আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি তেলের মজুত আছে ভেনেজুয়েলায়। তাই দেশটিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বৈশ্বিক তেলের বাজারে কী প্রভাব ফেলবে—এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস গ্রেপ্তার হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে স্পষ্ট হয়েছে—এই অভিযান মূলত তেলের জন্য। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানি ভেনেজুয়েলায় যাবে এবং বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে দেশটির ধ্বংসপ্রায় তেল অবকাঠামো সংস্কার করবে। এতে ভেনেজুয়েলা আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠবে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর কাছেও বড় পরিসরে তেল বিক্রি করবে।
তবে জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক তেল বাজারে বড় কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, বিশ্বের মোট তেল মজুতের প্রায় ১৮ শতাংশ ভেনেজুয়েলার হলেও দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই সেই মজুতের মাত্র ১ শতাংশ উত্তোলন করতে পেরেছে। এর প্রধান কারণ ভেনেজুয়েলার তেল ‘হেভি অয়েল’, যা উত্তোলন ও পরিশোধনে উন্নত প্রযুক্তি ও উচ্চমানের রিফাইনারি প্রয়োজন। গালফ অঞ্চলের ‘লাইট অয়েল’-এর মতো সহজে পরিশোধনযোগ্য নয় এই তেল।
এ ছাড়া দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ভেনেজুয়েলার তেল খাত কার্যত অচল হয়ে আছে। রপ্তানি বন্ধ থাকায় উৎপাদন ও বিনিয়োগ দুটোই কমে গেছে। এখনো স্পষ্ট নয়, মাদুরো সরকারের পতনের পর এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে কি না।
সব মিলিয়ে বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও ভেনেজুয়েলার সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে বিশ্ব তেল বাজারে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না। তবে দীর্ঘ মেয়াদে মার্কিন বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। কারণ মার্কিন বিনিয়োগের ফলে ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রগুলো পুনরুদ্ধার হবে, আধুনিক পরিশোধনাগার স্থাপিত হবে এবং দেশটি থেকে তেলের রপ্তানিও বাড়বে।
বিশেষজ্ঞ মতে, মার্কিন বিনিয়োগ হলে ৩–৫ বছরের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় তেলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। এমন হলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহও বাড়বে। আর তেলের বাজারের সাধারণ নিয়ম হলো—সরবরাহ বাড়লে দামও কমবে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি তেলের মজুত আছে ভেনেজুয়েলায়। তাই দেশটিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বৈশ্বিক তেলের বাজারে কী প্রভাব ফেলবে—এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস গ্রেপ্তার হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে স্পষ্ট হয়েছে—এই অভিযান মূলত তেলের জন্য। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় তেল কোম্পানি ভেনেজুয়েলায় যাবে এবং বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে দেশটির ধ্বংসপ্রায় তেল অবকাঠামো সংস্কার করবে। এতে ভেনেজুয়েলা আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠবে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর কাছেও বড় পরিসরে তেল বিক্রি করবে।
তবে জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, এই নাটকীয় পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক তেল বাজারে বড় কোনো প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, বিশ্বের মোট তেল মজুতের প্রায় ১৮ শতাংশ ভেনেজুয়েলার হলেও দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই সেই মজুতের মাত্র ১ শতাংশ উত্তোলন করতে পেরেছে। এর প্রধান কারণ ভেনেজুয়েলার তেল ‘হেভি অয়েল’, যা উত্তোলন ও পরিশোধনে উন্নত প্রযুক্তি ও উচ্চমানের রিফাইনারি প্রয়োজন। গালফ অঞ্চলের ‘লাইট অয়েল’-এর মতো সহজে পরিশোধনযোগ্য নয় এই তেল।
এ ছাড়া দীর্ঘদিনের মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ভেনেজুয়েলার তেল খাত কার্যত অচল হয়ে আছে। রপ্তানি বন্ধ থাকায় উৎপাদন ও বিনিয়োগ দুটোই কমে গেছে। এখনো স্পষ্ট নয়, মাদুরো সরকারের পতনের পর এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হবে কি না।
সব মিলিয়ে বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও ভেনেজুয়েলার সীমিত উৎপাদন সক্ষমতার কারণে বিশ্ব তেল বাজারে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়বে না। তবে দীর্ঘ মেয়াদে মার্কিন বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। কারণ মার্কিন বিনিয়োগের ফলে ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্রগুলো পুনরুদ্ধার হবে, আধুনিক পরিশোধনাগার স্থাপিত হবে এবং দেশটি থেকে তেলের রপ্তানিও বাড়বে।
বিশেষজ্ঞ মতে, মার্কিন বিনিয়োগ হলে ৩–৫ বছরের মধ্যে ভেনেজুয়েলায় তেলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। এমন হলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহও বাড়বে। আর তেলের বাজারের সাধারণ নিয়ম হলো—সরবরাহ বাড়লে দামও কমবে।

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের লেনদেন শুরুর প্রথম দুই দিনে আমানতকারীরা ১০৭ কোটি টাকার বেশি উত্তোলন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আমানত তুলেছেন এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকেরা।
১৭ মিনিট আগে
সদ্যবিদায়ী বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৯ শতাংশে উঠেছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
১৭ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
১৭ ঘণ্টা আগে