সোহেল মারমা, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-আংশিক সাতকানিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের দেড় বছরের ব্যবধানে সম্পদ ২১ কোটি থেকে বেড়ে ৪১ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। হোটেল ব্যবসা ও দোকানপাট ভাড়া দিয়ে এক বছর আগেও তিনি বার্ষিক করতেন ১ কোটি টাকার ওপরে। বর্তমানে তাঁর আয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। দেড় বছরে তিনি ৬০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণও পরিশোধ করেছেন।
গত ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জসিম উদ্দিন আহমেদের জমা দেওয়া হলফনামা এবং ২০২৪ সালের ২৯ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ঋণখেলাপির অভিযোগে জসিম উদ্দিনের প্রার্থিতা সাময়িক স্থগিত করা হলেও পরে বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
জসিম উদ্দিনের কক্সবাজারের রামাদা (যেটি হোটেল আইবিআইএস লিমিটেড নামে নিবন্ধিত) এবং চট্টগ্রামে নগরের কোতোয়ালিতে জেসিকা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামের দুটি হোটেল রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লটের মালিক তিনি। ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় ঢাকা ও চট্টগ্রামে তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাড্ডা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনার একটি হত্যা মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে আসেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের এপ্রিলে পদ্মা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে নেওয়া ৮৬ কোটি ৭২ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধ না করায় জসিম উদ্দিনের সম্পত্তি জব্দের আদেশ এবং একই সঙ্গে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন চট্টগ্রামের একটি আদালত।
জসিম উদ্দিনের দুটি নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনায় জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০২৪ সালের এপ্রিলে দাখিল করা হলফনামায় তিনি মোট ২১ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব দেখিয়েছিলেন। ঘর ও বাণিজ্যিক স্থাপনা ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ থেকে তাঁর আয় ছিল ৬৩ লাখ টাকা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা হলফনামায় ২০২৫-২৬ করবর্ষে তিনি স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব দেখিয়েছেন। তাঁর বার্ষিক আয় বেড়ে ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা হয়েছে। হলফনামায় জসিম উদ্দিন হোটেল ব্যবসা, কৃষি খাত, ঘর এবং বাণিজ্যিক স্থান থেকে ভাড়া, মূলধনি আয় ও দেশের বাইরে আয়ের তথ্য উল্লেখ করেছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় জসিমের হাতে ছিল নগদ ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৯১ টাকা। তাঁর স্ত্রী তানজিনা সুলতানা জুহির হাতে ছিল মাত্র সাড়ে ৪ হাজার টাকা। বর্তমানে জসিমের নগদ অর্থ ১৫ কোটি ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে রয়েছে ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।
উপজেলা নির্বাচনে জসিম উদ্দিনের ফ্ল্যাট ও প্লট, দোকান থাকার তথ্য সীমিতভাবে দেওয়া হলেও সংসদ নির্বাচনে চন্দনাইশে দুটি বাড়ি, চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী ও পাঁচলাইশে ৮টি ফ্ল্যাট এবং কক্সবাজারে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৬টি ফ্ল্যাটের তথ্য দিয়েছেন। এসব সম্পদের মূল্যমান দেখানো হয়েছে ১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে তাঁর স্ত্রীর নামে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা দামের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হলফনামায় জসিম উদ্দিন পদ্মা ব্যাংক থেকে ৬০ কোটি ও সোনালী ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ৬৩ লাখ ৯ হাজার টাকার ঋণের তথ্য দিয়েছিলেন। এবার হলফনামায় জসিম উদ্দিন শুধু সোনালী ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ১৭ লাখ ৬০৫ টাকা ঋণের তথ্য দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি ৬০ কোটি টাকা ঋণ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছেন।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-আংশিক সাতকানিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের দেড় বছরের ব্যবধানে সম্পদ ২১ কোটি থেকে বেড়ে ৪১ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। হোটেল ব্যবসা ও দোকানপাট ভাড়া দিয়ে এক বছর আগেও তিনি বার্ষিক করতেন ১ কোটি টাকার ওপরে। বর্তমানে তাঁর আয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। দেড় বছরে তিনি ৬০ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণও পরিশোধ করেছেন।
