আমদানি বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের নিয়মকানুন আরও সহজ ও পরিষ্কার করতে নতুন সমন্বিত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত এক বছরে আমদানি-সংক্রান্ত যেসব নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো একত্র করে একটি সার্কুলারের আওতায় আনা হয়েছে। এতে আমদানিকারক ও ব্যাংকগুলোকে আলাদা আলাদা সার্কুলার অনুসরণ করতে হবে না।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।
নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট জারি করা ‘এফই সার্কুলার নম্বর-৩৩’ হালনাগাদ করা হয়েছে। গত এক বছরে জারি হওয়া আমদানি-সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা এতে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি লেনদেনের নিয়মকানুন এখন একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে পাওয়া যাবে।
নতুন সার্কুলার জারির সঙ্গে আগের নির্দেশনামূলক সার্কুলারগুলো বাতিল করা হয়েছে। তবে আমদানি-সংক্রান্ত রিপোর্টিংয়ের নিয়ম আগের মতোই কার্যকর থাকবে। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা আগামী এক বছর কার্যকর থাকবে। এই সময়ে নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হলে তা নতুন সমন্বিত সার্কুলারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োগ করা হবে।
নতুন নির্দেশনায় আমদানি বাণিজ্যের প্রায় পুরো প্রক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন রিপোর্টিং, ঋণপত্র বা এলসি খোলা ও পরিচালনা, আমদানির অর্থ পরিশোধের অনুমোদিত পদ্ধতি এবং অগ্রিম অর্থ পাঠানোর নিয়ম।
এ ছাড়া আমদানির পণ্য দেশে আসার পর বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, আমদানি দায় পরিশোধ এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির বিধানও এতে রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নতুন পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি-সংক্রান্ত নথি প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ও যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আমদানি পরিশোধে রপ্তানি আয় ব্যবহারের নিয়ম, বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ এলসি এবং বিশেষায়িত ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের আমদানি-সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ, রুপা, গয়না ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানির নিয়মও নতুন সমন্বিত নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।
আমদানি বিধিমালা এক জায়গায় আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যবসায়ী মহল। তাদের মতে, আলাদা সময়ে জারি করা বিভিন্ন সার্কুলার খুঁজে নিয়ম অনুসরণ করার জটিলতা এতে কমবে। বিশেষ করে ডিজিটাল ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ ও বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়নের মতো নতুন ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় বর্তমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি প্রক্রিয়ার সামঞ্জস্য বাড়বে।
তবে শুধু নতুন সার্কুলার জারি করলেই এর সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের মতে, ব্যাংক ও আমদানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, নতুন সমন্বিত কাঠামো বাস্তবায়ন হলে আমদানি পণ্যের অর্থ পরিশোধ, নথি যাচাই এবং ব্যাংকিং প্রক্রিয়ায় সময় ও জটিলতা কমবে। এতে আমদানি বাণিজ্যে গতি বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ব্যবস্থাপনাও আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হবে।

দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রপ্তানি কোটা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগে অনুমোদন দেওয়া কোটার কতটা বাস্তবে রপ্তানি হয়েছে, তা যাচাই করে অব্যবহৃত অংশ কমানো বা সমন্বয় করা হবে।
১ ঘণ্টা আগে
জিএফবি গ্রুপ ইউএসের অর্থায়নে ও বন্ধু উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ঢাকার ৪০ জন হতদরিদ্র রোগীর চোখের ছানি অপারেশনসহ লেন্স প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর দৃষ্টি আই হসপিটাল মোহাম্মদপুরে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে এই ৪০ রোগীর অপারেশন সম্পন্ন হয়...
৬ ঘণ্টা আগে
ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির ৪৩তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট উদ্যোগকে আরও বেগবান এবং ক্যাশলেস লেনদেনের ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে মার্চেন্টদের নিয়ে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা করেছে বিকাশ। দেশজুড়ে এ পর্যন্ত ৯৭টি এলাকায় আয়োজিত এসব সভায় বিকাশের প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট অংশ নেন।
৮ ঘণ্টা আগে