শিপুল ইসলাম, রংপুর

রংপুরের তারাগঞ্জে শ্বশুর-জামাই হত্যাকাণ্ডের এজাহার ঘিরে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও মামলার কাগজে তার প্রতিফলন নেই। নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ, ‘পুলিশ ইচ্ছে করেই মনগড়া তথ্য যুক্ত করে মামলা সাজিয়েছে, যাতে প্রকৃত দায়ীদের আড়াল করা যায়।’
এদিকে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি ও ভুক্তভোগীদের উদ্ধার না করার বিষয়টি এজাহারে না থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। গতকাল নিহত রূপলালের ছেলে জয়দাস বলেন, ‘আমার বাবাকে যখন মারে তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কিন্তু সে কথা মামলায় লেখে নাই। ওরা লিখছে, পুলিশ নাকি হাসপাতালে দেখছে। এই মামলাটা ওরা নিজে নিজে থানায় মনমতো লেখে আমার মা’র সাইন নিছে। বাবার গায়ে দোষ দিয়া মামলা লেখছে। পুলিশ এখন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলা সম্পর্কে কিছু জানি না। কাগজে কী লেখা আছে, তাও জানি না। যখন মারা গেইছে তারপর থানা থাকি লোক আসছে। কাগজ নিয়া আসি আমার কাছ থাকি সাইন নিয়া গেইছে। কিন্তু কাগজে কী লেখা আছে, সেটা জানি না। পরে শুনি আমি বাদী, আমি মামলা করছি।’
বুড়িরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ থেকে রূপলাল ও প্রদীপকে উদ্ধার করা হলেও পুলিশ মামলায় বলেছে, ঘটনার খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ দ্রুত তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে রূপলালের মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং স্থানীয় লোকজনের স্বাক্ষর নেয়। পরে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ রূপলালের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
কিন্তু ঘটনাস্থলে নিহত রূপলালকে শনাক্তকারী তাঁর মেয়ে নুপুর রানী বলেন, ‘বুড়িরহাট স্কুলমাঠে আমার বাবা ও দাদা পড়ে ছিলেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী সেখান থেকে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসে। অথচ মামলায় লেখা হইছে, ওরা বাবার লাশ হাসপাতালে পাইছে। এটা তো সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমি যাওয়ার পর আমার কাছে তথ্য নেওয়ার পর তাঁরা লাশ নিয়ে গেছে। মামলার বিষয়ে মা কিছুই জানে না। ওরা নিজেরাই মামলা লেখছে, নিজেরা এসে স্বাক্ষর নিয়ে গেছে। কাগজে সব ভুলভাল লিখে রাখছে।’

কিন্তু নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বটতলায় রূপলাল ও প্রদীপকে আটকের পর এক দফা মারধর করা হয় এবং সেখান থেকে টেনে নিয়ে বুড়িরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে ফের গণপিটুনি দেওয়া হয়। এ সময় খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলেও ভুক্তভোগীদের উদ্ধার না করে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। চিহ্নিত লোকজনের মারধরে দুজনের মৃত্যু হলেও ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে মামলা দুর্বল করা জন্য দাবি পরিবারের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক বলেন, ‘মামলা কি পুলিশ করে না বাদী করে? অভিযোগটা কে দেয়? বাদী তো সব সময় এই কথাই বলে, এটা তো স্বাভাবিক। মামলায় আসামি যতই করা হোক, প্রকৃত আসামি ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নাই।’

