন।
সৌদি আরব, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাজাখস্তান, কুয়েত, ইরাক, আলজেরিয়া ও ওমান—এই আট দেশ গত বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সম্মিলিতভাবে দৈনিক প্রায় ২৯ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছিল, যা বৈশ্বিক তেল চাহিদার প্রায় ৩ শতাংশের সমান।
তবে গত নভেম্বরে তারা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। গতকালের বৈঠকেও এ সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এরই মধ্যে সৌদি আরব ও ইউএইর মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। গত মাসে ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইউএইসমর্থিত একটি গোষ্ঠী সৌদিসমর্থিত সরকারের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা দখল করে নেয়। এতে কয়েক দশকের মধ্যে সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছে।
যদিও অতীতে ইরান-ইরাক যুদ্ধের মতো গভীর রাজনৈতিক বিভাজন সত্ত্বেও ওপেক বাজার ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঐক্য ধরে রাখতে পেরেছে, বর্তমানে সংগঠনটি একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে। ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার তেল রপ্তানি চাপে রয়েছে, অন্যদিকে ইরানে চলছে বিক্ষোভ ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, নতুন প্রশাসনে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে কীভাবে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়টি তিনি স্পষ্ট করেননি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বছরের পর বছর ধসে পড়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাই এর মূল কারণ।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিনিধি। খবর রয়টার্সের
বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী ওপেক প্লাসের আট সদস্য দেশের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে এমন একসময়ে, যখন অতিরিক্ত সরবরাহের আশঙ্কায় ২০২৫ সালে তেলের দাম ১৮ শতাংশের বেশি কমেছে। ২০২০ সালের পর এটিই তেলের সবচেয়ে বড় বার্ষিক দরপতন।
সৌদি আরব, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাজাখস্তান, কুয়েত, ইরাক, আলজেরিয়া ও ওমান—এই আট দেশ গত বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সম্মিলিতভাবে দৈনিক প্রায় ২৯ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়েছিল, যা বৈশ্বিক তেল চাহিদার প্রায় ৩ শতাংশের সমান।
তবে গত নভেম্বরে তারা জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। গতকালের বৈঠকেও এ সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এরই মধ্যে সৌদি আরব ও ইউএইর মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। গত মাসে ইয়েমেনের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইউএইসমর্থিত একটি গোষ্ঠী সৌদিসমর্থিত সরকারের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা দখল করে নেয়। এতে কয়েক দশকের মধ্যে সাবেক ঘনিষ্ঠ মিত্র দুই দেশের সম্পর্ক সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছে।
যদিও অতীতে ইরান-ইরাক যুদ্ধের মতো গভীর রাজনৈতিক বিভাজন সত্ত্বেও ওপেক বাজার ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ঐক্য ধরে রাখতে পেরেছে, বর্তমানে সংগঠনটি একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে। ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার তেল রপ্তানি চাপে রয়েছে, অন্যদিকে ইরানে চলছে বিক্ষোভ ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, নতুন প্রশাসনে ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে কীভাবে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়টি তিনি স্পষ্ট করেননি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল মজুত থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বছরের পর বছর ধসে পড়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞাই এর মূল কারণ।

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের লেনদেন শুরুর প্রথম দুই দিনে আমানতকারীরা ১০৭ কোটি টাকার বেশি উত্তোলন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আমানত তুলেছেন এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকেরা।
১৭ মিনিট আগে
সদ্যবিদায়ী বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৯ শতাংশে উঠেছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
১৭ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
১৭ ঘণ্টা আগে