নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক হিসাবে। এ সময় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। তবে একক মাস হিসাবে নভেম্বরের তুলনায় আয় ডিসেম্বরে কিছুটা বেশি—এটিই এখন রপ্তানি খাতের জন্য একমাত্র স্বস্তির বার্তা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
অবকাঠামোগত দুর্বলতা, নিরাপত্তাহীনতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে দরকার সরকারের কার্যকর উদ্যোগ।
নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, পাঁচ মাস ধরেই বহির্বিশ্বে পণ্য রপ্তানি খাতে খুব নেতিবাচক অবস্থা চলছে। সার্বিক বাস্তবতা হলো, দেশে রাজনৈতিক সরকার না এলে আগামী ছয় মাস বা এক বছরে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
ইপিবির প্রতিবেদন অনুসারে, ডিসেম্বর মাসে ২৭ ধরনের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছে ৩৯৬ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে দাঁড়ায় ৪৮ হাজার ৪১৩ কোটি টাকার কিছু বেশি। গত বছর ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৬২ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ৫৬ হাজার ৪৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ২০২৪ সালে একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এদিকে আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি আয় কমলেও নভেম্বর মাসের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৯৭ শতাংশের বেশি। বিদায়ী বছরের নভেম্বরে রপ্তানি আয় ছিল ৩৮৯ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৪৭ হাজার ৪৭৭ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অর্থাৎ ২ লাখ ৯২ হাজার ৭৬১ কোটি ৮১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।
খাতভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যথারীতি পণ্য রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে পোশাক খাত। ডিসেম্বরে আয় এসেছে ৩২৩ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা নভেম্বর তুলনায় ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি। নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ধরনের পোশাকই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
ইপিবির তথ্যমতে, জুলাই-ডিসেম্বর তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৯৩ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৬৩ শতাংশের কম। এ সময়ের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ০৪৯ কোটি ডলার।
এ সময় তৈরি পোশাকবহির্ভূত খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে—এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবিত মাছ, সবজি, রাসায়নিক পণ্য, রাবার, চামড়া ও সাইকেল উল্লেখযোগ্য। যা রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের ধারাবাহিক অগ্রগতিকে প্রতিফলিত করে।
ডিসেম্বরে রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। পাশাপাশি কয়েকটি উদীয়মান ও কৌশলগত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা।

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক হিসাবে। এ সময় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ২ দশমিক ১৯ শতাংশ। তবে একক মাস হিসাবে নভেম্বরের তুলনায় আয় ডিসেম্বরে কিছুটা বেশি—এটিই এখন রপ্তানি খাতের জন্য একমাত্র স্বস্তির বার্তা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
অবকাঠামোগত দুর্বলতা, নিরাপত্তাহীনতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা রপ্তানির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণে দরকার সরকারের কার্যকর উদ্যোগ।
নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আজকের পত্রিকাকে বলেন, পাঁচ মাস ধরেই বহির্বিশ্বে পণ্য রপ্তানি খাতে খুব নেতিবাচক অবস্থা চলছে। সার্বিক বাস্তবতা হলো, দেশে রাজনৈতিক সরকার না এলে আগামী ছয় মাস বা এক বছরে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
ইপিবির প্রতিবেদন অনুসারে, ডিসেম্বর মাসে ২৭ ধরনের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছে ৩৯৬ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে দাঁড়ায় ৪৮ হাজার ৪১৩ কোটি টাকার কিছু বেশি। গত বছর ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৬২ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ৫৬ হাজার ৪৫৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ২০২৪ সালে একই সময়ের তুলনায় আয় কমেছে ১৪ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এদিকে আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি আয় কমলেও নভেম্বর মাসের তুলনায় রপ্তানি আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৯৭ শতাংশের বেশি। বিদায়ী বছরের নভেম্বরে রপ্তানি আয় ছিল ৩৮৯ কোটি ১৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৪৭ হাজার ৪৭৭ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা।
সব মিলিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অর্থাৎ ২ লাখ ৯২ হাজার ৭৬১ কোটি ৮১ লাখ ৪০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৪৫৩ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা।
খাতভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যথারীতি পণ্য রপ্তানির শীর্ষে রয়েছে পোশাক খাত। ডিসেম্বরে আয় এসেছে ৩২৩ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা নভেম্বর তুলনায় ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ বেশি। নিটওয়্যার ও ওভেন—উভয় ধরনের পোশাকই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।
ইপিবির তথ্যমতে, জুলাই-ডিসেম্বর তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৯৩ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৬৩ শতাংশের কম। এ সময়ের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ০৪৯ কোটি ডলার।
এ সময় তৈরি পোশাকবহির্ভূত খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে—এর মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও জীবিত মাছ, সবজি, রাসায়নিক পণ্য, রাবার, চামড়া ও সাইকেল উল্লেখযোগ্য। যা রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণের ধারাবাহিক অগ্রগতিকে প্রতিফলিত করে।
ডিসেম্বরে রপ্তানির শীর্ষ গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। পাশাপাশি কয়েকটি উদীয়মান ও কৌশলগত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা।

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের লেনদেন শুরুর প্রথম দুই দিনে আমানতকারীরা ১০৭ কোটি টাকার বেশি উত্তোলন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আমানত তুলেছেন এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকেরা।
১৭ মিনিট আগে
সদ্যবিদায়ী বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৯ শতাংশে উঠেছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
১৭ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেপ্তারের মতো নাটকীয় ঘটনার মধ্যেও তেল উৎপাদনে কোনো পরিবর্তন আনছে না ওপেক প্লাস জোট। গতকাল রোববারের বৈঠকে উৎপাদনে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছেন জোটের একাধিক প্রতিন
১৭ ঘণ্টা আগে