রাজশাহী প্রতিনিধি

দেশকে ধ্বংস করতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করছে মন্তব্য করে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ‘দেশ পরিচালনায় বিএনপির কোনো যোগ্যতা নেই। যোগ্যতা প্রমাণ করতে হলে দুর্নীতি, নৈরাজ্য, মানুষ হত্যা থেকে বিরত থাকতে হবে। কিন্তু তারা পারবে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যোগ্যতা একমাত্র শেখ হাসিনার আছে।’
আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় যুবলীগের বর্ধিত সভায় এ মন্তব্য করেন পরশ। ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে বিদেশি প্রভুদের কাছে গিয়ে লাভ হবে না। ক্ষমতায় আসতে হলে আগে নাকে খত দিয়ে জনগণের কাছে মাফ চাইতে হবে।’
আগামী দিনে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের রাজপথে থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘রাজপথই যুবলীগের ঠিকানা। রাজপথে থেকে সকল নৈরাজ্য ঠেকিয়ে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর আমাদের প্রাণ শেখ হাসিনা। তিনি থাকলে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। কেননা, বাংলাদেশের সকল অর্জন শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে।’
সবাইকে জনসভায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই জনসভাকে ঐতিহাসিক জনসভায় পরিণত করতে হবে। সেই জনসভা থেকে জানান দিতে চাই বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ‘শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগকে শক্তিশালী করেছিল। মনির সুযোগ্য সন্তান পরশকে ও নিখিলকে শেখ হাসিনা দায়িত্ব দিয়েছেন। রাজশাহীতে যুবলীগের যত ইউনিট আছে তাদের মাঠে, গ্রামে, নগর-বন্দরে গিয়ে জনমত গঠন করে হাসিনার বর্ণিল আগমনে ভরে দিতে হবে।’
এ সময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।
যুবলীগের বিভাগীয় বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ কেন্দ্রীয় যুবলীগ, বিভাগীয় ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

দেশকে ধ্বংস করতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করছে মন্তব্য করে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ‘দেশ পরিচালনায় বিএনপির কোনো যোগ্যতা নেই। যোগ্যতা প্রমাণ করতে হলে দুর্নীতি, নৈরাজ্য, মানুষ হত্যা থেকে বিরত থাকতে হবে। কিন্তু তারা পারবে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার যোগ্যতা একমাত্র শেখ হাসিনার আছে।’
আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় যুবলীগের বর্ধিত সভায় এ মন্তব্য করেন পরশ। ২৯ জানুয়ারি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে বিদেশি প্রভুদের কাছে গিয়ে লাভ হবে না। ক্ষমতায় আসতে হলে আগে নাকে খত দিয়ে জনগণের কাছে মাফ চাইতে হবে।’
আগামী দিনে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের রাজপথে থাকার আহ্বান জানিয়ে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘রাজপথই যুবলীগের ঠিকানা। রাজপথে থেকে সকল নৈরাজ্য ঠেকিয়ে দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর আমাদের প্রাণ শেখ হাসিনা। তিনি থাকলে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। কেননা, বাংলাদেশের সকল অর্জন শেখ হাসিনার হাতে হয়েছে।’
সবাইকে জনসভায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই জনসভাকে ঐতিহাসিক জনসভায় পরিণত করতে হবে। সেই জনসভা থেকে জানান দিতে চাই বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ‘শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগকে শক্তিশালী করেছিল। মনির সুযোগ্য সন্তান পরশকে ও নিখিলকে শেখ হাসিনা দায়িত্ব দিয়েছেন। রাজশাহীতে যুবলীগের যত ইউনিট আছে তাদের মাঠে, গ্রামে, নগর-বন্দরে গিয়ে জনমত গঠন করে হাসিনার বর্ণিল আগমনে ভরে দিতে হবে।’
এ সময় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।
যুবলীগের বিভাগীয় বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ কেন্দ্রীয় যুবলীগ, বিভাগীয় ও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে