মীর মহিবুল্লাহ, পটুয়াখালী

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বিএনপি।
এমন পরিস্থিতিতেও বিলুপ্ত কমিটির নেতা-কর্মীরা হাসান মামুনের সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। তবে নুরকে জেতাতে মাঠে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং দুই উপজেলার সাবেক নেতারা। তাঁরা বলছেন, নুরকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দেবেন।
গতকাল শনিবার সকালে দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা এবং বিকেলে গলাচিপা পৌর শাখা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটি জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটনের কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, দুই উপজেলা ও গলাচিপা পৌর শাখা বিএনপির বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনকেও বহিষ্কার করা হয়।
দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শানু বলেন, ‘আমরা অনেক আগেই এ বিষয়ে প্রস্তুত ছিলাম। দীর্ঘদিন হাসান মামুনের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা সুসংগঠিত ছিলাম। আমরা এখনো তাঁর হয়ে কাজ করব।’
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘যে দলের নেতা বহিষ্কৃত হয়, সেখানে কর্মীরা বহিষ্কৃত হবে—এটাই স্বাভাবিক। বরং তারা দেরি করেছে, আমাদের অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই, আমরা হাসান মামুনের সঙ্গেই আছি।’
একটি সূত্র জানিয়েছে, হাসান মামুনকে দুবার চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে ডাকা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। এতে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। নেতাদের মতে, এটি শুধু দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ করার শামিল।
দলের দায়িত্বশীল এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ যদি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও নির্বাচনী কৌশলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। হাসান মামুন দলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, এটা দলের জন্য ও তাঁর জন্য লজ্জা।’
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ বলছেন, ‘কেন্দ্রীয় এই কঠোর অবস্থান নির্বাচনের মাঠে বিএনপিকে নতুন করে সক্রিয় করবে। একই সঙ্গে এটি তৃণমূলের জন্য তারেক রহমানের একটি স্পষ্ট বার্তা। নুরকে বিজয়ী করাই এখন বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক লক্ষ্য।’
দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সিদ্দিক আহমেদ মোল্লা বলেন, ‘আমরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দল করি। ব্যক্তি হাসান মামুনের দল করি না। এ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নুরুল হক নুরকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের সবার কর্তব্য তাঁর নির্দেশ পালন করে নুরের পক্ষে কাজ করা। উপজেলা বিএনপির একটি অংশ ব্যক্তি হাসান মামুনকে প্রাধান্য দিয়ে দলের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করেছেন। আমরা নুরের পক্ষে আছি। তাঁকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দেব।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টোটন বলেন, ‘দুই উপজেলা ও পৌর কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, এ বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা কাগজ পেয়েছি। চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে কি না, তা আমাদের জানা নেই।’ কমিটি বিলুপ্ত হলেও সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীরা হাসান মামুনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন আর বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীর এতে কোনো লাভ হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তা কেন্দ্রীয় কমিটি ও প্রার্থীই ভালো বলতে পারবেন।’
জানতে চাইলে হাসান মামুন বলেন, ‘দুই উপজেলার তৃণমূল বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, তাই আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
নুরুল হক নুর বলেন, ‘সমঝোতার পরও বিএনপির এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে; আমি আশা করি দলের চেয়ারম্যান তাঁকে ডেকে নিয়ে কথা বললে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টাবেন। তবে আমরা শুনেছি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দুবার ডাকা হয়েছে; তবে তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পরে দেখা করবেন। আসলে এটা তারেক রহমানকে অবজ্ঞা করা হচ্ছে। যেহেতু বিএনপির পক্ষ থেকে সব কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, এতে তাঁরা বুঝবেন এ আসন নিয়ে কেন্দ্র কতটা সিরিয়াস। আশা করছি, তাঁরা আমার সঙ্গে কাজ করবেন।’