গত ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জসিম উদ্দিন আহমেদের জমা দেওয়া হলফনামা এবং ২০২৪ সালের ২৯ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় ঋণখেলাপির অভিযোগে জসিম উদ্দিনের প্রার্থিতা সাময়িক স্থগিত করা হলেও পরে বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
জসিম উদ্দিনের কক্সবাজারের রামাদা (যেটি হোটেল আইবিআইএস লিমিটেড নামে নিবন্ধিত) এবং চট্টগ্রামে নগরের কোতোয়ালিতে জেসিকা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামের দুটি হোটেল রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে একাধিক ফ্ল্যাট ও প্লটের মালিক তিনি। ২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় ঢাকা ও চট্টগ্রামে তাঁর বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাড্ডা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনার একটি হত্যা মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে আসেন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের এপ্রিলে পদ্মা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে নেওয়া ৮৬ কোটি ৭২ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধ না করায় জসিম উদ্দিনের সম্পত্তি জব্দের আদেশ এবং একই সঙ্গে তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন চট্টগ্রামের একটি আদালত।
জসিম উদ্দিনের দুটি নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনায় জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২০২৪ সালের এপ্রিলে দাখিল করা হলফনামায় তিনি মোট ২১ কোটি ৩০ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব দেখিয়েছিলেন। ঘর ও বাণিজ্যিক স্থাপনা ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয় দেখিয়েছিলেন প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ থেকে তাঁর আয় ছিল ৬৩ লাখ টাকা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দাখিল করা হলফনামায় ২০২৫-২৬ করবর্ষে তিনি স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার সম্পদের হিসাব দেখিয়েছেন। তাঁর বার্ষিক আয় বেড়ে ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা হয়েছে। হলফনামায় জসিম উদ্দিন হোটেল ব্যবসা, কৃষি খাত, ঘর এবং বাণিজ্যিক স্থান থেকে ভাড়া, মূলধনি আয় ও দেশের বাইরে আয়ের তথ্য উল্লেখ করেছেন।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সময় জসিমের হাতে ছিল নগদ ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৯১ টাকা। তাঁর স্ত্রী তানজিনা সুলতানা জুহির হাতে ছিল মাত্র সাড়ে ৪ হাজার টাকা। বর্তমানে জসিমের নগদ অর্থ ১৫ কোটি ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা। স্ত্রীর হাতে রয়েছে ১৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।
উপজেলা নির্বাচনে জসিম উদ্দিনের ফ্ল্যাট ও প্লট, দোকান থাকার তথ্য সীমিতভাবে দেওয়া হলেও সংসদ নির্বাচনে চন্দনাইশে দুটি বাড়ি, চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী ও পাঁচলাইশে ৮টি ফ্ল্যাট এবং কক্সবাজারে ছোট-বড় মিলিয়ে ৩৬টি ফ্ল্যাটের তথ্য দিয়েছেন। এসব সম্পদের মূল্যমান দেখানো হয়েছে ১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে তাঁর স্ত্রীর নামে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা দামের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের হলফনামায় জসিম উদ্দিন পদ্মা ব্যাংক থেকে ৬০ কোটি ও সোনালী ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ৬৩ লাখ ৯ হাজার টাকার ঋণের তথ্য দিয়েছিলেন। এবার হলফনামায় জসিম উদ্দিন শুধু সোনালী ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ১৭ লাখ ৬০৫ টাকা ঋণের তথ্য দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি ৬০ কোটি টাকা ঋণ ইতিমধ্যে পরিশোধ করেছেন।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত ব্যক্তির নাম হিরাজ মিয়া (৫৫)।
৭ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের একটি আবাসিক হোটেলের লিফটে আটকে পড়া বরসহ ১০ জনকে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকার খান টাওয়ারে অবস্থিত হোটেল শেরাটনের নিচতলার একটি দেয়াল ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন টেঁটাবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁরা হলেন শুকুর মোল্লা (৫৫), আলী আহমেদ (৩৫), মো. হোসেন (৩২), অন্তর (১৮) ও কামাল সাধু (৪০)। তাঁদের ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
১৪ মিনিট আগে
বাপ্পী নামক কলাগাছকে সামনে এনে হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল ঘটনাকে সরকার আড়াল করছে বলে অভিযোগ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেছেন, ‘হাদি হত্যার চার্জশিটে বাপ্পী নামক এক কলাগাছকে সামনে এসে মূল ঘটনাকে আপনারা (সরকার) আড়াল করবার চেষ্টা করছেন।’
৩০ মিনিট আগে