সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি জবান আলীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার ১০ বছর পর আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে মামলা করেন যুবদল নেতা জবান আলীর বড় ভাই আব্দুল হামিদ। মামলার এজাহারে এ তথ্য উল্লেখ করা আছে।
মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা আছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবীদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ হাজী মাসুদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবীদুল ইসলামের ভাই আব্দুল মমিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রিগেন তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজল মন্ডল, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বেলাল হোসেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নাসির উদ্দিন মামলার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের বিচারক বিল্লাল হোসাইন মামলাটির শুনানি করেছেন। কাগজপত্র দেখে পরে আদেশ দেবেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে মামলার বাদী ও তাঁর ভাই জবান আলীর রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে আসামিরা যুবদল নেতা জবান আলীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে জবান আলীকে মারপিট করে হত্যা করে লাশ গুম করবে বলে পরিকল্পনা করে।
২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি জবান আলী ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় য়ায়। ১৯ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ফিরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের কড্ডার মোড়ে পৌঁছালে আসামিরা দুটি মাইক্রোবাসে জবান আলীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে আসামিরা জবান আলীর মোবাইল ফোন থেকে তাঁর ভাই আব্দুল হামিদের মোবাইলে ফোন দিয়ে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
২০ জানুয়ারি বিকেলে আসামি নবীদুল ইসলামের বাড়িতে, হাজী মাসুদ, আব্দুল মমিন, মজনু ও রিগেন তালুকদারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়। তারপরও আসামিরা তাকে মুক্তি দেয়নি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুজির পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সদর উপজেলার কোনাগাতী ব্রিজ এলাকায় জবান আলীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে চাইলে আসামিরা পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখায় এবং তাদেরও হত্যার হুমকি দেয়। এ কারণে ঘটনার সময় মামলা করতে পারেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি জবান আলীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার ১০ বছর পর আজ মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জ সদর আমলী আদালতে মামলা করেন যুবদল নেতা জবান আলীর বড় ভাই আব্দুল হামিদ। মামলার এজাহারে এ তথ্য উল্লেখ করা আছে।
মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা আছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবীদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ হাজী মাসুদ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নবীদুল ইসলামের ভাই আব্দুল মমিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রিগেন তালুকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আজিজল মন্ডল, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বেলাল হোসেন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নাসির উদ্দিন মামলার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আদালতের বিচারক বিল্লাল হোসাইন মামলাটির শুনানি করেছেন। কাগজপত্র দেখে পরে আদেশ দেবেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে মামলার বাদী ও তাঁর ভাই জবান আলীর রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে আসামিরা যুবদল নেতা জবান আলীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে জবান আলীকে মারপিট করে হত্যা করে লাশ গুম করবে বলে পরিকল্পনা করে।
২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি জবান আলী ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় য়ায়। ১৯ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ফিরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের কড্ডার মোড়ে পৌঁছালে আসামিরা দুটি মাইক্রোবাসে জবান আলীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে আসামিরা জবান আলীর মোবাইল ফোন থেকে তাঁর ভাই আব্দুল হামিদের মোবাইলে ফোন দিয়ে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
২০ জানুয়ারি বিকেলে আসামি নবীদুল ইসলামের বাড়িতে, হাজী মাসুদ, আব্দুল মমিন, মজনু ও রিগেন তালুকদারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হয়। তারপরও আসামিরা তাকে মুক্তি দেয়নি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুজির পর ২০১৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে সদর উপজেলার কোনাগাতী ব্রিজ এলাকায় জবান আলীর লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে চাইলে আসামিরা পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখায় এবং তাদেরও হত্যার হুমকি দেয়। এ কারণে ঘটনার সময় মামলা করতে পারেনি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একের পর এক বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের। এবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এক শিক্ষকের টাঙানো ব্যানার খুলে নিজের ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন রাকসুর এই নেতা।
৯ মিনিট আগে
রংপুরের বদরগঞ্জে তিন দিন আগে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী নারীর লাশের পরিচয় মিলেছে। নিহত নারীর নাম মোছা. রিয়া। তিনি একজন পোশাককর্মী বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। আজ রোববার দুপুরে পুলিশ তাঁর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে জালিয়াতি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে সংস্থাটি।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির মহাসমাবেশে যোগ দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২৫ জানুয়ারির এই মহাসমাবেশ ঘিরে নগর বিএনপি নানা প্রস্তুতি ও কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই মহাসমাবেশে ১০ লাখ লোকের সমাগম ঘটাতে চান দলটির নেতা-কর্মীরা।
১ ঘণ্টা আগে