শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল সমাবেশ করেছে সংগঠনটি। বিষয়টিকে প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন সাময়িক নিষিদ্ধ। আজ প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা স্যার এ এফ রহমান হলের সাহিত্য ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রদল।
বেলা ২টার দিকে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিসি ভবনের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদল প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই একরকম বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। আজও তারা ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি পালন করেছে, অথচ এ জন্য আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। আমরা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে জানিয়েছি এবং খুব শিগগির এ নিয়ে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ২৫ এপ্রিল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রসঙ্গে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রক্টর স্যার বর্তমানে অসুস্থ থাকায় আমি এখনো খোঁজ নিতে পারিনি।’
অপর দিকে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতি নিইনি। এটি ছিল আমাদের ভাইয়ের হত্যার প্রতিবাদ—একটি নৈতিক অবস্থান থেকে করা কর্মসূচি। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মিছিল সমাবেশ করেছে সংগঠনটি। বিষয়টিকে প্রশাসনের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন সাময়িক নিষিদ্ধ। আজ প্রশাসনের অনুমতি না নিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা স্যার এ এফ রহমান হলের সাহিত্য ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক সাম্য হত্যার বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রদল।
বেলা ২টার দিকে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিসি ভবনের সামনে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ড. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদল প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই একরকম বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। আজও তারা ক্যাম্পাসে দলীয় ব্যানারে কর্মসূচি পালন করেছে, অথচ এ জন্য আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। আমরা বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে জানিয়েছি এবং খুব শিগগির এ নিয়ে জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এর আগে গত ২৫ এপ্রিল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকারকে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রসঙ্গে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রক্টর স্যার বর্তমানে অসুস্থ থাকায় আমি এখনো খোঁজ নিতে পারিনি।’
অপর দিকে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাঈম সরকার বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের কোনো অনুমতি নিইনি। এটি ছিল আমাদের ভাইয়ের হত্যার প্রতিবাদ—একটি নৈতিক অবস্থান থেকে করা কর্মসূচি। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সব সময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে