গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতাকে ছুরিকাঘাতের মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ গেট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত ফেরদৌস আহমেদ নেহাল (২৫) সাঘাটা উপজেলার হাট ভরতখালী গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নেহালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সদর থানায় হওয়া মামলায় তাঁকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে।
এ মামলায় আগে এজাহারনামীয় আসামি সুমন, কিরণ ও নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।
গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ মাঠে আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘুরতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান এবং যুগ্ম সদস্যসচিব শেফাউর রহমান। এ সময় এক দোকানে এক নারীকে হেনস্তায় বাধা দেন তাঁরা। তখন অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনজন আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সংগঠনের যুগ্ম সদস্যসচিব মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই সদর থানায় মামলা করেন। এতে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় ৯ থেকে ১০ জনকে।
হামলায় আহত শফিকুল বলেন, ‘হামলাকারীদের মধ্যে একজন ছিলেন নেহাল। তাঁর হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আমাদের গুরুতর জখম করে। ছুরিকাঘাতে পেটে প্রায় ৫০টি মতো সেলাই পড়েছে। ঘটনার আড়াই মাস পর পুলিশ নেহালকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তিনি গাইবান্ধা ও বগুড়ায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় অংশ নেওয়া ছাড়াও নানা অপতৎপরতায় সক্রিয় ছিলেন। কয়েক দিন আগে নেহাল তাঁর ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলমসহ সমন্বয়কদের টোকাই বলে সম্বোধন করেছেন। আমি চাই এমন ভয়ানক সন্ত্রাসী যেন কোনোভাবে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হতে না পারে। হামলার ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
আরও খবর পড়ুন:

গাইবান্ধায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতাকে ছুরিকাঘাতের মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা সরকারি কলেজ গেট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত ফেরদৌস আহমেদ নেহাল (২৫) সাঘাটা উপজেলার হাট ভরতখালী গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার। তিনি বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নেহালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সদর থানায় হওয়া মামলায় তাঁকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে।
এ মামলায় আগে এজাহারনামীয় আসামি সুমন, কিরণ ও নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।
গাইবান্ধা শহরের স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ মাঠে আয়োজিত বাণিজ্য মেলায় ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘুরতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান এবং যুগ্ম সদস্যসচিব শেফাউর রহমান। এ সময় এক দোকানে এক নারীকে হেনস্তায় বাধা দেন তাঁরা। তখন অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনজন আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সংগঠনের যুগ্ম সদস্যসচিব মো. আসাদুজ্জামান বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই সদর থানায় মামলা করেন। এতে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয় ৯ থেকে ১০ জনকে।
হামলায় আহত শফিকুল বলেন, ‘হামলাকারীদের মধ্যে একজন ছিলেন নেহাল। তাঁর হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আমাদের গুরুতর জখম করে। ছুরিকাঘাতে পেটে প্রায় ৫০টি মতো সেলাই পড়েছে। ঘটনার আড়াই মাস পর পুলিশ নেহালকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তিনি গাইবান্ধা ও বগুড়ায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় অংশ নেওয়া ছাড়াও নানা অপতৎপরতায় সক্রিয় ছিলেন। কয়েক দিন আগে নেহাল তাঁর ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলমসহ সমন্বয়কদের টোকাই বলে সম্বোধন করেছেন। আমি চাই এমন ভয়ানক সন্ত্রাসী যেন কোনোভাবে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হতে না পারে। হামলার ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
আরও খবর পড়ুন:

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে