পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছায় এক যুবকের মারধরের শিকার হয়ে নওশাদ আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই যুবককে আটক করেছে মিঠাপুকুর থানা-পুলিশ।
আজ বুধবার পীরগাছা উপজেলার কৈকুড়ি ইউনিয়নের ইছলারহাটের চেংটুর ব্রিজসংলগ্ন রংপুর-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিহত নওশাদ আলী রংপুর মিঠাপুকুরের মির্জাপুর ইউনিয়নের কাচারিবাজার এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম আব্দুল করিম (৪৬)। তাঁর বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রামধন এলাকার। তিনি ওই এলাকার ওসমান গণির ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার বলছে, নওশাদ আলীর মেয়ের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের ‘প্রেমের’ সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে যান ওই যুবক। এ ঘটনায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে আব্দুল করিমকে আসামি করে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন তরুণীর বাবা নওশাদ আলী। ওই মামলায় পুলিশ তরুণীকে উদ্ধারসহ করিমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তিন মাস জেল খেটে সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পান আব্দুল করিম। সেই খবর পেয়ে আবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন ওই তরুণী।
খবর পেয়ে আজ সকালে আব্দুল করিমের বাড়ি গিয়ে মেয়েকে জোর করে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন নওশাদ আলী। পথে পীরগাছা উপজেলার সীমান্তবর্তী ইছলারহাট বাজার এলাকার ব্রিজে পৌঁছালে নওশাদ আলীর পথরোধ করে বেধড়ক মারধর দিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত করিম। সেখানে নওশাদ আলী গুরুতর আহত হয়ে পড়লে, স্থানীয় বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক জানান, প্রেমঘটিত কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। আব্দুল করিমকে রংপুর থেকে পালানোর সময় আটক করা হয়েছে। তাঁকে থানায় নেওয়া হচ্ছে।
এসআই আরও জানান, নওশাদ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রংপুরের পীরগাছায় এক যুবকের মারধরের শিকার হয়ে নওশাদ আলী (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই যুবককে আটক করেছে মিঠাপুকুর থানা-পুলিশ।
আজ বুধবার পীরগাছা উপজেলার কৈকুড়ি ইউনিয়নের ইছলারহাটের চেংটুর ব্রিজসংলগ্ন রংপুর-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিহত নওশাদ আলী রংপুর মিঠাপুকুরের মির্জাপুর ইউনিয়নের কাচারিবাজার এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবকের নাম আব্দুল করিম (৪৬)। তাঁর বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় রামধন এলাকার। তিনি ওই এলাকার ওসমান গণির ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার বলছে, নওশাদ আলীর মেয়ের সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের ‘প্রেমের’ সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে যান ওই যুবক। এ ঘটনায় মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে আব্দুল করিমকে আসামি করে মিঠাপুকুর থানায় মামলা করেন তরুণীর বাবা নওশাদ আলী। ওই মামলায় পুলিশ তরুণীকে উদ্ধারসহ করিমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তিন মাস জেল খেটে সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পান আব্দুল করিম। সেই খবর পেয়ে আবার তাঁর বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন ওই তরুণী।
খবর পেয়ে আজ সকালে আব্দুল করিমের বাড়ি গিয়ে মেয়েকে জোর করে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন নওশাদ আলী। পথে পীরগাছা উপজেলার সীমান্তবর্তী ইছলারহাট বাজার এলাকার ব্রিজে পৌঁছালে নওশাদ আলীর পথরোধ করে বেধড়ক মারধর দিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত করিম। সেখানে নওশাদ আলী গুরুতর আহত হয়ে পড়লে, স্থানীয় বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক জানান, প্রেমঘটিত কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। আব্দুল করিমকে রংপুর থেকে পালানোর সময় আটক করা হয়েছে। তাঁকে থানায় নেওয়া হচ্ছে।
এসআই আরও জানান, নওশাদ আলীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে আছে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১০ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে