রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সঙ্গে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) মতবিনিময় সভায় মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ গ্রাহকেরা। তাঁদের প্রতিবাদের মুখে পণ্ড হয়ে যায় ওই সভা।
জানা গেছে, এক মাসের বেশি সময় ধরে রংপুরে নেসকোর প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন গ্রাহকেরা। সর্বশেষ গত রোববার নেসকোর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে নেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপন নিয়ে সাধারণ গ্রাহক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভার আয়োজন করে নেসকো। এ সময় মাল্টিমিডিয়া উপস্থানায় প্রি-পেইড মিটার নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের শুরুতে মুজিব বর্ষের লোগো দেখতে পেয়ে হইচই শুরু হয়। একপর্যায়ে অনুষ্ঠান বর্জন করে দোষী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রি-পেইড মিটারের প্রেজেন্টেশনে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহারের মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণিত হয়, নেসকোতে এখনো ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মা রয়েছে। তারাই মূলত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রত্যেককে শাস্তি দিতে হবে। দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
তবে নেসকোর রংপুরের অঞ্চলের (বিতরণ বিভাগ) প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘আসলে ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি। এটা কীভাবে এল, কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল বলেন, এটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আমরা জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় যাঁরা ছিলেন, সবাই একযোগে এটার প্রতিবাদ করেছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, তাঁরা সভাটিকে বিতর্কিত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আজকেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।’

রংপুরে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সঙ্গে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) মতবিনিময় সভায় মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ গ্রাহকেরা। তাঁদের প্রতিবাদের মুখে পণ্ড হয়ে যায় ওই সভা।
জানা গেছে, এক মাসের বেশি সময় ধরে রংপুরে নেসকোর প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন গ্রাহকেরা। সর্বশেষ গত রোববার নেসকোর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন তাঁরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার দুপুরে রংপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে নেসকোর আওতাধীন এলাকায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপন নিয়ে সাধারণ গ্রাহক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভার আয়োজন করে নেসকো। এ সময় মাল্টিমিডিয়া উপস্থানায় প্রি-পেইড মিটার নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের শুরুতে মুজিব বর্ষের লোগো দেখতে পেয়ে হইচই শুরু হয়। একপর্যায়ে অনুষ্ঠান বর্জন করে দোষী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রি-পেইড মিটারের প্রেজেন্টেশনে মুজিব বর্ষের লোগো ব্যবহারের মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণিত হয়, নেসকোতে এখনো ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রেতাত্মা রয়েছে। তারাই মূলত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের প্রত্যেককে শাস্তি দিতে হবে। দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
তবে নেসকোর রংপুরের অঞ্চলের (বিতরণ বিভাগ) প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘আসলে ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করছি। এটা কীভাবে এল, কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল বলেন, এটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আমরা জেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় যাঁরা ছিলেন, সবাই একযোগে এটার প্রতিবাদ করেছি। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, তাঁরা সভাটিকে বিতর্কিত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আজকেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে