ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে আলুচাষিরা এখন চরম সংকটে পড়েছেন। বাজারে আলুর দাম কমেছে। এদিকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের অবস্থা আরও করুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কয়েক দিন ধরে জেলার ১৭টি হিমাগারের আলু সংরক্ষণের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সম্প্রতি বিক্ষোভ করছেন চাষিরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঠের পর মাঠ আলু পড়ে রয়েছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। কৃষকেরা বাধ্য হয়ে প্রতি কেজি আলু ৮ থেকে ১১ টাকায় বিক্রি করছেন, যা তাঁদের উৎপাদন খরচের অর্ধেকের কম। কৃষকেরা বলছেন, এভাবে আলু বিক্রি করে তাঁদের কোনো লাভ হচ্ছে না, বরং লোকসান গুনতে হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, এ বছর আলু উৎপাদনে খরচ অনেক বেড়েছে। মৌসুমের শুরুতে বীজ, সার ও কীটনাশক কিনতে হয়েছে চড়া দামে। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় আলু সংরক্ষণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার কচুবাড়ি এলাকার আলুচাষি হাসান আলী, মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কয়েকজন কৃষক জানান, আগে তাঁরা হিমাগারে এক বস্তায় ৭০ থেকে ৮০ কেজি আলু রাখতেন, এতে তাঁদের ২৮০ টাকা ভাড়া দিতে হতো। কিন্তু এখন হিমাগারের মালিকেরা বলছেন, এক বস্তায় ৫০ কেজির বেশি আলু রাখা যাবে না এবং প্রতি কেজি আলুর জন্য ৮ টাকা ভাড়া দিতে হবে।
সালান্দর এলাকার কৃষক অহিদুল ও মনির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত বছর তাঁরা এক বস্তায় ৮০ কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা ভাড়া দিতেন, এ বছর ৫০ কেজির জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা। তাঁরা মনে করেন, হিমাগারের মালিকেরা পরিকল্পিতভাবে ভাড়া বাড়িয়েছেন, যাতে কৃষকেরা কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন।
ঠাকুরগাঁও কোল্ড স্টোরেজ মালিক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ জানান, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওপর থেকে নির্দেশ না এলে ভাড়া কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক গোলাম সারোয়ার রবিন ভাড়া বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ বছর বিদ্যুতের খরচ, শ্রমিকের খরচ ও কর্মচারীদের বেতন বেড়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকের সুদের হার ৯ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ হয়েছে। এসব কারণে কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের খরচ অনেক বেড়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইশরাত ফারজানা জানান, তিনি আলুচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, কোল্ড স্টোরেজ মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে আলুচাষিরা এখন চরম সংকটে পড়েছেন। বাজারে আলুর দাম কমেছে। এদিকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের অবস্থা আরও করুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় কয়েক দিন ধরে জেলার ১৭টি হিমাগারের আলু সংরক্ষণের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে সম্প্রতি বিক্ষোভ করছেন চাষিরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঠের পর মাঠ আলু পড়ে রয়েছে, কিন্তু ক্রেতা নেই। কৃষকেরা বাধ্য হয়ে প্রতি কেজি আলু ৮ থেকে ১১ টাকায় বিক্রি করছেন, যা তাঁদের উৎপাদন খরচের অর্ধেকের কম। কৃষকেরা বলছেন, এভাবে আলু বিক্রি করে তাঁদের কোনো লাভ হচ্ছে না, বরং লোকসান গুনতে হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, এ বছর আলু উৎপাদনে খরচ অনেক বেড়েছে। মৌসুমের শুরুতে বীজ, সার ও কীটনাশক কিনতে হয়েছে চড়া দামে। তার ওপর হিমাগারের ভাড়া বাড়ানোয় আলু সংরক্ষণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলার কচুবাড়ি এলাকার আলুচাষি হাসান আলী, মোয়াজ্জেম হোসেনসহ কয়েকজন কৃষক জানান, আগে তাঁরা হিমাগারে এক বস্তায় ৭০ থেকে ৮০ কেজি আলু রাখতেন, এতে তাঁদের ২৮০ টাকা ভাড়া দিতে হতো। কিন্তু এখন হিমাগারের মালিকেরা বলছেন, এক বস্তায় ৫০ কেজির বেশি আলু রাখা যাবে না এবং প্রতি কেজি আলুর জন্য ৮ টাকা ভাড়া দিতে হবে।
সালান্দর এলাকার কৃষক অহিদুল ও মনির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত বছর তাঁরা এক বস্তায় ৮০ কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা ভাড়া দিতেন, এ বছর ৫০ কেজির জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০০ টাকা। তাঁরা মনে করেন, হিমাগারের মালিকেরা পরিকল্পিতভাবে ভাড়া বাড়িয়েছেন, যাতে কৃষকেরা কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন।
ঠাকুরগাঁও কোল্ড স্টোরেজ মালিক সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ জানান, বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ওপর থেকে নির্দেশ না এলে ভাড়া কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক গোলাম সারোয়ার রবিন ভাড়া বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ বছর বিদ্যুতের খরচ, শ্রমিকের খরচ ও কর্মচারীদের বেতন বেড়েছে। এ ছাড়া ব্যাংকের সুদের হার ৯ থেকে বেড়ে ১৫ শতাংশ হয়েছে। এসব কারণে কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণের খরচ অনেক বেড়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইশরাত ফারজানা জানান, তিনি আলুচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, কোল্ড স্টোরেজ মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে