ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের যতিন্দ্র নারায়ণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আকবর আলী একাব্বর (৬০) উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের যতিন্দ্র নারায়ণ গ্ৰামের মৃত হাবিবর রহমানের ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য। ঘটনার সময় নিহতের স্ত্রী সাহেরা বেগম (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। আর অভিযুক্ত ছেলের নাম সাজেদুল ইসলামের (৩৫)।
নিহতের ভাতিজা আলতাফ হোসেন, বেদার উদ্দিন ও ওই গ্রামের ইউপি সদস্য মজিবর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকবর আলীর তিন ছেলে। এর মধ্যে সাজেদুল মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসা করালেও সে সুস্থ হয়নি। এ কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। মানসিকভাবে অসুস্থ হলেও সংসারের সব কাজকর্ম করতেন সাজেদুল।
ঘটনার দিন সকালে বাবা আকবর আলী তাঁকে খাওয়া সেরে ভুট্টাখেতে পানি দিতে বলেন। কিন্তু রান্না ঘরে গিয়ে ভাত না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ধারালো ছুরি দিয়ে মা সাহেরা বেগমকে আঘাত করেন। স্ত্রীর চিৎকারে তাঁকে বাঁচাতে আকবর আলী এগিয়ে এলে সাজেদুল ওই ছুরি তার পেটে ঢুকিয়ে দেন। এতে মা বাবা দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন।
স্বামী-স্ত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিকেল ৪টার দিকে আকবর আলী মারা যান। আহত মা সাহেরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাজেদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণকৃষ্ণ দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত চলছে।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের যতিন্দ্র নারায়ণ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আকবর আলী একাব্বর (৬০) উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের যতিন্দ্র নারায়ণ গ্ৰামের মৃত হাবিবর রহমানের ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য। ঘটনার সময় নিহতের স্ত্রী সাহেরা বেগম (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। আর অভিযুক্ত ছেলের নাম সাজেদুল ইসলামের (৩৫)।
নিহতের ভাতিজা আলতাফ হোসেন, বেদার উদ্দিন ও ওই গ্রামের ইউপি সদস্য মজিবর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আকবর আলীর তিন ছেলে। এর মধ্যে সাজেদুল মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসা করালেও সে সুস্থ হয়নি। এ কারণে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। মানসিকভাবে অসুস্থ হলেও সংসারের সব কাজকর্ম করতেন সাজেদুল।
ঘটনার দিন সকালে বাবা আকবর আলী তাঁকে খাওয়া সেরে ভুট্টাখেতে পানি দিতে বলেন। কিন্তু রান্না ঘরে গিয়ে ভাত না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। ধারালো ছুরি দিয়ে মা সাহেরা বেগমকে আঘাত করেন। স্ত্রীর চিৎকারে তাঁকে বাঁচাতে আকবর আলী এগিয়ে এলে সাজেদুল ওই ছুরি তার পেটে ঢুকিয়ে দেন। এতে মা বাবা দুজনেই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন।
স্বামী-স্ত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে ফুলবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিকেল ৪টার দিকে আকবর আলী মারা যান। আহত মা সাহেরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাজেদুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণকৃষ্ণ দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছেলেকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত চলছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে