
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলায় ওসিসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিপেটাসহ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নাগরপুর সরকারি কলেজ গেটের সামনে এই সংঘর্ষ হয়।
আজ সকালে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপজেলা গেট থেকে শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে নাগরপুর সরকারি কলেজ গেটের সামনে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিপেটা করে। পরে শিক্ষার্থীরা নাগরপুর বাজারের সদর সড়কে মিছিল নিয়ে গেলে সেখানেও পুলিশ লাঠিপেটা করে। তৃতীয় দফায় শিক্ষার্থীরা তলতলা সড়কে অবস্থান নিলে সেখানে পুলিশ ও ছাত্রদের মাঝে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ সময় বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ঘটনায় নাগরপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তিনটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পুলিশের লাঠিপেটায় আহত ছাত্ররা হলেন প্রধান সমন্বয়ক মো. জাহিদ হাসান, মিঠু, ফাহিম, মো. রাফি ও সামিম।
আন্দোলনে স্থানীয় সমন্বয়ক মো. জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছিলাম। পুলিশ ও ছাত্রলীগ বিনা উসকানিতে আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর হামলা করে। এ হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল (শুক্রবার) বেলা ৩টায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে।’
ছাত্রদের লাঠিপেটা প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের মিছিল সরকারি কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে তাঁদের মিছিল না করতে ও শান্ত থাকতে বলা হয়। কিন্তু তবু তাঁরা মিছিল করে বাজারে আতঙ্ক ছাড়ানোসহ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

পরিবারের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন সাভারের আল-মুসলিম গ্রুপের কর্মী হাসনা হেনা। কিন্তু ছুটির মধ্যেই মোবাইল ফোনে কর্মস্থল থেকে পাঠানো একটি খুদে বার্তায় জানতে পারেন, বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী তাঁকে ছাঁটাই করা হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়াসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালয়েশিয়াগামী একটি বোট থেকে ৫০ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে আটক করা হয়।
৬ মিনিট আগে
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় কয়েক দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে ও রাতে বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক, রোগী ও কর্মজীবী মানুষ।
৩৪ মিনিট আগে
ঈদ-পরবর্তী সময়ে সড়কে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড় যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে যানজট আর ভোগান্তিও। সেই ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই এখন বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন নৌপথ। যমুনা নদী পেরিয়ে নৌকায় টাঙ্গাইল হয়ে ঢাকায় ফিরছেন শত শত মানুষ।
১ ঘণ্টা আগে