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বিএনপি।
এমন পরিস্থিতিতেও বিলুপ্ত কমিটির নেতা-কর্মীরা হাসান মামুনের সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। তবে নুরকে জেতাতে মাঠে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং দুই উপজেলার সাবেক নেতারা। তাঁরা বলছেন, নুরকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দেবেন।
গতকাল শনিবার সকালে দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা এবং বিকেলে গলাচিপা পৌর শাখা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিটি জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটনের কাছে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, দুই উপজেলা ও গলাচিপা পৌর শাখা বিএনপির বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনকেও বহিষ্কার করা হয়।
দশমিনা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শানু বলেন, ‘আমরা অনেক আগেই এ বিষয়ে প্রস্তুত ছিলাম। দীর্ঘদিন হাসান মামুনের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা সুসংগঠিত ছিলাম। আমরা এখনো তাঁর হয়ে কাজ করব।’
গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘যে দলের নেতা বহিষ্কৃত হয়, সেখানে কর্মীরা বহিষ্কৃত হবে—এটাই স্বাভাবিক। বরং তারা দেরি করেছে, আমাদের অন্য প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই, আমরা হাসান মামুনের সঙ্গেই আছি।’
একটি সূত্র জানিয়েছে, হাসান মামুনকে দুবার চেয়ারম্যানের গুলশান কার্যালয়ে ডাকা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। এতে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়েছে। নেতাদের মতে, এটি শুধু দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ করার শামিল।
দলের দায়িত্বশীল এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ যদি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও নির্বাচনী কৌশলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। হাসান মামুন দলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন, এটা দলের জন্য ও তাঁর জন্য লজ্জা।’
স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একাংশ বলছেন, ‘কেন্দ্রীয় এই কঠোর অবস্থান নির্বাচনের মাঠে বিএনপিকে নতুন করে সক্রিয় করবে। একই সঙ্গে এটি তৃণমূলের জন্য তারেক রহমানের একটি স্পষ্ট বার্তা। নুরকে বিজয়ী করাই এখন বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক লক্ষ্য।’
দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সিদ্দিক আহমেদ মোল্লা বলেন, ‘আমরা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার দল করি। ব্যক্তি হাসান মামুনের দল করি না। এ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নুরুল হক নুরকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদের সবার কর্তব্য তাঁর নির্দেশ পালন করে নুরের পক্ষে কাজ করা। উপজেলা বিএনপির একটি অংশ ব্যক্তি হাসান মামুনকে প্রাধান্য দিয়ে দলের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করেছেন। আমরা নুরের পক্ষে আছি। তাঁকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দেব।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক টোটন বলেন, ‘দুই উপজেলা ও পৌর কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, এ বিষয়ে আমরা অবগত। আমরা কাগজ পেয়েছি। চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে কি না, তা আমাদের জানা নেই।’ কমিটি বিলুপ্ত হলেও সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীরা হাসান মামুনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন আর বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীর এতে কোনো লাভ হবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তা কেন্দ্রীয় কমিটি ও প্রার্থীই ভালো বলতে পারবেন।’
জানতে চাইলে হাসান মামুন বলেন, ‘দুই উপজেলার তৃণমূল বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে, তাই আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
নুরুল হক নুর বলেন, ‘সমঝোতার পরও বিএনপির এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে; আমি আশা করি দলের চেয়ারম্যান তাঁকে ডেকে নিয়ে কথা বললে তিনি সিদ্ধান্ত পাল্টাবেন। তবে আমরা শুনেছি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে দুবার ডাকা হয়েছে; তবে তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পরে দেখা করবেন। আসলে এটা তারেক রহমানকে অবজ্ঞা করা হচ্ছে। যেহেতু বিএনপির পক্ষ থেকে সব কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে, এতে তাঁরা বুঝবেন এ আসন নিয়ে কেন্দ্র কতটা সিরিয়াস। আশা করছি, তাঁরা আমার সঙ্গে কাজ করবেন।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
৬ ঘণ্টা আগে