সাতক্ষীরা রেঞ্জ
আবুল কাসেম, সাতক্ষীরা

‘স্থলপথে সুন্দরবন, সাতক্ষীরার আকর্ষণ’-এ স্লোগান সামনে রেখে পর্যটকদের কাছে সুন্দরবনকে আকৃষ্ট করতে কয়েক বছর ধরে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের এমন উদ্যোগের পরও ভ্রমণপিপাসুদের তেমন টানতে পারছে না বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ (শ্বাসমূলীয়) বনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ। যাতায়াত, আবাসনসহ নানাবিধ সংকটে কমছে পর্যটকের সংখ্যা। সেই সঙ্গে বাড়ছে এ খাত-সংশ্লিষ্ট মানুষের আর্থিক সংকট।
বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে পশ্চিম সুন্দরবন রেঞ্জে পর্যটক এসেছিল ৫২ হাজার। গেল অর্থবছরে তা কমেছে ১০ হাজার। এ বছরের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১ বিদেশিসহ পর্যটক ঢুকেছে মাত্র ১৪ হাজার। বনের সাতক্ষীরা অংশের ১ হাজার ৪৪৫ বর্গকিলোমিটারে কলাগাছী ও দোবেকি নামের দুটি পর্যটন স্টেশন রয়েছে। তবে বন বিভাগ বা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো রিসোর্ট বা লঞ্চের ব্যবস্থা নেই।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কপথে এসে জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে নামলেই সুন্দরবন। বনে যাওয়ার এমন সুবিধা উপকূলীয় আর কোনো জেলায় নেই। কিন্তু সদর থেকে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই সড়কের প্রায় পুরোটা ভাঙাচোরা। নেই ভালো মানের হোটেল-মোটেল। সরকার অবকাঠামোগত এসব সমস্যা দূর করে মুন্সিগঞ্জকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করলে বন ঘিরে পর্যটনের চিত্রই পাল্টে যাবে। আর পর্যটক বাড়লে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে যাবে।
কুষ্টিয়া থেকে পরিবার নিয়ে সুন্দরবনে বেড়াতে আসা আরিফুল হক বলেন, ‘সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার রাস্তা খুবই খারাপ। ১ ঘণ্টার জায়গায় সময় লেগেছে ২-৩ ঘণ্টা। ভ্রমণের আনন্দটা মাটি হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ রাস্তা এটা।’
মেহেরপুর থেকে আসা রমজান আলী বলেন, ‘রাস্তা খুব খারাপ। এখানে হোটেল নেই তেমন, খাওয়ার ভালো ব্যবস্থা নেই। এ কারণে সুন্দরবনে আসার আনন্দটাই মাটি হয়ে যাচ্ছে।’
বনে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া ট্রলারমালিক ফেরদাউস হোসেন জানান, ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ভাড়া করা একটি ট্রলারে ১০-১২ জন ভালোভাবে ঘোরাফেরা করতে পারেন। তবে দেশব্যাপী প্রচারের অভাবে পর্যটকের সংখ্যা কম।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী বেলাল হুসাইন বলেন, ‘সাতক্ষীরার খুব কাছে সুন্দরবন। রাস্তা থেকে নেমেই বন। সরকার যদি এখানে পর্যটনকেন্দ্র ঘোষণা করে, তবেই হোটেল-মোটেল হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে। তখন পর্যটকও ব্যাপক আসবে। পাশাপাশি অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই এলাকায়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ জানান, মুন্সিগঞ্জকে পর্যটনের হাব বানাতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের বন্য প্রাণীরা নির্জনতাপ্রিয়। সুতরাং বনকে যথেচ্ছ ব্যবহার করা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে বনকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। আমি রিসোর্ট বানাতে প্রস্তাব করেছি। এ ছাড়া খুব তাড়াতাড়ি আঞ্চলিক হাইওয়ে নির্মাণ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ উন্নতমানের লঞ্চের ব্যবস্থা করলে মুন্সিগঞ্জ পর্যটনের হাব হতে পারে।’

