রাঙামাটির রাজস্থলী-বিলাইছড়ি সীমান্ত সড়কে মোটরসাইকেল গভীর খাদে পড়ে খিয়োমা তঞ্চঙ্গ্যা (৫২) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত খিয়োমা তঞ্চঙ্গ্যা রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের রোয়া পাড়াছড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাইজ্যা তঞ্চঙ্গ্যার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্র ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খিয়োমা তঞ্চঙ্গ্যা মোটরসাইকেলে করে রাজস্থলীর দিকে যাচ্ছিলেন। পাহাড়ি সড়কে ওঠার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেলটি গভীর খাদে পড়ে যায়। এ সময় মোটরসাইকেলের নিচে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন খিয়োমা তঞ্চঙ্গ্যাকে উদ্ধার করে রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। চট্টগ্রামে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।
রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি বিলাইছড়ি থানার আওতাধীন এলাকায় ঘটেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতের মরদেহ ফারুয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
৫ মিনিট আগে
নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
১১ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘হাকালুকি হাওরে আগের মতো মাছ মেলে না। হাওরের পানির নিচে হাত দিলেই শুধু প্লাস্টিক হাতে আসে। হাওরের গভীরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগে যে জায়গায় ১৫-২০ ফুট গভীর পর্যন্ত পানি ছিল, এখন সেই জায়গায় মাত্র ৫-৭ ফুট। পলিমাটি ও বালু এসে ধীরে ধীরে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে হাওর রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে