
পাবনার ঈশ্বরদীতে আজ সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনাসহ উত্তরের জেলাগুলো। রাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত প্রচণ্ড কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে চারদিক।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি আজ সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে গতকাল রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত শনিবার ৯ ডিগ্রি, শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে আর উত্তরের ঠান্ডা বাতাসে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। শীতের কারণে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে তাঁরা ঠিকমতো কাজে যেতে পারছেন না। দুপুরের পর কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও তেজ নেই, ফলে শীত কমছে না। ছিন্নমূল আর দরিদ্র মানুষগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ট পাচ্ছেন। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা।
এদিকে শীতের কারণে হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের হিসাবরক্ষক সোহেল রানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬০ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে শিশু ও বয়োবৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি।
অন্যদিকে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। রাতে ও সকালে আগুন জ্বালিয়ে গবাদিপশুর শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তাঁরা।

পাহাড় আর হ্রদের মিতালি দেখতে এবারের ঈদের ছুটিতে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে পর্যটকদের মিশ্র উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বাঘাইছড়ির সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকদের তিল ধারণের ঠাঁই না থাকলেও রাঙামাটি জেলা শহরে পর্যটকের আগমন ছিল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
৪ মিনিট আগে
প্রশাসক জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৭৫২টি যানবাহনে বর্জ্য অপসারণের কাজে সচল ছিল। হয়তো কয়েকটি স্থানে নগণ্য গাড়ি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়ে। তবে বিকল্প যানবাহনে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
চামড়া কেনাবেচায় অভিজ্ঞ হেলাল মিয়া এবার এক পরিচিত ব্যবসায়ীর আশ্বাসে মাঠে নেমেছিলেন। তিনি জানান, ওই ব্যবসায়ীর পরামর্শ ও চামড়া কিনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়ে এবার প্রতিটি চামড়া ২০০ টাকা দরে কিনেছিলেন। এভাবে ১২৫টি চামড়া কেনেন হেলাল মিয়া।
১ ঘণ্টা আগে
হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংবাদিকদের লেখার ফ্রিডম (স্বাধীনতা) দিয়েছেন। যেমন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একদলীয় বাকশাল থেকে মুক্ত করে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছিলেন।
১২ ঘণ্টা আগে