
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানোর সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে ধুনট উপজেলার এলেঙ্গী বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ধুনট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আব্দুল করিম জানান, শনিবার বিকেলে এলেঙ্গী বাজারে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা আতাউর রহমান পলাশের নেতৃত্বে এলেঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী সেখানে এসে প্রচারণা বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে জামায়াত নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান।
হামলায় জামায়াতে ইসলামীর জিয়াউর রহমান ঠান্ডু (৪৫), আইয়ুব আলী (৪৯), মাসুদ রানা (৪০), আবু বক্কর (৪৫) ও সামিউল ইসলাম ছনেট (৩২) আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে জিয়াউর রহমান ঠান্ডু, আইয়ুব আলী, মাসুদ রানা ও আবু বক্করকে শনিবার রাতেই বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, নেতা-কর্মীরা ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ সফল হোক’ লেখা একটি ব্যানার হাতে সমবেত হন। ব্যানারে শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর ছবি রয়েছে। ব্যানারের নিচে ‘শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন’ লেখা।
৩ মিনিট আগে
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষাকালে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে দুর্ঘটনায় অনেকেই আহত হন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি পাকা করার জন্য জনপ্রতিনিধিসহ সরকারি দপ্তরে দফায়...
২৪ মিনিট আগে
ফুলবাড়ি বাজার-সংলগ্ন একটি জমি নিয়ে চয়ন রাজভর ও একই গ্রামের আমিনুর ফকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার তারাবির নামাজের পর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন সেখানে জড়ো হলে সংঘর্ষের মধ্যে কে বা কারা চয়ন রাজভর ও আমিনুর ফকিরকে ছুরিকাঘাত করে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম দেওয়ান বলেন, ‘প্রায় দুই বছর ধরে এই কার্যক্রম চললেও তা বন্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অবিলম্বে কারখানাটি বন্ধ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।’
১ ঘণ্টা আগে