‘স্থলপথে সুন্দরবন, সাতক্ষীরার আকর্ষণ’-এ স্লোগান সামনে রেখে পর্যটকদের কাছে সুন্দরবনকে আকৃষ্ট করতে কয়েক বছর ধরে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের এমন উদ্যোগের পরও ভ্রমণপিপাসুদের তেমন টানতে পারছে না বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ (শ্বাসমূলীয়) বনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ। যাতায়াত, আবাসনসহ নানাবিধ সংকটে কমছে পর্যটকের সংখ্যা। সেই সঙ্গে বাড়ছে এ খাত-সংশ্লিষ্ট মানুষের আর্থিক সংকট।
বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে পশ্চিম সুন্দরবন রেঞ্জে পর্যটক এসেছিল ৫২ হাজার। গেল অর্থবছরে তা কমেছে ১০ হাজার। এ বছরের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১ বিদেশিসহ পর্যটক ঢুকেছে মাত্র ১৪ হাজার। বনের সাতক্ষীরা অংশের ১ হাজার ৪৪৫ বর্গকিলোমিটারে কলাগাছী ও দোবেকি নামের দুটি পর্যটন স্টেশন রয়েছে। তবে বন বিভাগ বা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো রিসোর্ট বা লঞ্চের ব্যবস্থা নেই।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কপথে এসে জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে নামলেই সুন্দরবন। বনে যাওয়ার এমন সুবিধা উপকূলীয় আর কোনো জেলায় নেই। কিন্তু সদর থেকে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। এই সড়কের প্রায় পুরোটা ভাঙাচোরা। নেই ভালো মানের হোটেল-মোটেল। সরকার অবকাঠামোগত এসব সমস্যা দূর করে মুন্সিগঞ্জকে পর্যটন এলাকা ঘোষণা করলে বন ঘিরে পর্যটনের চিত্রই পাল্টে যাবে। আর পর্যটক বাড়লে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে যাবে।
কুষ্টিয়া থেকে পরিবার নিয়ে সুন্দরবনে বেড়াতে আসা আরিফুল হক বলেন, ‘সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জ উপজেলার রাস্তা খুবই খারাপ। ১ ঘণ্টার জায়গায় সময় লেগেছে ২-৩ ঘণ্টা। ভ্রমণের আনন্দটা মাটি হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ রাস্তা এটা।’
মেহেরপুর থেকে আসা রমজান আলী বলেন, ‘রাস্তা খুব খারাপ। এখানে হোটেল নেই তেমন, খাওয়ার ভালো ব্যবস্থা নেই। এ কারণে সুন্দরবনে আসার আনন্দটাই মাটি হয়ে যাচ্ছে।’
বনে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া ট্রলারমালিক ফেরদাউস হোসেন জানান, ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ভাড়া করা একটি ট্রলারে ১০-১২ জন ভালোভাবে ঘোরাফেরা করতে পারেন। তবে দেশব্যাপী প্রচারের অভাবে পর্যটকের সংখ্যা কম।
এ বিষয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী বেলাল হুসাইন বলেন, ‘সাতক্ষীরার খুব কাছে সুন্দরবন। রাস্তা থেকে নেমেই বন। সরকার যদি এখানে পর্যটনকেন্দ্র ঘোষণা করে, তবেই হোটেল-মোটেল হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে। তখন পর্যটকও ব্যাপক আসবে। পাশাপাশি অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এই এলাকায়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ জানান, মুন্সিগঞ্জকে পর্যটনের হাব বানাতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের বন্য প্রাণীরা নির্জনতাপ্রিয়। সুতরাং বনকে যথেচ্ছ ব্যবহার করা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে বনকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। আমি রিসোর্ট বানাতে প্রস্তাব করেছি। এ ছাড়া খুব তাড়াতাড়ি আঞ্চলিক হাইওয়ে নির্মাণ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ উন্নতমানের লঞ্চের ব্যবস্থা করলে মুন্সিগঞ্জ পর্যটনের হাব হতে পারে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে