গোসাইরহাট (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হক বলেছেন, ‘জেলা পুলিশের মিডিয়া মনিটরিং সেল আছে, যেখানে প্রতিনিয়ত আমরা শরীয়তপুরে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়াতে কে কী লিখছে, কী পোস্ট করছে, তা আমরা মনিটর করছি। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে কী লাইক দিচ্ছি, কী শেয়ার দিচ্ছি, কী পোস্ট করছি, কী কমেন্ট করছি সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক, সজাগ এবং সচেতন থাকব।’
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোসাইরহাট উপজেলা সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির আয়োজনে সরকারি শামসুর রহমান কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসপি এ কথা বলেন।
দুর্নীতি, ধর্মীয় উগ্রবাদ, সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, নারী নির্যাতন, মাদক, বাল্যবিবাহ বিরোধী ও সামাজিক-সম্প্রতি রক্ষার্থে আয়োজন করা হয় ওই সমাবেশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফী বিন কবিরের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন দাশ গুপ্তের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হক। তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ না থাকলে মানুষ একে অন্যকে ভালোবাসে না। অন্যের কল্যাণ কামনা করে না। স্বীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্যের প্রতি অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতন করতেও দ্বিধাবোধ করে না।’
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, ‘প্রতিটি ধর্মেই সম্প্রীতির কথা আছে। ইসলাম ধর্মে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কথা বলা আছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসেও সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। তাই নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে যথাযথভাবে এগুলো অনুশীলন করতে হবে।’
সামাজিক-সম্প্রীতি সমাবেশে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা। তাঁরা বলেন, আমাদের সমাজে বহু ধর্ম, ভাষা ও জাতির বসবাস। সমাজে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বসবাস করলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।
সমাবেশে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) আবু সাঈদ, সরকারি শামসুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মো. আবুল খায়ের ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, গোসাইরহাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম সিকদার প্রমুখ।
এ ছাড়া সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী, সাংবাদিক, বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।

শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হক বলেছেন, ‘জেলা পুলিশের মিডিয়া মনিটরিং সেল আছে, যেখানে প্রতিনিয়ত আমরা শরীয়তপুরে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়াতে কে কী লিখছে, কী পোস্ট করছে, তা আমরা মনিটর করছি। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে কী লাইক দিচ্ছি, কী শেয়ার দিচ্ছি, কী পোস্ট করছি, কী কমেন্ট করছি সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক, সজাগ এবং সচেতন থাকব।’
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোসাইরহাট উপজেলা সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির আয়োজনে সরকারি শামসুর রহমান কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসপি এ কথা বলেন।
দুর্নীতি, ধর্মীয় উগ্রবাদ, সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, নারী নির্যাতন, মাদক, বাল্যবিবাহ বিরোধী ও সামাজিক-সম্প্রতি রক্ষার্থে আয়োজন করা হয় ওই সমাবেশ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফী বিন কবিরের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুজন দাশ গুপ্তের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল হক। তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ না থাকলে মানুষ একে অন্যকে ভালোবাসে না। অন্যের কল্যাণ কামনা করে না। স্বীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য অন্যের প্রতি অন্যায়, অত্যাচার ও নির্যাতন করতেও দ্বিধাবোধ করে না।’
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান বলেন, ‘প্রতিটি ধর্মেই সম্প্রীতির কথা আছে। ইসলাম ধর্মে অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কথা বলা আছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসেও সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। তাই নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে যথাযথভাবে এগুলো অনুশীলন করতে হবে।’
সামাজিক-সম্প্রীতি সমাবেশে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ গঠনের আহ্বান জানান বক্তারা। তাঁরা বলেন, আমাদের সমাজে বহু ধর্ম, ভাষা ও জাতির বসবাস। সমাজে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বসবাস করলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।
সমাবেশে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) আবু সাঈদ, সরকারি শামসুর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফজলুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মো. আবুল খায়ের ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, গোসাইরহাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম সিকদার প্রমুখ।
এ ছাড়া সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, পেশাজীবী, সাংবাদিক, বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশ নেন।

নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
২ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে