
সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’ ড্রোন হামলার পর দেশটির গুরুত্বপূর্ণ রাস তানুরা তেল শোধনাগারের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। হামলার জেরে সেখানে আগুন ধরে গেলে উৎপাদন ও লোডিং কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

তেলের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশেরও বেশি এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরানের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর অধিকাংশ বড় তেল কোম্পানি, ট্যাংকার মালিক এবং ট্রেডিং হাউজ এই রুট দিয়ে

সমুদ্রপথে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের প্রভাবশালী রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোনো জাহাজকেই

সমুদ্রপথে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। এরই মধ্যে এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজগুলোকে বার্তা দেওয়া শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।