জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ২০ জানুয়ারি আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুটি হলের আসন বরাদ্দ ও চাবি হস্তান্তর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
এরপর এক নোটিশে জানানো হয়, হলে উঠতে সংস্থাপন ফি বাবদ ১ হাজার টাকা, জামানত (ফেরতযোগ্য) ৫০০ টাকা এবং সিট ভাড়া (এক মাস) ২০০ টাকা করে দিতে হবে।
এরপর থেকেই ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে আলোচনার ঝড় চলছে। যেখানে ভর্তির সময় আবাসিক হল চার্জ বাবদ ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, এখন আবার নতুন করে সংস্থাপন ফি নেওয়া হচ্ছে। এই সংস্থাপন ফি কী সেটি জানতে চান শিক্ষার্থীরা। আর মাসিক ফি বাবদ ২০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে যা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ থেকে ৬০ টাকা।
তবে হলের ফি আদায় রসিদ ঘেঁটে দেখা যায়, সংস্থাপন ফির কথা উল্লেখ থাকলেও সংযুক্তি ফি নামে কোনো ফি উল্লেখ নেই। অর্থাৎ কী বাবদ ফি আদায় করা হচ্ছে প্রশাসনও এর কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারছে না।
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তৈয়ব শাহানুর বলেন, ‘হলে বেশ কিছু অযাচিত ফি চাওয়া হয়েছে। ভর্তির সময় আমরা হল সংযুক্তি ফি দিয়েই ভর্তি হয়েছি, এখন আবার সংস্থাপন ফির নামে নতুন ফি চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের মাসিক ফি ২০ / ৩০ বা ৫০ / ৬০ টাকা। অথচ এখানে চাওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। এটা অসংগতিপূর্ণ। আমরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ৫০ টাকার ভেতরে মাসিক ফি চাই।’
পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘অপ্রত্যাশিত বিষয় হচ্ছে, হল ফি নির্ধারণ। সংস্থাপন ফি নামে যে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে সেটি কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে? এর যুক্তিসংগত কোনো কারণ নেই। এই অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য অনেকের নেই। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত হলের জন্য সংস্থাপনের টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া যুক্তিসম্মত মনে করছে না অনেকেই। আর ২০০ টাকা মাসিক ফি কমিয়ে ৫০ টাকা করার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলেদের দুই আবাসিক হলের প্রভোস্টরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় হলের ফি আদায় রসিদে যে ১ হাজার ১৫০ টাকা নেওয়া হয়েছিল সেটি ছিল সংযুক্তি ফি। আর এখন যে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে সেটা সংস্থাপন ফি। তবে সংস্থাপন ফি নেওয়ার পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তাঁরা।
রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবিরের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি বলেন, ‘এই দুটি ফির বিষয়ে আমার যথেষ্ট স্টাডি নেই।’

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ২০ জানুয়ারি আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুটি হলের আসন বরাদ্দ ও চাবি হস্তান্তর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
এরপর এক নোটিশে জানানো হয়, হলে উঠতে সংস্থাপন ফি বাবদ ১ হাজার টাকা, জামানত (ফেরতযোগ্য) ৫০০ টাকা এবং সিট ভাড়া (এক মাস) ২০০ টাকা করে দিতে হবে।
এরপর থেকেই ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে আলোচনার ঝড় চলছে। যেখানে ভর্তির সময় আবাসিক হল চার্জ বাবদ ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছে, এখন আবার নতুন করে সংস্থাপন ফি নেওয়া হচ্ছে। এই সংস্থাপন ফি কী সেটি জানতে চান শিক্ষার্থীরা। আর মাসিক ফি বাবদ ২০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে যা অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ থেকে ৬০ টাকা।
তবে হলের ফি আদায় রসিদ ঘেঁটে দেখা যায়, সংস্থাপন ফির কথা উল্লেখ থাকলেও সংযুক্তি ফি নামে কোনো ফি উল্লেখ নেই। অর্থাৎ কী বাবদ ফি আদায় করা হচ্ছে প্রশাসনও এর কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারছে না।
আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তৈয়ব শাহানুর বলেন, ‘হলে বেশ কিছু অযাচিত ফি চাওয়া হয়েছে। ভর্তির সময় আমরা হল সংযুক্তি ফি দিয়েই ভর্তি হয়েছি, এখন আবার সংস্থাপন ফির নামে নতুন ফি চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের মাসিক ফি ২০ / ৩০ বা ৫০ / ৬০ টাকা। অথচ এখানে চাওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। এটা অসংগতিপূর্ণ। আমরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো ৫০ টাকার ভেতরে মাসিক ফি চাই।’
পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘অপ্রত্যাশিত বিষয় হচ্ছে, হল ফি নির্ধারণ। সংস্থাপন ফি নামে যে ১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে সেটি কোন খাতে নেওয়া হচ্ছে? এর যুক্তিসংগত কোনো কারণ নেই। এই অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার সামর্থ্য অনেকের নেই। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত হলের জন্য সংস্থাপনের টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া যুক্তিসম্মত মনে করছে না অনেকেই। আর ২০০ টাকা মাসিক ফি কমিয়ে ৫০ টাকা করার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলেদের দুই আবাসিক হলের প্রভোস্টরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় হলের ফি আদায় রসিদে যে ১ হাজার ১৫০ টাকা নেওয়া হয়েছিল সেটি ছিল সংযুক্তি ফি। আর এখন যে ১ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে সেটা সংস্থাপন ফি। তবে সংস্থাপন ফি নেওয়ার পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তাঁরা।
রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবিরের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি বলেন, ‘এই দুটি ফির বিষয়ে আমার যথেষ্ট স্টাডি নেই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে