নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দুনিয়ার জেলকে তাঁরা পরোয়া করেন না। তাঁদের নেতাদের ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁরা বলতেন আলহামদুলিল্লাহ। ফাঁসির দড়ি তাঁদের কাছে জুতার ফিতার মতো। তাঁরা স্বেচ্ছায় ফাঁসির তক্তায় গিয়ে দাঁড়াতেন।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি জুবিলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আজ শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অনেকেই আমাদের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট ছাড়া অমুক দেশে-তমুক দেশে পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু তাঁরাই এখন পালিয়ে গেলেন পাসপোর্ট, ভিসা ছাড়া।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুনিয়ার জেলকে আমরা পরোয়া করি না। আমাদের মাথার তাজ পাঁচজন নেতাকে একে একে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ফাঁসির দড়ি তাঁদের কাছে জুতার ফিতার মতো। ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁরা বলতেন আলহামদুলিল্লাহ। ফাঁসির দিন সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন দেখা করতেন। তখন পরিবারের লোকজনদের সান্ত্বনা দিতেন তাঁরা। সবকিছু সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁরা দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন। তাঁরা স্বেচ্ছায় ফাঁসির তক্তায় গিয়ে দাঁড়াতেন। তাঁরা দুনিয়ার কোনোও অপশক্তির কাছে আপস করেননি। তাঁরা আল্লাহর দরবারে আত্মাহুতি দিয়েছেন।’
জুলাই-আগস্টের বিপ্লবসহ দেশের সব গণহত্যার বিচার দাবি করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদেরকে গুম করা হয়েছিল বা এখনো যাদের গুম করে রাখা হয়েছে, এ দুটি অপরাধের বিচার করতে হবে। অন্য বিচার আস্তে আস্তে হোক, সেগুলোতে আমাদের অসুবিধা নাই। কিন্তু অগ্রাধিকার দিয়ে গণহত্যা-গুমের বিচার খুব দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীরা ৫ আগস্টের পর থেকে টানা ১৫ দিন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পাহারা দিয়েছে। সব ধর্মের মানুষের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে। গত জালেম সরকার ১০ হাজার রাজাকারের তালিকা তৈরি করেছে। সেই তালিকায় ৮০ ভাগ লোকই আওয়ামী লীগের।’
জামায়াতকে নিয়ে নানা সমালোচনা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের বেশি বেশি সমালোচনা করুন। সমালোচনা করলে আমাদের কাজের গতি আরও বাড়বে। আমরা যদি ভালো কাজ করতে না পারি, তাহলে আমাদের ছেড়ে যাবেন। আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারলে সুনামগঞ্জকে উন্নয়নের গতিতে এগিয়ে নিয়ে আসা হবে।’
সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. আব্দল্লাহ ও জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য রেজাউল করিম যৌথ সঞ্চালনা করেন। জেলা আমির মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন এতে সভাপতিত্ব করেন।

কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, সিলেট মহানগর আমির মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা আমির হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শিশির মনির, সিলেট মহানগর শিবির সভাপতি শাহীন আহমেদ, আব্দুস সালাম আল মাদানি, সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোমতাজুল হাসান আবেদ, মো. শামস উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা আমির ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা আমির মোখলেছুর রহমান, ’২৪-এর গণ-আন্দোলনে শহীদ সোহাগের বাবা আবুল কালাম প্রমুখ।
কর্মী সম্মেলনে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনে আসেন বাংলাদেশ জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী নেতাদের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দুনিয়ার জেলকে তাঁরা পরোয়া করেন না। তাঁদের নেতাদের ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁরা বলতেন আলহামদুলিল্লাহ। ফাঁসির দড়ি তাঁদের কাছে জুতার ফিতার মতো। তাঁরা স্বেচ্ছায় ফাঁসির তক্তায় গিয়ে দাঁড়াতেন।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি জুবিলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আজ শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অনেকেই আমাদের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট ছাড়া অমুক দেশে-তমুক দেশে পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু তাঁরাই এখন পালিয়ে গেলেন পাসপোর্ট, ভিসা ছাড়া।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুনিয়ার জেলকে আমরা পরোয়া করি না। আমাদের মাথার তাজ পাঁচজন নেতাকে একে একে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ফাঁসির দড়ি তাঁদের কাছে জুতার ফিতার মতো। ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর তাঁরা বলতেন আলহামদুলিল্লাহ। ফাঁসির দিন সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন দেখা করতেন। তখন পরিবারের লোকজনদের সান্ত্বনা দিতেন তাঁরা। সবকিছু সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁরা দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন। তাঁরা স্বেচ্ছায় ফাঁসির তক্তায় গিয়ে দাঁড়াতেন। তাঁরা দুনিয়ার কোনোও অপশক্তির কাছে আপস করেননি। তাঁরা আল্লাহর দরবারে আত্মাহুতি দিয়েছেন।’
জুলাই-আগস্টের বিপ্লবসহ দেশের সব গণহত্যার বিচার দাবি করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদেরকে গুম করা হয়েছিল বা এখনো যাদের গুম করে রাখা হয়েছে, এ দুটি অপরাধের বিচার করতে হবে। অন্য বিচার আস্তে আস্তে হোক, সেগুলোতে আমাদের অসুবিধা নাই। কিন্তু অগ্রাধিকার দিয়ে গণহত্যা-গুমের বিচার খুব দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা-কর্মীরা ৫ আগস্টের পর থেকে টানা ১৫ দিন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পাহারা দিয়েছে। সব ধর্মের মানুষের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে। গত জালেম সরকার ১০ হাজার রাজাকারের তালিকা তৈরি করেছে। সেই তালিকায় ৮০ ভাগ লোকই আওয়ামী লীগের।’
জামায়াতকে নিয়ে নানা সমালোচনা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের বেশি বেশি সমালোচনা করুন। সমালোচনা করলে আমাদের কাজের গতি আরও বাড়বে। আমরা যদি ভালো কাজ করতে না পারি, তাহলে আমাদের ছেড়ে যাবেন। আমরা জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারলে সুনামগঞ্জকে উন্নয়নের গতিতে এগিয়ে নিয়ে আসা হবে।’
সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. আব্দল্লাহ ও জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য রেজাউল করিম যৌথ সঞ্চালনা করেন। জেলা আমির মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন এতে সভাপতিত্ব করেন।

কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, সিলেট মহানগর আমির মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা আমির হাবিবুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শিশির মনির, সিলেট মহানগর শিবির সভাপতি শাহীন আহমেদ, আব্দুস সালাম আল মাদানি, সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোমতাজুল হাসান আবেদ, মো. শামস উদ্দিন, মৌলভীবাজার জেলা আমির ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা আমির মোখলেছুর রহমান, ’২৪-এর গণ-আন্দোলনে শহীদ সোহাগের বাবা আবুল কালাম প্রমুখ।
কর্মী সম্মেলনে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেন। দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনে আসেন বাংলাদেশ জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে