পাবনা ও ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে পার্কের ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। এ সময় তাঁরা ঝাড়ু ও জুতা দেখিয়ে অবৈধ ও অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন রতন দুই বছর আগে ভবানীপুর গ্রামে ‘জে এন্ড জে’ নামের একটি বিনোদন পার্ক স্থাপন করেন। কিছুদিন পর তিনি সেখানে মাদক ব্যবসা ও নারী নিয়ে এসে দেহ ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি রূপপুরের রাশিয়ান নাগরিকদের নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করছেন। দিনে-রাতে এসব অশ্লীল ও অসামাজিক কাজে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা আকুব্বর হোসেন ও আনিসুর রহমান বলেন, ‘বিনোদন কেন্দ্রের নামে রতন সাহেব দেহ ও মাদক ব্যবসা করছেন। এ কারণে এলাকার পরিবেশ ও যুব সমাজ নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে তাকে বারবার জানানো হলেও তিনি কারও কথা শুনছেন না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছি। পুলিশকে জানিয়েও লাভ হয়নি। তারা অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ না করে উল্টো স্থানীয়দের হয়রানি করছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার পুলিশের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, পার্ক সাধারণ মানুষের বিনোদনের জায়গা। কিন্তু সেখানে অবৈধ, অশ্লীল, অসামাজিক কাজ মেনে নেওয়া হবে না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন রতনের পার্কে গিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে পার্কের প্রধান ফটক বন্ধ পাওয়া যায়। মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে পার্কের ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। এ সময় তাঁরা ঝাড়ু ও জুতা দেখিয়ে অবৈধ ও অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন রতন দুই বছর আগে ভবানীপুর গ্রামে ‘জে এন্ড জে’ নামের একটি বিনোদন পার্ক স্থাপন করেন। কিছুদিন পর তিনি সেখানে মাদক ব্যবসা ও নারী নিয়ে এসে দেহ ব্যবসা শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি রূপপুরের রাশিয়ান নাগরিকদের নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করছেন। দিনে-রাতে এসব অশ্লীল ও অসামাজিক কাজে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা আকুব্বর হোসেন ও আনিসুর রহমান বলেন, ‘বিনোদন কেন্দ্রের নামে রতন সাহেব দেহ ও মাদক ব্যবসা করছেন। এ কারণে এলাকার পরিবেশ ও যুব সমাজ নষ্ট হচ্ছে। এ বিষয়ে তাকে বারবার জানানো হলেও তিনি কারও কথা শুনছেন না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছি। পুলিশকে জানিয়েও লাভ হয়নি। তারা অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ না করে উল্টো স্থানীয়দের হয়রানি করছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার পুলিশের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, পার্ক সাধারণ মানুষের বিনোদনের জায়গা। কিন্তু সেখানে অবৈধ, অশ্লীল, অসামাজিক কাজ মেনে নেওয়া হবে না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন রতনের পার্কে গিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে পার্কের প্রধান ফটক বন্ধ পাওয়া যায়। মোবাইলে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির কাছ থেকে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধ না করেই ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা সম্পত্তি গোপনে ভেঙে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জয়নব ট্রেডিং লিমিটেডের বিরুদ্ধে।
৫ ঘণ্টা আগে
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের এক পাশে সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি)। অন্য পাশের একটি কক্ষে রাখা হয় প্রসূতিদের। কিন্তু প্রসূতি ও নবজাতকদের সংক্রমণ ঝুঁকিতে ফেলে স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডের মধ্যেই নিয়মিত রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করছেন হাসপাতালের নার্সরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে ৪৬.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ ১৪ বছর ধরে চলমান। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে আংশিকভাবে যান চলাচলের জন্য চালু হলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-আংশিক সাতকানিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের দেড় বছরের ব্যবধানে সম্পদ ২১ কোটি থেকে বেড়ে ৪১ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। হোটেল ব্যবসা ও দোকানপাট ভাড়া দিয়ে এক বছর আগেও তিনি বার্ষিক করতেন ১ কোটি টাকার ওপরে।
৬ ঘণ্টা আগে