রংপুরের তারাগঞ্জে শ্বশুর-জামাই হত্যাকাণ্ডের এজাহার ঘিরে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও মামলার কাগজে তার প্রতিফলন নেই। নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ, ‘পুলিশ ইচ্ছে করেই মনগড়া তথ্য যুক্ত করে মামলা সাজিয়েছে, যাতে প্রকৃত দায়ীদের আড়াল করা যায়।’
এদিকে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি ও ভুক্তভোগীদের উদ্ধার না করার বিষয়টি এজাহারে না থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। গতকাল নিহত রূপলালের ছেলে জয়দাস বলেন, ‘আমার বাবাকে যখন মারে তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কিন্তু সে কথা মামলায় লেখে নাই। ওরা লিখছে, পুলিশ নাকি হাসপাতালে দেখছে। এই মামলাটা ওরা নিজে নিজে থানায় মনমতো লেখে আমার মা’র সাইন নিছে। বাবার গায়ে দোষ দিয়া মামলা লেখছে। পুলিশ এখন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’
রূপলালের স্ত্রী ভারতী রানী অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলা সম্পর্কে কিছু জানি না। কাগজে কী লেখা আছে, তাও জানি না। যখন মারা গেইছে তারপর থানা থাকি লোক আসছে। কাগজ নিয়া আসি আমার কাছ থাকি সাইন নিয়া গেইছে। কিন্তু কাগজে কী লেখা আছে, সেটা জানি না। পরে শুনি আমি বাদী, আমি মামলা করছি।’
বুড়িরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ থেকে রূপলাল ও প্রদীপকে উদ্ধার করা হলেও পুলিশ মামলায় বলেছে, ঘটনার খবর পেয়ে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ দ্রুত তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপস্থিত হয়ে রূপলালের মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে এবং স্থানীয় লোকজনের স্বাক্ষর নেয়। পরে তারাগঞ্জ থানা-পুলিশ রূপলালের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
কিন্তু ঘটনাস্থলে নিহত রূপলালকে শনাক্তকারী তাঁর মেয়ে নুপুর রানী বলেন, ‘বুড়িরহাট স্কুলমাঠে আমার বাবা ও দাদা পড়ে ছিলেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী সেখান থেকে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসে। অথচ মামলায় লেখা হইছে, ওরা বাবার লাশ হাসপাতালে পাইছে। এটা তো সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমি যাওয়ার পর আমার কাছে তথ্য নেওয়ার পর তাঁরা লাশ নিয়ে গেছে। মামলার বিষয়ে মা কিছুই জানে না। ওরা নিজেরাই মামলা লেখছে, নিজেরা এসে স্বাক্ষর নিয়ে গেছে। কাগজে সব ভুলভাল লিখে রাখছে।’

কিন্তু নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বটতলায় রূপলাল ও প্রদীপকে আটকের পর এক দফা মারধর করা হয় এবং সেখান থেকে টেনে নিয়ে বুড়িরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে ফের গণপিটুনি দেওয়া হয়। এ সময় খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলেও ভুক্তভোগীদের উদ্ধার না করে জনতার হাতে ছেড়ে দেয়। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। চিহ্নিত লোকজনের মারধরে দুজনের মৃত্যু হলেও ৭০০ জনকে আসামি করা হয়েছে মামলা দুর্বল করা জন্য দাবি পরিবারের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক বলেন, ‘মামলা কি পুলিশ করে না বাদী করে? অভিযোগটা কে দেয়? বাদী তো সব সময় এই কথাই বলে, এটা তো স্বাভাবিক। মামলায় আসামি যতই করা হোক, প্রকৃত আসামি ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নাই।’

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবগঠিত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মিত্রজয় তঞ্চঙ্গ্যা।
২১ মিনিট আগে
নওগাঁয় সেতু থেকে নিজের ১৬ মাস বয়সী শিশুকে নদীতে ছুড়ে ফেলে থানায় হাজির হয়েছেন এক নারী। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে পত্নীতলা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। পত্নীতলা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন তাঁরা।
২৯ মিনিট আগে
দেশে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে লাইটার জাহাজ সংকট নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। আমদানিকারকদের একটি অংশ কর্তৃক অভ্যন্তরীণ নৌপথে ব্যবহৃত লাইটার জাহাজগুলোকে অবৈধভাবে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করায় সৃষ্টি হওয়া সংকট মোকাবিলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের এক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির আহ্বায়ককে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, জামায়েত করার কারণে গতকাল বুধবার রাতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে