নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বন্য হাতির আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে গিয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের এক সদস্যসহ দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বুরুঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বুরুঙ্গা গ্রামের মৃত কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়া (৩৫) ও কালাপানি গ্রামের আলম মিয়া (৩৭)।
বন বিভাগ, আহত কৃষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও, বুরুঙ্গা, কালাপানি ও পানিহাটা গ্রামে ভারতের সীমান্তঘেঁষা ২৫০ একর জমিতে দুই শতাধিক কৃষক বোরো ধান আবাদ করেছেন। কিন্তু বুরুঙ্গা, মৌচাক, চৌকিদার টিলা, ডালুকোনা, নাকুগাঁও ও পানিহাটা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি জঙ্গলে দুই সপ্তাহ ধরে শতাধিক বন্য হাতির একটি দল তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। হাতির পাল খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে আসছে। এ সময় খেতের ধান খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করছে।
পরে গতকাল শনিবার সকালে পাহাড় থেকে বুরুঙ্গা এলাকায় ৪০-৪৫টি হাতির একটি পাল ধান খেতে নেমে আসে। এ সময় এলাকাবাসী ও বুরুঙ্গা এলাকার এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা ঢাকঢোল পিটিয়ে হাতির দলকে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে হাতির দল তেড়ে এলে হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। এতে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়ার বাঁ পা ভেঙে যায় এবং কৃষক আলম মিয়া কোমরে আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়া বলেন, ‘হাতি আমার দিকে তেড়ে এলে আমি দৌড় দেই। সঙ্গে ছিল কৃষক আলম। আলম কচুরিপানাভর্তি ডোবায় নেমে পড়ে। একটা হাতি শুঁড় দিয়ে আমাকে পেছন থেকে জেরে আঘাত করে। এতে আমি ১০ হাত দূরে খেতে আছড়ে পড়ি। এতে পা ভেঙে যায়। পরে হাতির দল ফিরে যায়।’
বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্য হাতির তাড়া খেয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের এক সদস্যের পা ভেঙে গেছে। আরেকজন সামান্য আহত হয়েছেন। আমি তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বন বিভাগের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আশা করছি তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাবেন।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় বন্য হাতির আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে গিয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের এক সদস্যসহ দুজন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বুরুঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বুরুঙ্গা গ্রামের মৃত কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়া (৩৫) ও কালাপানি গ্রামের আলম মিয়া (৩৭)।
বন বিভাগ, আহত কৃষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও, বুরুঙ্গা, কালাপানি ও পানিহাটা গ্রামে ভারতের সীমান্তঘেঁষা ২৫০ একর জমিতে দুই শতাধিক কৃষক বোরো ধান আবাদ করেছেন। কিন্তু বুরুঙ্গা, মৌচাক, চৌকিদার টিলা, ডালুকোনা, নাকুগাঁও ও পানিহাটা সীমান্তবর্তী পাহাড়ি জঙ্গলে দুই সপ্তাহ ধরে শতাধিক বন্য হাতির একটি দল তিনটি ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। হাতির পাল খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে নেমে আসছে। এ সময় খেতের ধান খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করছে।
পরে গতকাল শনিবার সকালে পাহাড় থেকে বুরুঙ্গা এলাকায় ৪০-৪৫টি হাতির একটি পাল ধান খেতে নেমে আসে। এ সময় এলাকাবাসী ও বুরুঙ্গা এলাকার এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা ঢাকঢোল পিটিয়ে হাতির দলকে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে হাতির দল তেড়ে এলে হাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন স্থানীয়রা। এতে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়ার বাঁ পা ভেঙে যায় এবং কৃষক আলম মিয়া কোমরে আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য খলিল মিয়া বলেন, ‘হাতি আমার দিকে তেড়ে এলে আমি দৌড় দেই। সঙ্গে ছিল কৃষক আলম। আলম কচুরিপানাভর্তি ডোবায় নেমে পড়ে। একটা হাতি শুঁড় দিয়ে আমাকে পেছন থেকে জেরে আঘাত করে। এতে আমি ১০ হাত দূরে খেতে আছড়ে পড়ি। এতে পা ভেঙে যায়। পরে হাতির দল ফিরে যায়।’
বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্য হাতির তাড়া খেয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের এক সদস্যের পা ভেঙে গেছে। আরেকজন সামান্য আহত হয়েছেন। আমি তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বন বিভাগের কাছে আবেদন করতে বলা হয়েছে। আশা করছি তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাবেন।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২৯ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৩৩ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩৮ মিনিট আগে