নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে জেলা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ঝাড়ু মিছিল করেছেন একাংশের নেতারা।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা মিছিল বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় নেতা-কর্মীদের হাতে ঝাড়ু নিয়ে কমিটির বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়।
নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র-জুনিয়র সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। বহিষ্কৃত ও বিতর্কিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়ায় তৃতীয় শক্তি দলের ভেতরে সুযোগ নেবে। তাই এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তাঁরা।
তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে শীর্ষ নেতাসহ সকলের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। ত্যাগী, পরীক্ষিত ও যোগ্যরা কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। দেশের যুবকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন যুবদল, সবাইকেতো আর খুশি করা যাবে না। দুই-একজন বিক্ষুব্ধ থাকতে পারেন। এটা ঠিক হয়ে যাবে।’
এর আগে বুধবার রাতে অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিনকে সভাপতি ও মোহাম্মদ মকসুদ আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৯১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল সিলেট জেলা শাখা এবং শাহনেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেককে সভাপতি ও মির্জা মো. সম্রাট হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। ২০২২ সালের ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে কাউন্সিলের মাধ্যমে মোমিন-মকসুদ, শাহনেওয়াজ তারেক-মির্জা সম্রাট নির্বাচিত হলেও গত দুই বছরে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেননি।
বুধবার রাতেও ঘোষিত জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সিলেটে ঝাড়ু মিছিল করে যুবদলের একাংশের পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা।
এদিকে মহানগর সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলছেন পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি—কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়ন, যুবলীগ নেতা ও বিতর্কিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। তবে মহানগর কমিটি প্রত্যাখ্যান বা এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। দুই-একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করছেন।
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহনেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেক ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তাঁরা রিসিভ করেননি।

সিলেটে জেলা যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ঝাড়ু মিছিল করেছেন একাংশের নেতারা।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা মিছিল বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় নেতা-কর্মীদের হাতে ঝাড়ু নিয়ে কমিটির বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায়।
নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। এছাড়া কমিটিতে সিনিয়র-জুনিয়র সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এতে করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে। বহিষ্কৃত ও বিতর্কিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়ায় তৃতীয় শক্তি দলের ভেতরে সুযোগ নেবে। তাই এই কমিটি প্রত্যাখ্যান করেছেন তাঁরা।
তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা যুবদল সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে শীর্ষ নেতাসহ সকলের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। ত্যাগী, পরীক্ষিত ও যোগ্যরা কমিটিতে স্থান পেয়েছেন। দেশের যুবকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন যুবদল, সবাইকেতো আর খুশি করা যাবে না। দুই-একজন বিক্ষুব্ধ থাকতে পারেন। এটা ঠিক হয়ে যাবে।’
এর আগে বুধবার রাতে অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিনকে সভাপতি ও মোহাম্মদ মকসুদ আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৯১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল সিলেট জেলা শাখা এবং শাহনেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেককে সভাপতি ও মির্জা মো. সম্রাট হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩০১ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। ২০২২ সালের ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে কাউন্সিলের মাধ্যমে মোমিন-মকসুদ, শাহনেওয়াজ তারেক-মির্জা সম্রাট নির্বাচিত হলেও গত দুই বছরে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে পারেননি।
বুধবার রাতেও ঘোষিত জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রত্যাখ্যান করে সিলেটে ঝাড়ু মিছিল করে যুবদলের একাংশের পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা।
এদিকে মহানগর সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলছেন পদ বঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি—কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতা কর্মীদের অবমূল্যায়ন, যুবলীগ নেতা ও বিতর্কিতদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। তবে মহানগর কমিটি প্রত্যাখ্যান বা এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি। দুই-একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি করছেন।
এ বিষয়ে সিলেট মহানগর যুবদলের সভাপতি শাহনেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেক ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা মো. সম্রাট হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তাঁরা রিসিভ করেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে